কম্পিউটার প্রযুক্তি

ইন্টারনেট মহাযজ্ঞ ( নিয়ম- কানুন )

ইন্টারনেট নিয়ম কানুন:
এই অংশের প্রথমেই নিয়মকানুন স্তর বা Protocol stack সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে। এখানে বলা যেতে পারে অনেক ধরনের নিয়মকানুন ইন্টারনেট এর জন্য ব্যাবহৃত হয়। এটাও সত্য যে, ইন্টারনেট সঠিকভাবে কাজ করার জন্য অনেক কমিউনিকেশন প্রটোকল দরকার। এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে TCP and IP প্রটোকল, রাউটিং, মিডিয়াম একসেস কন্ট্রোল অ্যাপ্লিকেশন লেভেল প্রটোকল ইত্যাদি। নিচে ইন্টারনেটের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও সচরাচর ব্যবহৃত কিছু নিয়মকানুন বা প্রটোকল সম্পর্কে বর্ণনা করা হল। এখানে প্রথমে উপরের সারির প্রটোকল ও পর্যায়ক্রমে নিচুসারির প্রটোকল সম্পর্কে বলা হল।

অ্যাপ্লিকেশন প্রটোকল: HTTP এবং WWW (World wide web):-
World wide web(WWW) হল ইন্টারনেট সেবা সমূহের মধ্যে একটি বহূল ব্যাবহৃত সেবা। অ্যাপ্লিকেশন প্রটোকল ওয়েভ এর কাজকে Hypertext transfer protocol বা HTTP হিসেবে তৈরি করে্। HTTP কে বিভ্রান্ত হয়ে HTML (Hypertext markup language) এর সাথে মিলিয়ে ফেললে চলবে না। HTML হল ওয়েবপেজ তৈরি করার একটি ভাষা। আর HTTP হল একটি প্রটোকল যা ব্যাবহার করে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভার একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন লেভেল প্রটোকল কারণ এটি প্রটোকল স্ট্যাক (Stack) বাস্তরে TCP লেয়ার এর উপরে অবস্থিত এবং এটি কিছু নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যাবহৃত হয় যাতে করে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এখানে অ্যাপ্লিকেশন গুলো হল ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভার। HTTP হল সংযোগ বিহীন লিখিত প্রটোকল। ব্যাবহারকারী (Clients) বা ওয়েবব্রাইজার ওয়েবসার্ভারের কাছে অনুরোধ পাঠায় যাতে ওয়েবপেজ এর তথ্য ও ছবি দেখতে পারে। সার্ভারে অনুরোধটি গৃহীত হবার পর ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ব্যাবহারকারী (Clients) এবং সার্ভারের মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রত্যেক নতুন সংযোগের জন্য প্রতিবার অনুরোধ পাঠাতে হয়। বেশিরভাগ প্রটোকল ইসংযোগ নির্ভর। অর্থাৎ দুটি কম্পিউটার তাদের নিজেদের সাথে যোগাযোগ চলমান রাখে ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
যখন আপনি আপনার ওয়েব ব্রাউজারে কোন URL টাইপ করেন বা লিখেন তখন জানুন কি হয় –
১. যখন URL কোন ডোমেইন নেম ধারণ করে তখন ব্রাউজার প্রথমে ডোমেইননেম সার্ভারের সাথে হয় এবং নির্দিষ্ট IP এর মাধ্যমে ওয়েব সার্ভারে প্রবেশ করে্।

২. ওয়েব ব্রাউজার ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয় এবং কাঙ্খিত ওয়েবপেজ এর জন্য একটি HTTP অনুরোধ(Request) পাঠায় যা প্রটোকল স্তর হয়ে যায়।

৩. ওয়েব সার্ভার অনুরোধ গ্রহন করে এবং কাঙ্খিত পেজের খোজ করে। যদি ঐ পেজ থাকে তবে ওয়েব সার্ভার তা পাঠায়। যদি সার্ভার অনুরোধকৃত পেজটি খুজে না পায় তবে ওয়েবসার্ভার একটি HTTP 404 error message পাঠায়।‘404’- মানে ‘পেজ পাওয়া যায় নি (Page not found)’।

৪. ওয়েব ব্রাউজার ফিরতি পেজ গ্রহন করে এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।

৫. ব্রাউজার পরে আবার ঐ পেজের মধ্য দিয়ে কাঙ্খিত পেজ বা তথ্য ও উপাদান খুজতে থাকে যেন ছবিসহ অন্যান্য তথ্য বিদ্যমান থাকে।

