সর্বপ্রথম মনুষ্য বহনকারী স্পেসক্রাফট

0

ইলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স ক্যালিফোর্নিয়ার একটি লাইভ লঞ্চ ইভেন্টে পৃথিবীর সর্বপ্রথম মনুষ্য বহনকারী স্পেসক্রাফট তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। স্পেসক্রাফটটির নাম দেয়া হয়েছে ‘দি ড্রাগন ভি২’। এটি সাতজন নভোচারী নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যেতে পারবে এবং ফিরে আসতে পারবে। এটি স্পেস স্টেশনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডক করতে পারবে এবং সহজেই পৃথিবীর যেকোন জায়গায় অবতরণ করতে পারবে এর প্রপালশন সিস্টেমের মাধ্যমে।

মাস্ক ড্রাগন ভি২ কে টেকনোলোজির ক্ষেত্রে একটি বিশাল অগ্রগতি হিসেবে দেখছে। তিনি জানান এটি পৃথিবীর যেকোন স্থানে অবতারণ করতে পারবে একটি হেলিকপ্টারের মত নিখুঁত ভাবে, ঠিক যেমন একটি মর্ডান স্পেসক্রাফটের হওয়া উচিৎ। স্পেসএক্স একটি এনিমেটেড ভিডিওর মাধ্যমে স্পেসক্রাফটটির সম্পূর্ণ যাত্রা তুলে ধরেছে।

dragon

মাস্কের ভাষ্যমতে স্পেস ক্রাফটির অভ্যন্তরীণ নকশা করা হয়েছে সাধারন এবং সহজ সরল। ক্রাফটটিকে কন্ট্রোল করা যাবে কয়েকটি স্ক্রিনের মাধ্যমে, তবে ক্রিটিকাল কন্ট্রোল যেমনঃ যা জরুরী অবতরনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়, এগুলো থাকবে মেনুয়্যাল কমান্ড কন্সোলের মাঝে ।

dragon-o2

ড্রাগন ভি২ ২০১৬ নাগাদ মানুয বহন করে মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানান মাস্ক। স্পেস এজেন্সিটি আশা করছে ২০১৭ বা ২০১৮ নাগাদ এটি মহাকাশে প্রেরণ করা হতে পারে। তবে এর প্রথম ফ্লাইটটি হবে মানুষ বিহীন। প্রথম ফ্লাইটটির মাধ্যমে দেখা হবে এটি মহাকাশে মানুষের জন্য সম্পূর্ণ কার্যকরী কিনা।

জানালেন: সাব্বির দেলোয়ার

Comment

comments

Comments are closed.