গ্রাফিক ডিজাইন দিক নির্দেশনা

0

গ্রাফিক ডিজাইন কি এ ব্যপারে আপনার যদি কিছুটা ধারণা হয়ে থাকে, তাহলে আপনাকে যা করে এগুতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করছি।

গ্রাফিক ডিজাইন এর মূল বিষয় গুলো আরো ভাল ভাবে জানতে হবে। হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে ২ থেকে ৪ বছর বিভিন্ন কোর্স করে থাকে। আমরা এখানে তা শেখাতে পারবো না। তবে আপনি যদি বাসায় যথেস্ঠ চর্চা করেন এবং আমাদের সাথে থাকেন তাহলে ওই কোর্স এর কাছাকাছি যেতে পারবেন বলে আশা করছি।

১। শিল্প ভাবনা থাকতে হবে গ্রাফিক ডিজাইন এর জন্য । আপনাকে প্রতিটা রং আলাদা আলাদাভাবে চিনতে হবে এবং কোথায় কোন রংটা ব্যবহার করা যাবে সেটা বুঝতে হবে। লাইন প্রথমেই চিনতে হবে, আঁকাবাঁকা লাইনের মাঝে সৌন্দর্য্য খুজে বের করতে হবে এবং সেগুলো ব্যবহার করতে হবে,তাই পেন্সিল নিয়ে যা পারেন তাই আঁকতে শুরু করুন। তারপর একটু রং এর ব্যবহার করে দেখুন। এতে আপনার ভাবনার জায়গাটা বড় হবে যেটা সফটওয়্যার দিয়ে সম্ভব না। আমরা এ বিষয় নিয়েও ব্যাপক আকারে আলোচনা করবো, তবে সেটা আরো পরে।

২। গ্রাফিক ডিজাইন এর উপাদান হচ্ছে কম্পোজিশন, ব্রাশস্ট্রোক, রং, নকশা। আমরা কথা বলছি লাইন, আকার, রং, জমিন, এবং ভর বিষয়ে। আপনি যাই ডিজাইন করেন সব কিছুতেই এই উপাদানগুলো থাকবে এবং আপনি যে উপাদানগুলো ব্যবহার করেছেন সেগুলোর উপরই আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ভর করে। তবে শিল্পের খোঁজে এর ব্যতিক্রম হতেও পারে।

৩। গ্রাফিক ডিজাইন এর নীতি সুপারিশ করে কিভাবে একজন ডিজাইনার বিভিন্ন উপাদান দ্বারা সামগ্রিক নকশা এবং একে অপরের সাথে সংযোগ করে একটি পৃষ্ঠা বিন্যাস করতে পারে। এটা হচ্ছে কিভাবে আপনি আপনার টেক্সট লাইন আপ করবেন, আপনি মার্জিন এর জন্য কতটা স্থান ছেড়ে দিবেন, আপনি কি কি অন্তর্ভুক্ত করবেন, আপনি কি ছেড়ে দিবেন এবং আপনি এগুলো পৃষ্ঠায় কিভাবে বিন্যাস করবেন। আপনার মনমতো একটি পাতা সাজিয়ে নিন, এটাকে চমত্কার রং, ফন্ট ব্যবহার করে আরো সুন্দর করুন। তবে খুব ভাল করতে গিয়ে আবার অতিরিক্ত কিছু করে ফেলবেন না। হিজিবিজি সব সময় সবার ভাল লাগে না।
একটি বিন্যাসে কাজ করতে হলে সব অংশের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা সে বিষয়ও আলাপ করবো। আগে এগুলো মানিয়ে নিন

https://www.youtube.com/watch?v=XxHAiReY7ow

 

 

Comment

comments

Comments are closed.