পেশা শুধু বেচে থাকার জন্য নয়, পেশা হতে হবে উপভোগ্য এবং সৃজনশীল

এখানে সেই সব বিষয় নিয়েই বেশি আলাপ হয় যা আমাদের দেশে খুব একটা প্রচলিত আলাপের বিষয় নয়, কিন্তু এদেশের বাইরে এর যথেষ্ঠ কদর রয়েছে। যেমন আমাদের দেশে চলচ্চিত্র নিয়ে তেমন কেউ ভাবে না, কিন্তু আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে রিলিজ হবার প্রথম দিনেই ৩০ কোটি টাকার রেকর্ড করে। ওটা কি শিল্প নাকি ব্যবসা ?

আবার ধরুণ তেল রং দিয়ে আঁকা একটি পেইন্টিংয়ের কদর বোঝার মানুষ এদেশে কজন রয়েছেন সেটা গ্যালারির দিকে একটু চোখ দিলেই বোঝা যায়, কিন্তু প্যারিসে ওই একই পেইন্টিং কত টাকায় বিক্রি হয় ?

আমাদের দেশে কারিগরী কাজ যারা করছেন তারা শুধুমাত্র কারিগর। আর অন্য দেশের কারিগরেরাই পথের পাঁচালি, ফেসবুক, ক্যামেরা আবার গুগল বানিয়ে ফেলছে। আমরা কোন ইতিহাস তৈারী করতে চাইনা আমরা অনেকগুলো ইতিহাস জুরেদিতে চাই সবার জন্য জন্য । ইতিহাস তৈারি করবে এ দেশের তরুনরা !!! তাই পরিস্কার ভাবেই বলতে চাই দলছুট নয় দলেই থাকুন প্রযুক্তি, শিল্প এবং কারিগরী বিষয়ের সাথেই থাকুন। সে সব বিষয় এবং প্রযুক্তি সম্প্রিক্ত বিষয় গুলো নিয়েই কাজ করছে এবং করবে clickntech.com। তাই আমাদের সাথেই থাকুন

যাদের লেখাটি পড়তে ভাল লাগছেনা তারা নিচের ভিডিওটি দেখে ফেলুন, লাইক দিন আর সটাং করে শেয়ার করে দিন।

 

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং কি ?

মার্কেটিং হচ্ছে যে কোন পণ্য অথবা সার্ভিস এর প্রচার প্রচারনা করে ওই পণ্যের ক্রেতা তৈরি করা। ঠিক এই জিনিসটিই অনলাইনে করলে সেটাকে বলা হয় “ডিজিটাল মার্কেটিং” বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে খুব দ্রুত এবং কম খরচে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার উপায়।

যখন “ডিজিটাল মার্কেটিং” ব্যাবহার করে নিজের কোন পন্য অথবা সার্ভিস বিক্রি বা প্রমোশন করলে সেটাকে বলা হয় ইন্টারনেট মার্কেটিং, আর যখন যখন “ডিজিটাল মার্কেটিং” ব্যবহার করে অন্য কারও পন্য অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করলে সেটাকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাত, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে, অন্য কারো কোন পন্য অথবা সার্ভিস কমিশনের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া অথবা লিড পাইয়ে দেওয়া। বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস আছে যারা ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল প্রডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের প্রমোশনের মাধ্যমে তাদের পণ্য বিক্রি করার সুযোগ করে দেয়। সহজ ভাবে বলা যায়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি জিনিস যার মাধ্যমে প্রথমত আপনি কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা প্রমোট করবেন। এখন কোন ক্রেতা যদি আপনার দেয়া অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে ঐ পণ্য বা সেবা কেনেন, তাহলে আপনি একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন।
আর এই কমিশন আপনার কাছে পৌছে দেবে মার্চেন্ট অর্থাৎ যার পণ্য বিক্রি করছেন তিনি ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এক এক জন এক এক ভাবে করে থাকেন। প্রডাক্ট, টার্গেট মার্কেট এবং প্রমোশন স্ট্রেটেজির উপর ভিত্তি করে একেক জনের একেক ধরন থাকে। কেউ কেউ ডিরেক্ট পণ্য প্রমোট করে আবার কেউ কেউ রিভিউ বেসড ওয়েবসাইট তৈরি করে আবার অনেকে শুধু প্রডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ তৈরি প্রমোট করে থাকে। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলেই প্রথমেই অনেক কিছু জানতে হবে। যেমন, কোন প্রডাক্ট বাছাই করবো, কেন বাছাই করবো? এই প্রডাক্ট গুলো কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে এবং  কিভাবে প্রমোট করতে হবে ইত্যাদি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে কিছু কিছু জিনিস জানতে হবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নিশ নির্বাচন, প্রোডাক্ট রিসার্স, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, কিওয়ার্ড রিসার্স, কন্টেন্ট তৈরি করা, ওয়েব সাইট তৈরির যাবতীয় ধারনা, ল্যান্ডিং পেজ বানানো, ইমেইল লিস্ট বানানো, লিংক বিল্ডিং, পেইড মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অন্যতম মার্কেট প্লেস হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, ক্লিক ব্যাংক, সিপিএ এম্পায়ার, শেয়ার এ সেল, কমিশন জাংশন ইত্যাদি।

