ফটোগ্রাফী কম্পোজিশন টেকনিক

শুধু ভালো ক্যামেরা থাকলেই ভলো ছবি তোলা যাবে না, ভলো ছবি তুলতে হলে আপনাকে জানতে হবে কিছু টেকনোলজি এবং কিছু টেকনিক। ফটোগ্রাফী কম্পোজিশন হচ্ছে এতোটাই সহজ একটা বিষয় যেটা ফটোগ্রাফার এবং দর্শক দুজনেই বেশ ভালো ভাবে বোঝেন। কারন একজন ফটোগ্রাফার যেটা ছবির মাধ্যমে বোঝাতে চায় কম্পোজিশনের মাধ্যমে দর্শকও সেটা বুঝে ফেলছেন। তাই নতুন ফটোগ্রাফার হিসেবে কম্পোজিশন বোঝা ভিশন জরুরী সে আপনি DSLR/Mobile Camera যেটা দিয়েই ছবি তোলেন।

আপনার হাতের মোবাইল বা সস্তা কোন ক্যামেরা অথবা দামি ক্যামেরা যাই হোক, কম্পোজিশন সহ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনার ছবি হবে অনেক ভালো। তাই কম্পোজিশন বিষয়টি আপনাদের সামনে তুলে ধরছি এই ভিডিওটি দিয়ে

ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।  আমাদের কমেন্ট করুন , লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং আগামি ভিডিওতে আমাদের সাথে থাকতে অবস্যই সাবস্ক্রাইব করুন এখনি।  ভালো থাকুন, সৃষ্টিশীল থাকুন আর নিজের মনমত পেশায় নিজেকে গড়ে তুলুন।

 

যে কেউ বানাতে পারবেন ভিডিও !!! একদম প্রফেশনাল

আমাদের এই ফ্রী কোর্সটিতে থাকছে ভিডিও গ্রামার, সিকোয়েন্স, শ্যুটিং টেকনিক, লাইট নিয়ে আলোচনা, ক্যামেরা ও কম্পোজিশন, এডিটিং সফটওয়্যার, সস্তা ইকুইপমেন্ট নিয়ে কাজ করার টেকনিক, পেশাদারদের আইডিয়া এবং অভিজ্ঞতা শেয়ারিং ইত্যাদি । তবে আপনাকে আমাদের সাথে থাকতে হবে এবং প্রচুর অনুশীলন করতে হবে। তাহলে এখুনি শুরু করে দিন

ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।  আমাদের কমেন্ট করুন , লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং আগামি ভিডিওতে আমাদের সাথে থাকতে অবস্যই সাবস্ক্রাইব করুন এখনি।  ভালো থাকুন, সৃষ্টিশীল থাকুন আর নিজের মনমত পেশায় নিজেকে গড়ে তুলুন।

ফটোগ্রাফি । আয় এবং ভবিষ্যৎ । ক্যারিয়ার সাজেশন

স্বাগতম ক্লিকএনটেক.কম এর ক্যারিয়ার সাজেশনে। আমরা মুলত ক্যারিয়ার সাজেশনে আলোচনা করবো মূল ধারার বাইরে বিভিন্ন ধরনের পেশা নিয়ে, এতে আপনি চাইলেই পছন্দ করে নিতে পারবে আপনার পছন্দের পেশা।  আমরা চাইনা আপনি ভুল কাজ শিখে সময় নষ্ট করুন, আপনি যে কাজের জন্য তৈরী সেটাই বেছে নিন।  কাজ হতে হবে মনের মত কি বলেন ?  চলুন ফটোগ্রাফির সর্ম্পকে জানি।  কি করতে হবে এই ফটোগ্রাফি শিখতে হলে ? কেমন আয় ? এবং ভবিষ্যৎ কি ফটোগ্রাফির।

