বাফারিং

0

সাময়িক ভাবে ডাটা সংরক্ষনের জন্য মেমরির একটা অঞ্চল ব্যবহার করা হয় তাকে বাফার বলে।ডিস্ক থেকে ডাটারিড এবং রাইট করার প্রক্রিয়া সাধারণত ধীরগতিতে হয়ে থাকে। তাই প্রথমে অনেক প্রোগ্রাম ফাইলের পরিবর্তন বাফারে সংরক্ষণ করে থাকে, অতঃপর বাফারের সংরক্ষণকৃত ডাটাডিস্কে প্রেরণ করা হয়।এক কথায় ডাটা একস্থান থেকে অন্যস্থানে নেয়ার সময় বাফার কাজ করে। যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেস এর কোন ফাইলের ডাটা পরিবর্তন করা হলে পরিবর্তন টুকু সেভ করার পূর্ব পর্যন্ত বাফারিং হয়ে সাময়িক সময়ের জন্য সংরক্ষিত হয়। যখন ফাইল সেভ করার কমান্ড প্রয়োগ করা হয় তখন বাফারের ডাটা ডিস্কে প্রেরণহয়। প্রতিবার ফাইলের ডাটা পরিবর্তন করে ডিস্কে রাইট করার চেয়ে বাফারিং প্রক্রিয়া অনেক বেশী কার্যকর।

এছাড়া ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার ক্ষেত্রেও বাফারিং হয়।প্রিন্টিয়ের সময় বাফারিং করার কারনে কম্পিউটারে প্রিন্ট হওয়ার সাথে সাথে অন্যকাজও স্বাভাবিক ভাবে করা যায়। যখন আপনি প্রিন্ট কমান্ড দিবেন তখন অপারেটিং সিস্টেম প্রিন্টের জন্য ডকুমেন্ট বাফারে কপি করে, তারপর প্রিন্টার ডকুমেন্ট অনুসারে প্রিন্ট করতে থাকে।বাফার শব্দটি সিডি/ডিভিডি বার্ণের ক্ষেত্রে বেশী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সিডি/ডিভিডি’তে ডাটা বার্ণের পূর্বে বাফারে সংরক্ষিত হয়ে থাকে। অতঃপর সিডি/ডিভিডি’তে সেই ডাটা রাইটহয়।

অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং করা হয়ে থাকে।যেমন- যখন আমরা ইউটিউব অথবা ফেইসবুকে অথবা অন্যকোন ওয়েব সাইটের ভিডিও দেখি, পুরো ভিডিও ডাউনলোড করার আগে যতটুকু ডাউনলোড হয়েছে তা সহজেই দেখতে পাই। বাফারিং প্রক্রিয়ার কারনেই এটা সম্ভব হয়েছে।বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেম ইডিক্স হতে রিড করা ডাটা বাফারিং করে থাকে। যাতে খুব সহজেই পরবর্তী কোন কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়।

Comment

comments

Comments are closed.