https://www.youtube.com/watch?v=BCqemnh_5m8

ই-লার্নিং কি ? শ্রেণীকক্ষ নাকি শিক্ষার্থী ?

স্কুল বলতেই সারি সারি শ্রেণীকক্ষ, ব্ল্যাকবোর্ড এবং এক রুম ভর্তি শিক্ষার্থী  আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে প্রযুক্তির যে বিকাশ তা ছুঁয়ে গিয়েছে শিক্ষা-ব্যবস্থাকেও আর তাতে করে আমাদের এই চিরপরিচিত রূপটা পালটে গিয়েছে অনেকখানি।

ইলেকট্রনিকস প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থাকে বলা হয় ইলেকট্রনিক লার্নিং বা সংক্ষেপে ই-লার্নিং। রেডিও থেকে মোবাইল অ্যাপস পর্যন্ত সবই ই-লার্নিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। ই-লার্নিং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অনেক জনপ্রিয়। ই-লার্নিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী তার প্রয়োজন মত একই  ডিজিটাল কনটেন্ট  বা ভিডিও ক্লিপ, ইচ্ছেমতো বারবার ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে। ভিডিও কনফারেন্সিং আবিষ্কারের পরে এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে আলাদা আলাদা জায়গায় থেকেও সরাসরি কথা বলতে পারছে। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে স্মার্টফোনভিত্তিক অ্যাপস। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত আগামী এক দশক শিক্ষাক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য করবে মোবাইল অ্যাপস।

একসময় ফ্লপি ডিক্স বা সিডি দিয়েও শিক্ষা উপকরণের আদান-প্রদান হয়েছে। সেটাকেও ই-লার্নিং বলা চলে। আজকাল ইন্টারনেটের বদৌলতে ই-লার্নিং ব্যাপারটা সবার কাছেই সুপরিচিত এবং এই ইন্টারনেট ই-লার্নিং এর সবচাইতে বড় অনুষঙ্গ।

ই-লার্নিং এর সবচাইতে মজার ব্যাপারটি হলো এই যে ক্লাস করার জন্য আমাকে ক্লাসরুমে থাকতে হবেনা। ইচ্ছে হলেই বাসার বিছানায় শুয়ে দেখে নিচ্ছি গেম থিওরির বর্ননা,তাও আবার পৃথিবী-খ্যাত কোন প্রফেসরের কাছ থেকে।

শিক্ষার এই আধুনিকীকরণ শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু সত্যি বলতে কি কম্পিউটার এসে যে বিপ্লব শুরু করেছিল সেই বিপ্লবের সঠিক চিত্রটা বোঝা গিয়েছে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ছড়িয়ে পরার পর। আজকের এই ই-লার্নিং ব্যবস্থা পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে। শুধু কি তাই, এখনকার দিনে আর কম্পিউটার লাগছে না যদি হাতে একটা স্মার্ট-ফোন থাকে ইন্টারনেট কানেকশন সহ। প্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রদানটাও তুলনামূলক অনেক সহজ কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু ইউটিউবেই যে কত হাজার হাজার বিষয় শেখার ইন্টার-একটিভ ভিডিও আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। আর নতুন কোর্স বা নতুন ভিডিওর খবর জানাতে সোশ্যাল মিডিয়া, ইনস্ট্যান্ট মেসেঞ্জার – গুলো তো আছেই। কাজেই পিছিয়ে পরার প্রশ্নই ওঠে না।