যোগ্যতা:  এ পেশায় ধৈর্য্য আবশ্যক, কম্পিউটারে দক্ষতা জরুরি সেই সঙ্গে একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা
সুবিধা: কাজ করতে পারবেন ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া এবং বিস্তর ফটো এজেন্সিতে এছাড়া আউটসোর্সিং তো আছেই
আয়: ২০-৩০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু হলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তা লাখের ঘর ছাড়িয়ে যায়।
সাজেশন:  আপনার কাজ এবং দক্ষতার ওপর যদি আপনার আস্থা থাকে তাহলে এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে সফলতাও ছিনিয়ে আনতে পারেন।  এবার চলুন বিস্তারিত জেনে নেই

আপনারা জানেন মূলধারার পড়ালেখার বাইরে কারিগরী,প্রযুক্তি ও শিল্প নিয়ে কাজ করছে ক্লিকএন্ডটেক.কম । তাই পরিস্কার ভাবেই বলতে চাই “দলছুট নয়,দলেই থাকুন। ক্লিকএন্ডটেক.কমের সাথেই থাকুন”।

clickNtech.com এ সাবস্ক্রাইব করুন এবং আমাদের প্লাটফর্মটি সর্ম্পকে জানুন।

ইউটিউব চ্যানেলটি দেখতে ক্লিক করুন https://www.youtube.com/channel/UCs4GfhSGFHCfE4EVrLq3QYg

ফেসকুবে সাথে থাকতে লাইক দিন https://www.facebook.com/clickntech/

 

 

লাইট পেইন্টিং কিভাবে করা হয় ?

আমরা অনেক সময় দেখি প্লেন উড়ে যাচ্ছে, লাইট দেখা যাচ্ছে কিন্তু প্লেনটি দেখা যাচ্ছে না। আবার কিছু কিছু ছবিতে দেখি রাস্তায় বিভিন্ন দিকে লাইট ছোটাছুটি করছে কিন্তু লাইটের উৎপত্তি স্থান গাড়িগুলি দেখা যাচ্ছে না। আসলে কিভাবে এই ছবিগুলি তৈরী করা হয়? এতে বিশেষ কোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় কিনা, নাকি টেকনিক? দেখতে ভিজিট করুন…..

এরকম আরো  ভিডিও দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভাল লেগে থাকলে লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন।

Pre-producton, producton বিস্তারিত

Pre –production: Video Production তৈরীর প্রথম ধাপ হচ্ছে Pre-production. Project এর আকার কেমন হবে,বাজেট কত, কিভাবে নির্মাণ করবেন এসবের পরিকল্পনা আপনাকে Pre-production করতে হবে।যদি Script এর কাজ শেষ না হয় তাহলে এসময় তা শেষ করে ফেলা যায় । Pre-Production এ একটি storyboard তৈরী করতে হয়,তাহলে Post Production এ কাজটা অনেক সহজ হয় । এছাড়া production এ কারা কারা কাজ করবে অর্থাৎ কলাকুশলী নির্বাচন ও শুটিং এর সময় ঠিক করা থেকে শুরু করে crew, Location ,Props, dress up, getup set তৈরী ,খাবার-দাবার সবকিছু ঠিক করতে হয় ।এছাড়া আরো একটা বিষয় যেটা খুবি জরুরী তা হচ্ছে শুটিং লোকেসন অর্থাৎ আপনি কিভাবে বা কোথায় আপনার সৃষ্টিকে দর্শকের সামনে তুলে ধরবেন তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও Pre-production এর সময় .
অর্থাৎ Camera “Roll” এর আগেই Project তৈরীর প্রয়োজনীয় সবকিছু নিশ্চিত করতে হয় । আর এই নিশ্চিত করার কার্যক্রমই Pre-production.