৬. যদি সব উপাদানই প্রয়োজন হয় তবে ব্রাউজার একটি আলাদা সংযোগ স্থাপন করে এবং HTTP সার্ভারের কাছে প্রতিটি উপাদানের জন্য অনুরোধ করে।

৭. যখন ব্রাউজারের সকল তথ্য, ছবি, ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান সম্পূর্ণ রূপে চলে আসে তখন ঐ পেজটি ব্রাউজারে স্থির হয়ে যায়।
বেশির ভাগ ইন্টারনেট প্রটোকলগুলো নির্দেশিত হয় ইন্টারনেট ডকুমেন্টস বা সর্বজনীন পরিচিত রিকোয়েস্ট ফর কমেন্টস বা RFCs নামে। RFc-কে ইন্টারনেট এর অনেক জায়গায় খুজে পাওয়া যেতে পারে। HTTP ভার্সন ১.০ RFc ১৯৪৫ দ্বারা নির্দেশিত।

অ্যাপ্লিকেশন প্রটোকল: SMTP এবং ইলেকট্রনিক মেইল:-
আরেক টি সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত ইন্টারনেট সেবা হল ইলেকট্রনিক মেইল। যাকে সংক্ষেপে E-mail বলা হয়। ই-মেইল যে অ্যাপ্লিকেশন লেভেল প্রটোকল ব্যবহার করে তা হল সিম্পল মেইল ট্রান্সফার প্রটোকল (Simple mail transfer protocol) বা SMTP। SMTP একটি লেখার বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ প্রটোকল। কিন্তু HTTP এর মত না। SMTP হল সংযোগ সম্পর্কিত। SMTP HTTP এর চাইতেও জটিল। HTTpএর চাইতেই বেশি কমান্ড ও মেনে নেয়ার বিষয় রয়েছে SMTP তে। যখন আপনি আপনার ইমেইল পড়ার জন্য মেইল ক্লায়েন্ট হিসেবে খুলেন তখন সাধারণ ভাবে যা হয়:

১. যখন কোন মেইল গ্রাহক নির্দিষ্ট মেইল সার্ভারের সংযোগ (Netscape mail, Lotus notes, Microsoft outlook, Yahoo, gmail etc.)। যখন কোন মেইল গ্রাহক সংযোগস্থাপন করে তখন সাধারণ ভাবে ইমেইল সার্ভারের IP বাডো মেইন নেম সংযুক্ত হয়।

২. মেইল সার্ভার সব সময় প্রথমে মেসেজ পাঠায় তার নিজের পরিচয়ের জন্য।

৩. ক্লায়েন্ট SMTP, ‘Hello’ কমান্ড পাঠালে তা সার্ভারে ‘250 OK’ মেসেজ দ্বারা প্রতিক্রিয়া দেখায়।

৪. যখন ক্লায়েন্ট মেইল খোঁজ করে, মেইল পাঠায় ইত্যাদি যথাযথ SMTP কমান্ড সার্ভারে পাঠায় যা ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়া জানায়।

৫. অনুরোধ বা প্রতিক্রিয়া আদান প্রদান ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত ক্লায়েন্ট SMTP ‘QUIT’ কমান্ড না পাঠায়। সার্ভার তখন বলে GOODBYE এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। SMTP ক্লায়েন্ট এবং SMTP সার্ভার এর মধ্যে সাধারণ কথোপকথন যা নিচে দেখানো হল। যেখানে-
R: সার্ভার গ্রাহকের পাঠানো মেসেজ বুঝায় এবং
S: ক্লায়েন্ট এর পাঠানো মেসেজ বুঝায়।
This SMTP example shows mail sent by Smith at host USC-ISIF, to
Jones, Green, and Brown at host BBN-UNIX. Here we assume that
host USC-ISIF contacts host BBN-UNIX directly. The mail is
accepted for Jones and Brown. Green does not have a mailbox at
host BBN-UNIX.
————————————————————-
R: 220 BBN-UNIX.ARPA Simple Mail Transfer Service Ready
S: HELO USC-ISIF.ARPA
R: 250 BBN-UNIX.ARPA
S: MAIL FROM:<[email protected]>
R: 250 OK
S: RCPT TO:<[email protected]>
R: 250 OK
S: RCPT TO:<[email protected]>
R: 550 No such user here
S: RCPT TO:<[email protected]>
R: 250 OK
S: DATA
R: 354 Start mail input; end with .
S: Blah blahblah…
S: …etc. etc. etc.
S: .
R: 250 OK
S: QUIT
R: 221 BBN-UNIX.ARPA Service closing transmission channel
SMTP এর এই কথোপকথন নেয়া হয়েছে RFC821 থেকে যা SMTP কে বর্ণনা করে।

ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল: প্রটোকল স্ট্যাক এ অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের নিচের লেয়ার হল TCP লেয়ার। যখন অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কোন কম্পিউটার এর সাথে সংযোগ স্থাপন করে তখন মেসজ সারির নিচের দিকের TCP স্তরে প্রেরণ করে(যা একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রটোকল ব্যবহার করে করা হয়)। TCP অ্যাপ্লিকেশন এর সঠিক অ্যাপ্লিকেশন নির্দিষ্ট পথে গন্তব্য কম্পিউটার এ পৌছে দেয়ার জন্য সব দায় দায়িত্ব পালন করে। এটাকে সম্পন্ন করতে পোর্ট নাম্বার ব্যবহার করা হয়। পোর্টকে প্র্রত্যেক কম্পিউটারের বিভক্তকারী সীমা হিসেবেও মনে করা যায়।উদাহরন স্বরুপ, আপনি যখন ইমেইল দেখেন একই সময়ে আপনি ওয়েভ এ অনুসন্ধান ও অন্যান্য কাজও করতে পারেন।এর কারণ দুটি অ্যাপ্লিকেশনই (ওয়েভ ব্রাউজার ও মেইল ক্লায়েন্ট) দুটি ভিন্ন পোর্ট নাম্বার ব্যবহার করে। যখন কোন একটি প্যাকেট একটি কম্পিউটারে এসে পৌছে এবং একে প্রটোকল স্ট্যাটাস পর্যন্ত নিয়ে আসা হয় তখন TCP স্তর সিদ্ধান্ত নেয় কোন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহন করা হবে এর পোর্ট নম্বর অনুযায়ী।

TCP যেভাবে কাজ করে: যখন TCP লেয়ার উপরের অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রটোকলে প্রাপ্ত ডাটা গ্রহন করে, তখন এটি এর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সারিবদ্ধভাবে সাজায় এবং প্রত্যেক সারিতে নির্দিষ্ট TCP তথ্য যুক্ত TCP হেডার যুক্ত করে দেয়। এই হেডার এর মধ্যে অ্যাপ্লিকেশন পোর্ট নাম্বার এবং ডাটাকে যেখানে পাঠাতে হবে তার তথ্য থাকে।

যখন TCP স্তর নিচের IP লেয়ার থেকে কোন প্যাকেট গ্রহন করে তারপর প্যাকেটের মধ্যস্থ TCP হেডার ডাটাকে TCP লেয়ার দাগাঙ্কিত করে দেয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটার পুর্নগঠন করে দেয়। তারপর ডাটাকে সঠিক অ্যাপ্লিকেশন ও পোর্ট নাম্বার অনুযায়ী নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হয়। এটা হল TCP কিভাবে ডাটাকে বিভিন্ন পথে প্রটোকল স্ট্যাক এর মধ্য দিয়ে সঠিক অ্যাপ্লিকেশনে পাঠায়। TCP কোনো লিখিত প্রটোকল নয়। এটি হল একটি সংযোগ সম্পর্কিত, বিশ্বস্ত, বাইট (১ বাইট= ৮ বিট) সমৃদ্ধ কাজ। সংযোগ সম্পর্কিত মানে হল যখন TCP দুটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে তখন অবশ্যই যেন ডাটা আদান প্রদান করার পূর্বে প্রথমেই সংযোগ স্থাপন করতে হবে। TCP বিশ্বস্ত কারণ প্রত্যেক গ্রহনকৃত প্যাকেট একটি নিশ্চিত করণ যন্ত্রের মাধ্যমে প্রেরককে তার কাজ গন্তব্যস্থ হওয়ার খবর নিশ্চিত করে। TCP এর সামনে একটি চেকসাম(Checksum) যুক্ত করে যাতে গ্রহনকৃত ডাটার ভুল খোজ করতে পারে। TCP হেডার দেখতে নিচের চিত্রের মত।