ই-লার্নিং এর কোর্সগুলোর আরেকটা বড় সুবিধা হল এরা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলে । শিক্ষা বা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিদিনই নিত্য নতুন পরিবর্তন ঘটেই চলছে আর তার ছোঁয়া ঠিকই পাওয়া যায় ই-লার্নিং এ। এছাড়াও যে বিষয়ে শিখছি তার একেবারে নতুন থেকে নতুনতর বিভিন্ন দিকের ব্যাপারেও জানা যায় ই-লার্নিং এর মাধ্যমে। এ কারণে আজকাল কিন্তু বিদেশে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্যে ই-লার্নিং পন্থাই ব্যবহার করছে।

সম্পূর্ণ ফ্রি ই-লার্নিং কোর্স যেমন আছে তেমনি বাণিজ্যিক ই-লার্নিং কোর্স ও রয়েছে। আবার অনেক ই-লার্নিং কোর্স আছে শিখতে কোন খরচ লাগবে না কিন্তু সার্টিফিকেট নিতে অল্প কিছু খরচ বহন করতে হয়। যে ভাবেই হোক না কেন, এমনকি বাণিজ্যিক ই-লার্নিং কোর্সগুলোও আমাদের আর দশটা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় অনেক কম খরচের। আর এতে করে শিক্ষা, যা কিনা একটি মৌলিক অধিকার, আজ যারা অবহেলিত-বঞ্চিত তাদের সহ সকলের নিকটই সম্ভাবনার এক নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে।

বাড়ীতে বসেই শিখে নিন ( ভিডিওপিডিয়া )

নিজেই E-TIN করুন, প্রযুক্তির সাথে থাকুন

যে কোন কাজ করতে গেলেই এখন টিন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক। ব্যাংকিং কার্যক্রম থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রেই এখন E-TIN (টিন) সার্টিফিকেট লাগে। এখন সেটা করতে পারেন আনার ঘরে বসেই। দরকার হবে না কোন অতিরিক্ত টাকার। টিন সার্টিফিকেট তৈরী করা খুব সহজ,যা অনেকেই কঠিন মনে করেন। একটু চেস্টা করলেই বাচবে আপনার সময় এবং টাকা ।

আজ আমরা দেখবো কিভাবে অনলাইন এ টিন সার্টিফিকেট তৈরী করবেন:
১. প্রথমে আমরা www.incometax.gov.bd এই web page টি open করবো।
২. রেজিস্টার এ click করুন।
৩. একটি user id দিন,তারপর পরপর ২ বার পাসওয়ার্ড দিন।
৪. একটি Secret Question পছন্দ করে সেটির উত্তর দিন।
৫. Country সেলেক্ট করুন।
৬. আপনার মোবাইল নাম্বার দিন
৭. ই-মেইল এড্রেস দিন
৮. ভেরিফিকেশন কোড দিন
৯. রেজিস্টার এ ক্লিক করুন।
এবার আপনি আপনার মোবাইলে একটি ভেরিফিকেশন কোড পাবেন। এই কোডটি দিন। Activate এ ক্লিক করুন।

Tin-2
১০. For TIN Registration/Re-registration Click here এ ক্লিক করুন।

Tin-3

 

 

 

 

 

 

 

* করদাতার ধরণ :যদি আপনি বাংলাদেশী নাগরিক হয়ে থাকেন তবে Bangladeshi Resident এ ক্লিক করুন,অন্যথায় আপনার পছন্দমত Option এ ক্লিক করুন।
* ন্যাশনাল আইডি কার্ড থাকলে Individual>Bangladeshi>Major(with NID)তে ক্লিক করুন।
* রেজিস্ট্রেশন এর ধরণ এ New Registration এ ক্লিক করুন।
* আয়ের উৎস দেখিয়ে দিন।আপনি যদি চাকুরী করে থাকেন তবে Service,আর যদি ব্যবসা করে থাকেন তবে Business এ ক্লিক করুন।
* Location of main source of income এ আপনার কর্মস্থল এর Location দেখিয়ে দিন।
* Type of Employer/Service Location এ আপনার কাজের ধরণ দেখিয়ে দিন।নিচে আরো একটি ঘর আসবে সেখানে আপনার কর্মস্থলের ঠিকানা দিন।(যদি ঠিকানা চায় তবে দিবেন।)
* Next এ ক্লিক করুন।
১.  Taxpayer’s Name/ করদাতার নাম
২. Gender / লিঙ্গ
৩. Taxpayer’s National ID Number / জাতীয় পরিচিতি নম্বর
৪. Date of Birth (DoB) / জন্ম তারিখ:
৫. Father’s Name / পিতার নাম:
৬. Mother’s Name / মাতার নাম:
৭. Name of Spouse / স্বামী বা স্ত্রীর নাম:
৮. Mobile Number/ মোবাইল নম্বর:
৯. Facsimile / ফ্যাক্স :
১০. Email / ইমেইল:
১১. Current Address (For Indivisual “Present Residential Address”):
১২. Permanent Address:
১৩. Other Address (Working / Bussiness Address):
Go Next এ ক্লিক করুন। এবার আপনি রেজিস্ট্রেশনের Preview দেখতে পাবেন।কোন ভুল থাকলে ঠিক করে নিন।
এবার Submit এ ক্লিক করুন। হয়ে গেল আপনার e-tin.