Production:
Camera “Roll” action এর সাথে সাথে Production এর কাজটি শুরু হয়ে যায় ।অর্থাৎ Camera দিয়ে একটি দৃশ্য ধারণের মধ্য দিয়ে মূলত Production এর কাজ শুরু । Camera, lights, Scene সবকিছু ঠিক রেখে পরিচালক প্রতিটা দৃশ্য ধারণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে একটি Project শেষ করতে কয়েক সপ্তাহ বা মাস লেগে যায় । অবশ্য সেটা র্নিভর করে Project এর আকার ও ধরনের উপর। সিনেমার বেলায় সেটা বছর ও লাগতে পারে ।এসময় পরিচালকের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে প্রতিটা দৃশ্য নিখুঁতভাবে ধারণ করার ।কেননা যদি Post Production কোন shot পরিচালকের পছন্দ না হয় অর্থাৎ যদি NG shot হয় , তা পুনরায় shot করা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় । তাই ডায়লগ, ক্যামেরা ,লাইটস সহ সবকিছুর উপর দৃষ্টিরেখে প্রতিটা দৃশ্য ধারণ করতে হয় । এতে করে Post Production কাজটা অনেকবেশী গতিশীল হবে । Production সময়টা হয়ত আপনার কাছে অনেকবেশী পরিশ্রমের মনে হবে । তবে যখন Production টি প্রশংসিত হবে, আপনার প্ররিশ্রমকে অনেকবেশী সার্থক মনে হবে।

Post Production
Post Production এর ক্ষেত্রে বলা হয়, কামরায় রং এর শেষ ছোঁয়া,যা কামরাকে আরো বেশী নান্দনিক ও সুন্দর করে তোলে। তেমনি Post Production ও আপনার Project কে পরির্পূনতা এনে দিবে।
কোন না কোন কারনে অনেক র্নিমাতাই Post Production প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুটা ভীত থাকে ।কিন্তু Production যতটা কঠিন Post Production ততটা নয় ।যদি আপনি পর্যায়ক্রমে কাজগুলো শেষ করতে পারেন । এক্ষেত্রে প্রথম পর্যায় হচ্ছে Editing বা সম্পাদনা । Editing আবার দুটো পদ্ধতি আছে , যার একটি হচ্ছে Analog পদ্ধতি আরেকটি হচ্ছে Digital পদ্ধতি। Analog হচ্ছে পুরোনো পদ্ধতি। এতে film এর shot কেটে কেটে জোড়া লাগানো একত্র করা হয়। সিনেমার বেলায় এ পদ্ধতিটি বেশী কার্যকর ছিল।
দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে Digital. এটি নতুন , যাকে আমরা Electronic way বলা যায় । এ পদ্ধতিতে Tape এ ধারণ করা Footageকে VTR দিয়ে digitize বা capture করা হয়। এই digities এর মধ্য দিয়ে মূলত post production এর কাজ শুরু হয়ে যায়। তবে এখন সে সময়ও অতিত হতে চলেছে, ম্যামরি কার্ডএ কখেন ডাটা হিসেবে সংরহ্মন হচ্ছে ভিডিও। শুধু মাত্র কার্ড রিডার দিয়েই এখন VTR এর কাজ সেরে ফেলা যাচ্ছে। এখানে আপনার দরকার হবে একজন ভালমানের সম্পাদক Editor script এর ভাষানুযায়ী footage গুলোকে timeline সাজিয়ে raughcut দেয়। তারপর পরিচালকের চাহিদানুযায়ী চুরান্ত সম্পাদনার কাজটি সেরে ফেলবেন। চুরান্ত সম্পাদনার ক্ষেত্রে বেশীরভাগ সময় পরিচালক সম্পাদকের পাশে থাকেন । তবে এক্ষেত্রে সম্পাদক এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপুর্ণ। কারন একজন বুদ্ধিমান ও ক্রিয়েটিভ সম্পাদক তার নিজস্ব চিন্তা থেকে কাহিনিটিকে কে অনেকবেশী গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর করে তুলতে পারে।
সম্পাদনার পর শব্দ সম্পাদনা এক্ষেত্রে একজন সাউন্ড এডিটরকে নিয়োগ দেয়া হয় ।তবে সিনেমার বেলায় শব্দের কাজ একরকম আর নাটক বা অন্য প্রডাকশানের বেলায় সেটা ভিন্ন। ডাবিং ,সাউন্ড ইফ্যাক্টস, নয়েজ সবকিছু এসময় বেলেন্স করা হয়। সাউন্ড এর পাশাপাশি আসে মিউজিক এর কাজ ।তবে মিউজিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি যে মিউজিক ব্যবহার করছেন সেটার কপিরাইটস্ এর মালিক আপনি । তানা হলে আপনার বিরুদ্ধে আইান ববস্থ্য নেয়া হতে পারে। এছাড়া কোন বাজে কোয়ালিটির সিডি মিউজিক ব্যবহার না করাই ভাল। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি কোন মিউজিশিয়ান এর সাথে চুক্তি করা, যে সর্ম্পুন নতুন একটা মিউজিক আপনার প্রডাক্শন এর জন্য কম্পোজ করবে। তারপর অডিও মিক্সং, অডিও লেয়ার , সবকিছু এ পর্যায়ে এসে শেষ হয়। এরপর কালার ব্যালেন্স করা হয়। যদি শ্যুটিং এর সময় ক্যামেরায় কালার ঠিক রাখা যায় ,তাহলে এডিটিং প্যানেলে কালার ব্যালেন্স নিয়ে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হয়না ।
সম্পাদনা , শব্দ সম্পাদনা , কালার ব্যালেন্স পর আপনার প্রোডাকশানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায় পৌছায়। এরপর বাকী থাকে “টাইটেল এ্যানিমেশন” এর কাজটি। এটা অনেক সময় সম্পাদকি টাইটেলের কাজটি করে থাকেন ,তবে বেশীর ভাগক্ষেত্রে একজন এ্যানিমেটর কে দায়িত্ব দেয়া হয়। টাইটেল তৈরী হয়ে গেলে মাষ্টার ট্রেকে তা যুক্ত করা হয়।
এখন আপনার প্রোডাকশান তৈরী ।এবার সর্বশেষ এবং গুরুত্বর্পূণ কাজ হচ্ছে “ডিস্ট্রিবিউশান এবং ক্যাম্পেইন ইমেজ”। বলা হয় ‘একটা স্থিরছবি হাজারটা কথা বলে’। তাই আপনার ছবি বা নাটকের গভীরতাকে ক্যাম্পেইন ইমেজ এ সেই ভাবেই ফুটিয়ে তুলতে হবে। এছাড়া আছে ‘ট্রেলার বা প্রোমো. ৯০-১২০ সেকেন্ডের ট্রেলারে আপনার সিনেমার প্রতি দর্শকের একটা আগ্রহ সৃষ্টি করাতে হবে। আর নাটক বা অন্য প্রোডাকশানের বেলায় ৩০-৬০ সেকেন্ডের প্রোমোতে সে কাজটি করতে হয়। এরপর সেটাকে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে।

