DOS ( ডস )

0

ডস (Disk Operating System) সর্বপ্রথম ব্যবহার করে IBM কম্পিউটার। এটি IMB কম্পিউটার কর্তৃক ব্যবহৃত প্রথম অপারেটিং সিস্টেম। ডস দুই ধরনের হয়ে থাকে একটি হল PC-DOS আরেকটি MS-DOS।

ডস এ DOS কমান্ড লাইন অথবা টেক্সট বেইসড ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়। যার মানে হল ইউজারকে কিছু সহজ টেক্সট নির্দেশনা টাইপ করতে হয় যেমন pwd (print working directory), cd (change directory)। এই ধরনের নির্দেশনার মাধ্যমে ইউজার তার হার্ড ড্রাইভের ফাইলগুলো ব্রাউজ করতে পারবে, ওপেন করতে পারবে এবং বিভিন্ন প্রোগাম রান করতে পারবে।

ডসের কমান্ড নির্দেশনা গুলো সহজ হয়ে থাকে যেন ইউজার তা খুব সহজেই মনে রাখতে পারে। কিন্তু ইউজারকে ডস ভাল ভাবে চালাতে হলে বেশ কিছু কমান্ড নির্দেশনা খুব ভাল ভাবে জানতে হত। এই কারনে ডস ব্যবহার করা কঠিন হয়ে ওঠে।এই জন্যই পরবর্তিতে মাইক্রোসফট গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করছে।আর যার কারনে আপনি এখন মাউসে ক্লিক করে এই সাইটের প্রচ্ছদটি পড়ছে।আপনাকে এখন ফাইল ব্রাউস করতে কিংবা কম্পিউটার চালাতে কমান্ড লিখতে হয় না।

উইন্ডোজের প্রথম ভার্সন উইন্ডস ৯৫ ডস নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম ছিল কিন্তু পরবর্তিতে ইউজারের সুবিধার কথা চিন্তা করে ডস নির্ভর প্রযুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে উইন্ডোজ। এবং পরের ভার্সন গুলো যেমন উইন্ডোজ ২০০০ এবং এক্সপি ইত্যাদি ডস নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম নয়।কিন্তু উইন্ডোজ গুলোতে এখনও ডস সংযুক্ত রয়েছে। আপনাকে এর জন্য উইন্ডোজের রান এ গিয়ে আপনাকে cmd লিখে রান করতে হবে।

Dos মানেই হাজারো কমান্ডের কাজ। যার কারণে নতুন ইউজারদের কাছে এটা ব্যবহার যথেষ্ঠ কঠিন ছিল। যখন operating System গ্রাফিক ভিত্তিক হল, তখন বারলো এর জনপ্রিয়তা। আমরা এখন run এ গিয়ে cmd লিখে এন্টার দিলে ডস কমান্ডপ্রম্পট দেখতে পারি। মাঝে মাঝে কাজে লাগতে পারে এক সময়কার জনপ্রিয় এই DOS

Comment

comments

Comments are closed.