কিভাবে Tax এর পেপার রেডি করবেন সেই Tips ও আমরা খুব শীঘ্রই আপনাদেরকে জানিয়ে দিবো। সাথেই থাকুন www.clickntech.com এর।

খাঁন আরাফাত মেহেদী সিনিয়র ভিডিও এডিটর

থান আরাফাত বাধন, দেশ টিভি

 

 

 

২০১৫ তে যত গেজেট

২০১৫ সালে নতুন নতুন অনেক গেজেটই বাজারে এসেছে। এসব গেজেট গুলো যেমন অত্যাধুনিক তেমনি তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
এরকমই একটি গেজেট হলো অ্যাপেলের থার্ড জেনারেশনের (3D) আইফোন। এতে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং ইমেজ স্টেব্লাইজেশন। এর মাধ্যমে যেকোনো মোশান মুহূর্তকে নষ্ট না করে খুব সহজে তাকে ক্যাপচার করা যাবে। এ বছররে অন্যতম আরেকটি আবিস্কার হলো মাইক্রোসফটের পোর্টেবল ফোল্ডিং কি বোর্ড। যেখানেই দরকার সেখানেই সহজেই এটিকে ভাঁজ করে ঘোরার পাশাপাশি যেকোনো জায়গা থেকে কম্পিউটার অপারেট করা যাবে। যারা ফটোগ্রাফী পছন্দ করেন তাদের জন্য রয়েছে সুখবর হলো এ বছর ‘লেইকা বের করেছে ২৪ মেগাপিক্সেলের প্রফেশনাল ক্যামেরা। এতে রয়েছে ১.৭ অ্যাপারচার, ২৮ মিমি লেন্স। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর আইএসও ৫০০০০ পর্যন্ত রাখা যাবে। এতে ওয়াইফাইয়ের পাশাপাশি রয়েছে টাচ স্ক্রিন। যারা মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাদের কথা মাথায় রেখে এ বছর এলজি নিয়ে এসেছে ৪কে ওলেড মডেলের টেলিভিশন। এতে মুভি দেখলে মনে হবে যেনো প্রতিটি বস্তুকে হাত দিয়ে ধরা যায়। মানুষের শরীরের হৃদস্পন্ধন, তাপমাত্রা কত রয়েছে তা সহজে বলে দেওয়ার জন্য বের হয়েছে রিস্ট ওয়াচ যন্ত্র।

অনলাইনে ভোটার হওয়া ও জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদন করুন

কিছুদিন আগেও ভোটার আবেদন বা জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য সংশোধন ছিল অতি ঝামেলার। জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের ছবি নিয়েও অভিযোগের অন্ত ছিল না। এখন এসব কাজ করা যাবে ঘরে বসেই। অনলাইনে ভোটার হওয়া ও জাতীয় পরিচয়পত্রের আবেদন করা। একই সঙ্গে হারিয়ে গেলে পুনর্মুদ্রণ, কোনো তথ্য সংশোধনের আবেদনও করা।