আশাকরি উপড়ের আলোচনা থেকে আপনারা Pre-Production, Production, Post Production সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেয়েছেন।আসলে কেউ যখন প্রথমবার কোন প্রোডাকশানে হাত দেয়,অভিজ্ঞ কারও সহযোগীতা না পেলে কাজটি করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে।তবে বেসিক জিনিস গুলো জানা থাকলে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়না ।

নিলফার ইয়াছমিন

নিলুফার ইয়াছমিন

অ্যাপার্চার কি এবং কেন ?

একটি ক্যামেরায় চারটি মৈালিক বিষয় থেকে থাকে সেটা স্টিল ক্যমেরা, মোবাইল ক্যমেরা বা ভিডিও ক্যামেরার বেলাতেও একই রকম। চারটি মৈালিক বিষয় এর মাঝে একটি অ্যাপার্চার। অ্যাপার্চার মুলত একটি দরজা । দরজাটা গোল আকার,এটাকে বড় বা ছোট করা যায়। এর মাধ্যমেই আমরা লাইট কন্ট্রোল করে থাকে যদিও আরও কয়েকটি এলিমেন্টেরও প্রয়োজন হয় লাইট কন্ট্রোল করতে। আমাদের এই ভিডিওতে পাবেন অ্যাপার্চার কেন এবং কিভাবে কাজ করে।