Mohajoggo 7.1

লক্ষ্য করলে দেখা যাবে এই TCP হেডারে IP এর জন্য কোন জায়গা নেই। এর কারণ হল TCP IP অ্যাড্রেস সম্পর্কে কিছুই জানেনা। TCP এর কাজ হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন লেভেল ডাটা নেয়া এবং অ্যাপ্লিকেশন থেকে অ্যাপ্লিকেশনে পৌছে দেয়া। এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা আদান প্রদান করা IP এরকাজ।
আমাদের জানা কিছু ইন্টারনেট পোর্ট নাম্বার:নিচে কিছু বহুল ব্যবহৃত এবং পরিচিত পোর্ট নাম্বার দেয়া হল-

Mohajoggo 7.4

 

ইন্টারনেট প্রটোকল: TCP ছাড়া IP অবিশ্বাস্যভাবে সংযোগহীন একটি প্রটোকল। কোন প্যাকেট তার গন্তব্যে গেল কিনা তার কিছুই IP খেয়াল করেনা। এছাড়া IP’রকাজ হল কোনো প্যাকেট কে অন্য কম্পিউটারে পৌছানো এবং রাস্তা চেনানো। TCP এর কাজ হল কোন প্যাকেট পৌছালো কিনা এবং তা সঠিক নিয়ম মেনে এসেছে কিনা তা নিশ্চিত করা। TCP এর সাথে IP এর একটি অতি মিল হল যে এটি ডাটা গ্রহন করে এবং TCP ডাটার সাথে নিজস্ব IP হেডার তথ্য যুক্ত করে দেয়। IP হেডার দেখতে নিচের মত

Mohajoggo 7.2

উপরের চিত্রে আমরা IP হেডার এর মাধ্যমে কিভাবে IP অ্যাড্রেসগুলো প্রেরক কম্পিউটার ও গ্রাহক কম্পিউটারে কাজ করে। নিচে অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার TCP লেয়ার এবং IP লেয়ার এর মধ্য দিয়ে প্যাকেট যাওয়ার সময় কেমন দেখায় তা দেথানো হল। অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার ডাটা TCP লেয়ারে খন্ডিত হয় যেখানে TCP হেডার যুক্ত হয়। প্যাকেট IP লেয়ার এর দিকে যেতে থাকে, IP হেডার যুক্ত হয় এবং তারপর ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে প্যাকেট পাঠানো হয়।

Mohajoggo 7.3

ফিরে দেখা: এখন আপনি জানলেন কিভাবে ইন্টারনেট কাজ করে। কিন্তু এটি কতক্ষণ এভাবে কাজ করে? বর্তমানে আইপি এর যে ভার্সন ব্যবহৃত হ্চ্ছে তা হল ভার্সন ফোর(IPV4) । যা শুধুমাত্র 2^32 পর্যন্ত IP অ্যাড্রেস সমর্থন করে অথবা কাজ করতে পারে। এমনকি এখানে কোন মুক্ত IP অ্যাড্রেস ও খালি থাকেনা। আশ্চর্য হচ্ছেন? না দুশ্চিন্তা করবেন না। এখন IP ভার্সন ৬(IPV6) ও ব্যবহৃত হচ্ছে যা Consortium of Research institution and corporation দ্বারা পরিচিত। ইন্টারনেট আমাদের কাছে অনেক লম্বা পথ ধরে এসেছে যখন থেকে এটি Defense Department research প্রজেক্ট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। কেউ আসলে জানেনা বর্তমানে ইন্টারনেট কিসে পরিচিত হয়েছে। ইন্টারনেটের মত অন্য কিছুতে গোটা বিশ্বকে এতটা একত্রিত ও সংযুক্ত করতে পারেনি। আজকের এই তথ্য সমুদ্রের যুগে এটি সম্পূর্ণ ভাবে আমাদেরকে এর উপর নির্ভরশীল করে তুলেছে ।

আমার এই লেখাটি কোন গল্প নয়। এটি একটি টেকনিক্যাল বিষয়, আরো অনেক কিছুই লেখা বাকি রয়ে গেল। আর আমার মনে হয় ইন্টারনেট নিয়ে লিখে ষেশ করাও সম্ভব নয়। এ লেখায় শাব্দিক বা অর্থগত কোন অনইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য একান্ত দু:খ প্রকাশ করছি এবং আপনাদের সাহায্য কামনা করছি যাতে লেখাটিকে সম্পূর্ণ ও পরিপূর্ন পরিপাটি  করা যায়। সকল পাঠককে আমার ও clickntech.com এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতগ্গতা জানাচ্ছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

Comment

comments

What's your reaction?

Excited
0
Happy
0
In Love
0
Not Sure
0
Silly
0

Comments are closed.

Next Article:

0 %