মাউসের নাগালে যা যা
* তথ্য সংশোধন ও হালনাগাদ
* ঠিকানা পরিবর্তন
* ভোটার এলাকা স্থানান্তর
* পুনর্মুদ্রণ
* ছবি পরিবর্তন
* ডাটাবেইসে নিজের তথ্য দেখা
* আবেদনপত্রের হাল অবস্থা জানা
যা করতে হবে
নিবন্ধনের জন্য যেতে হবে নির্বাচন কমিশন অফিসের নিচের ওয়েবলিংকে https://services.nidw.gov.bd/registration 
এরপর ক্লিক করতে হবে ‘রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে চাই’ অংশে। এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়ায় আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজার হলে লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted. এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে ‘I Understand the Risks’-এ ক্লিক করুন। এরপর On the warning page…লেখা আসবে। ‘I Understand the Risks’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘Add Exception’-এ ক্লিক করে পরে ‘Confirm Security Exception’-এ ক্লিক করলে একটি পেজ ওপেন (অনলাইন ফরম) হবে।
আপনি ভোটার হয়ে থাকলে বা আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র করে থাকলে নিবন্ধনের জন্য এই ফরমটি পূরণ করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর (এই নম্বরে ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে), ইমেইল ঠিকানা, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে পাসওয়ার্ড দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্ম সাল দিতে হবে। ধরা যাক, আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ৬৩২৯৮৭৫২৬৩২১৪ ও জন্মসাল ১৯৮০। আপনাকে পূরণ করতে হবে ১৯৮০ ৬৩২৯৮৭৫২৬৩২১৪ । ভোটার হওয়ার সময় দেওয়া তথ্য অনুসারে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার ঘরে বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা নির্বাচন করতে হবে। পাসওয়ার্ড ৮ থেকে ১২ ডিজিটের হতে হবে এবং তাতে থাকতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা। যেমন- filePedia39
সব তথ্য দেওয়ার পর ফরমে দেখানো ক্যাপচা পূরণ করে ‘রেজিস্টার’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এ সময় মোবাইলে একটি অ্যাক্টিভেশন কোড পাঠানো হবে। কোড চাওয়া হলে তা দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনাকে লগ-ইন করতে বলা হবে।
হয়ে গেল নিবন্ধন
এবার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ, পাসওয়ার্ডের ও ক্যাপচার ঘর পূরণ করে ‘সামনে’ বাটনে ক্লিক করলে মোবাইলে একটি কোড পাঠানো হবে এবং একটি নতুন ফরম ওপেন হবে। তাতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও মোবাইলে পাঠানো নতুন অ্যাক্টিভেশন কোড দিয়ে লগ-ইন করতে হবে। সঠিকভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে। দুই মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে ‘পুনরায় কোড পাঠান’-এ ক্লিক করুন। লগ-ইন করতে পারেন নিচের লিংকে গিয়েও-https://services.nidw.gov.bd/login
এবার তথ্য সংশোধন
লগ-ইন করার পর আপনার পুরো নাম, এনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ, পিতা ও মাতার নাম, বৈবাহিক অবস্থা প্রভৃতি তথ্য দেখাবে। একই সঙ্গে আসবে তথ্য পরিবর্তন, ঠিকানা পরিবর্তন, ভোটার এলাকা স্থানান্তর, পুনর্মুদ্রণ, ছবি পরিবর্তন, আবেদনপত্রের হাল অবস্থা প্রভৃতি অপশন। এসব অপশন ব্যবহার করে বর্ণনার নিচের অংশে থাকা ‘কার্ডের তথ্য পরিবর্তন ফরমে’ ক্লিক করে তথ্য সংশোধন ও পরিবর্তন করা যাবে।
ভুল তথ্যসংবলিত জাতীয় পরিচয়পত্রের কারণে আপনি বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এ ছাড়া বাসস্থান পরিবর্তন বা অন্য কোনো কারণে ভোটার এলাকা পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। জাতীয় পরিচয়পত্র পুনর্মুদ্রণেরও প্রয়োজন হতে পারে। চাহিদা অনুযায়ী অপশনে ক্লিক করে তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। তথ্য পরিবর্তনের ফরমে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিন। প্রিন্ট করা ফরমে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যান কপি জমা দিন অনলাইনে। তথ্য পরিবর্তনের সপক্ষে অনলাইনে জমা দিতে হবে প্রয়োজনীয় দলিলের রঙিন স্ক্যান কপি।
জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন
‘ছবি পরিবর্তন’ অপশনে ক্লিক করার পর প্রথমে কম্বো বক্স থেকে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন করতে হবে। ছবি তোলার জন্য স্ক্রিনে উপস্থাপিত ক্যালেন্ডার থেকে সবুজ রঙের তারিখগুলোর মধ্যে নির্বাচন করতে হবে আপনার সুবিধামতো তারিখ। আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা জানা যাবে ‘আবেদনপত্রের হাল অবস্থা’ অংশে ক্লিক করে।
