ব্লুটুথ কি ?

0

আপনি যখন কম্পিউটার, সাউন্ড সিস্টেম অথবা টেলিফোন ব্যবহার করেন তখন ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রত্যেকটি ডিভাইসই একে অপরের সাথে ক্যাবল, রেডিও সিগন্যাল, ইনফ্রারেড, কানেকটর, প্লাগ ইত্যাদি দ্বারা একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে কানেক্ট করতে হয়। প্রত্যেকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে কানেক্ট করার বিভিন্ন উপায় আছে। যেমন: কম্পোনেন্ট ক্যাবল, ইলেকট্রিক তার, ইথারনেট ক্যাবল, ওয়াইফাই, ইনফ্রারেড সিগনাল।

বর্তমানে একটি ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটা ট্রান্সফার সহজ থেকে সহজতর হয়ে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে অন্যতম ‘ব্লুটুথ’ নামক কানেকটিং ডিভাইসটি। ‘ ব্লুটুথ ’ ডিভাইসটির সংযোগ প্রক্রিয়া তারহীন এবং স্বয়ংক্রিয় । ডিভাইসটিতে অনেক মজাদার ফিচার আছে যা আমাদের দৈনন্দিন কাজের প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করে দেয়।

ব্লু-টুথ না থাকলে কি কি সমস্যা হতে পারে?
দুটি ডিভাইসের সংযোগ স্থাপনের জন্য কোন না কোন মাধ্যম লাগবে। কিভাবে তারা সংযোগ স্থাপন করবে, ফিসিক্যালি ক্যাবলের দ্বারা নাকি ওয়্যারলেসের মাধ্যমে। যদি ক্যাবল ব্যবহার করা হয়, তবে বিভিন্ন ধরনের ক্যাবলের প্রয়োজন হতে পারে যা সংখ্যায় ১,২,৮,২৫ হতে পারে যা ওই ক্যাবলের ফিজিক্যাল গড়নের ওপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমান তথ্য পাঠানো যাবে? উদাহরণস্বরূপ, সিরিয়াল পোর্টে একবারে ১ বাইট ডাটা পাঠানো যায়। অন্যদিকে, প্যারালাল পোর্টে একবার ১বিটের অধিক ডাটা আদান-প্রদান করা যায়। ব্লুটুথ হল সমস্যা সমাধানের একটি উপায় মাত্র।

Comment

comments

Comments are closed.