শিশুদের জন্য ফেসবুক কতটা নিরাপদ ?

0

ইদানিং অনেকের মুখেই শুনতে পাওয়া যাচ্ছে তার সন্তানকে ফেসবুক একাউন্ট করে দিলেন। এবং আমরা তাতে অনেকেই আনন্দিত বোধ করছি। কিন্তু এখন আসলেই ভেবে দেখা দরকার ইন্টারনেটের এই জগতটা শিশুদের জন্য কতটা নিরাপদ। বাংলাদেশে ইন্টারনেটের মাঝে দানব হয়ে দাড়িয়েছে ফেসবুকের মতো নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো। যা কিনা বড়দের জন্যেই এক ধরনের হুমকি। প্রশ্ন উঠতেই পারে শিশুরা কি এই রোগ প্রতিরোধ করতে পারবে ? বা প্রযুক্তির দাড়িপাল্লায় নিজেদের মাপতে গিয়ে আবার ভুল পথে ছোটা হচ্ছে নাতো ?

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের এক সমীক্ষার ফলাফল এসেছে আসলেই ভয় পাবার মতন। ভারতে অ্যাসোচেমের সার্ভে অনুযায়ী আট থেকে ১৩ বছরের প্রায় ৭৩ শতাংশ শিশুরা ফেসবুকের মতো নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে৷ অ্যাসোচেমের সার্ভে অনুযায়ী এটি অবশ্যই দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে৷ এতে একে অপরের ক্ষতি ও অনলাইনে যৌন উৎপীড়নের মতো খারাপ পরিণামও দেখা যেতে পারে৷ তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক তথ্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকেরাই বাচ্চাদের সঙ্গে ফেসবুকের মতো সাইটের পরিচয় করান৷

অ্যাসোচেমের মহাসচিব ডি.এস.রাওয়াত জানিয়েছেন, ছোটবেলায় এই ধরনের সাইট ব্যবহার করার ফলে তাদের সামনে এমন জিনিসও আসতে পারে যা তাদের বোঝার ক্ষমতা নেই৷ সমীক্ষা অনুযায়ী ১৩ বছরের ২৫ শতাংশ, ১১ বছরের ২২ শতাংশ, ১০ বছরের ১৫ শতাংশ ও আট-নয় বছরের প্রায় ১১ শতাংশ শিশু নেটওয়ার্কিং সাইটে সক্রিয়।

গবেষনা অনুযায়ী বাচ্চাদের অভিবাবকেরা স্বীকার করেছেন যে এই ধরনের নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করার জন্য ন্যুনতম বয়স ঠিক করা উচিত৷ আবার তারা এমনও মনে করেন যে, এই সাইটগুলি স্কুলের বিভিন্ন গতিবিধির মতোই বাচ্চাদের কাজে লাগে। এই সমীক্ষায় অভিভাবকদের সঙ্গে সরকারকেও সচেতন হওয়ার কথা বলা হয়েছে৷শিশুদের জন্য আলাদা ভাবে ভাববে ফেসবুক এবং আমরা যারা ব্যবহার করছি। এমনটাই যানালেন অভিবাবকেরা।

Comment

comments

Comments are closed.