এরকম আরো  ভিডিও দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভাল লেগে থাকলে লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন।

ফটোগ্রাফি এর শুরুতে ভাবনা ( ভিডিও )

আমরা অনেক সময় একটি ক্যামেরা নিয়ে নেমে পড়ি ছবি তুলতে এবং ফটোগ্রাফি করতে কিন্তু কি তুলবো সেটা অনেক সময়ই আমরা জানিনা বা খুঁজে পাইনা। তাই শুধু শুধু টাকা নষ্ট সাথে সময়ও নষ্ট। অতএব ফটোগ্রাফি শুরু করার আগে বা ক্যামেরা কেনার আগে দেখে নিন আমাদের ভিডিও টিউটোরিয়াল এর প্রথম পর্ব

এরকম আরো  ভিডিও দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভিডিওটি ভাল লেগে থাকলে লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন।

Pre-production কি ?

মানুষ তার কাল্পনিক চিন্তাভাবনাকে ক্যামেরায় ধারণ করে তার একটি বাস্তবরুপদানের প্রয়াস চালায় এবং কারো প্রয়াস যখন সফল হয় তখন তা নাটক বা সিনেমা অথবা অন্যকোন রুপে দর্শকদের সামনে হাজির হয় ।আবার কোন কোন ক্ষেত্রে বাস্তব ঘটনাকে কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয় । আর এটি হচ্ছে মানুষের সৃজনশীল কাজের বহিপ্রকাশ । যে কোন কাজ করার পূর্বে সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা সে কাজকে অনেক বেশী সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য করে তোলে । আর নাটক বা সিনেমা অথবা যে কোন vitualization মত creative কোন কাজ তাহলে তো পরিকল্পনার কোন বিকল্প নেই । সুন্দর একটি পরিকল্পনা আপনার সৃষ্টিকে অনেক বেশী প্রাণবন্ত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে , যা আপনার দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটাবে । এবং আপনার কাজকে অন্য সবার কাজ থেকে ভিন্নতা এনে দেবে ।
আপনি ঠিক করলেন আপনি একটি Video Production নির্মাণ করবেন । সেটি হতে পারে নাটক, সিনেমা ,গান বা অন্য কিছু । তার জন্য আপনাকে কোন Production house এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে অথবা আপনার নিজেরেই যদি Production house থাকে তাহলে নিজেই তা produce করতে পারেন । তবে যে ভাবেই আপনি নির্মাণ করার কথা ভাবেন না কেন ,তার জন্য আপনাকে একটি পরিকল্পনা অনুযায়ী শুরু এবং শেষ করতে হবে । আর এই পরিকল্পনাকে তিনটি ধাপে আলাদা আলাদা ভাবে সাজাতে হবে এবং প্রতিটা ধাপের কাজ প্রতি ধাপেই শেষ করতে হবে । Media Production এর এই তিনটি ধাপ হচ্ছে
1.Pre-producton
2.Production
3.Post Production
এই প্রত্যেকটি ধাপ যদি আপনি সফলভাবে শেষ করতে পারেন ,তাহলে কাজটা অনেক উপভোগ্য মনে হবে এবং আপনার Confidence বাড়িয়ে দিবে বহুগুন । একটি কথা মনে রাখতে হবে যে, এই পর্যায়গুলো Production অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হবে । যেমন সিনেমার বেলায় পরিসরটা হবে অনেক বড় , আবার নাটকভেদে সেটা হবে আবার ভিন্নরকম, আর অন্যকোন Production বেলায় পরিকল্পনাটা একেবারে ভিন্ন । তবে ভাবনার জায়গায় কোন তফাৎ নেই বললেই চলে । আর ভাবনা ও জ্ঞান থাকলে আপনি যে কোন Project আপনি তৈরী করতে পারবেন।

নিলফার ইয়াছমিন

নিলুফার ইয়াছমিন