অনলাইনে ভোটার হতে চান?
ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত না হয়ে থাকলে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। ভোটারের আবেদনের জন্য যেতে হবে নিচের লিংকে-https://services.nidw.gov.bd/newVoter
ভোটার তালিকা করার পরে ১৮ বছর বয়সের বেশি হওয়া, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটাররা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে আবার আবেদনের প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যক্তি আবার আবেদন করলে সেটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
অনলাইনে ভোটার হতে শর্তগুলো ভালো করে পড়ে নিন এবং ‘আমি রাজি ও নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে চাই’-এ ক্লিক করুন। নিবন্ধনের জন্য ধাপে ধাপে সব তথ্য পূরণ করতে হবে। নিজের পূর্ণ নাম ছাড়া সব তথ্য পূরণ করতে হবে বাংলায় ইউনিকোডে। সব ধাপ শেষ হওয়ার পর প্রিভিউয়ের মাধ্যমে আপনার দেওয়া তথ্য আবার যাচাই করে নিন। অনলাইনে পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন। তথ্য ও ঠিকানা যাচাইয়ের পর তৈরি করা হবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র। আপনার এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করার সময় লাগবে কাগজপত্র জমার সময় দেওয়া রসিদ।
যা যা লাগবে
জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম (বাংলা/ইংরেজি) এবং জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য লাগবে এসএসসির সনদপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি না হলে এবং সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত কিংবা কোনো সংস্থায় চাকরিরত হলে চাকরি বই/মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও); অন্যান্য ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রধারীর পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন সনদ/ড্রাইভিং লাইসেন্স/ট্রেড লাইসেন্স/কাবিননামার সত্যায়িত অনুলিপি। ধর্ম পরিবর্তন বা অন্য কোনো কারণে নামের আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এসব দলিল ছাড়াও লাগবে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির কপি।
বিয়ে বা বিয়ে বিচ্ছেদ বা অন্য কোনো কারণে কোনো মহিলা তার নামের সঙ্গে স্বামীর নামের অংশ (টাইটেল) সংযোজন বা বিয়োজন বা সংশোধন করতে চাইলে জমা দিতে হবে কাবিননামা/তালাকনামা/মৃত্যু সনদ/ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা/বিয়ে বিচ্ছেদ ডিক্রির সত্যায়িত অনুলিপি।
মা বা বাবার নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে লাগবে এসএসসি, এইচএসসির সনদপত্র (সনদে মা/বাবার নাম উল্লেখ থাকতে হবে) এবং পিতা, মাতা, ভাই ও বোনের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। মা বা বাবার নামের আগে ‘মৃত’ সংযোজন বা বিয়োজন করতে লাগবে মৃত্যু সনদ বা তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি এবং জীবিত থাকার সমর্থনে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র। রক্তের গ্রুপ সংযোজন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে লাগবে ডাক্তারি সনদ। স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা বা ভোটার এলাকা পরিবর্তনের (বাসা/হোল্ডিং/গ্রাম/রাস্তা/ডাকঘর) ক্ষেত্রে লাগবে ঠিকানার সপক্ষে বাড়ির দলিল/টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল/বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র/বাড়িভাড়া রসিদের সত্যায়িত অনুলিপি। জাতীয় পরিচয়পত্র পুনর্মুদ্রণের ক্ষেত্রে লাগবে সংশ্লিষ্ট থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপি ও সদ্য তোলা ছবি।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্ত করবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়ন করতে পারবেন সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান।

বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি SK টেলিকম ৫ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য গবেষণা করছে। যেটা হলে তারাই হবে বিশ্বের প্রথম 5G অপারেটর। দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তাই তারা এখন সর্বপ্রথম 5G নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে চাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণ ব্যপকভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। তাদেরকে 5G নেটওয়ার্কের আনার জন্য কাজ করছে এই কোম্পানি, গত বৃহঃস্পতিবার তারা ঘোষণা করে তারাই হবে বিশ্বের প্রথম 5G অপারেটর এবং এটা 5G নেটওয়ার্কের দ্বার উন্মোচন করবে।

(কোরিয়া হেরাল্ড রিপোর্ট ) তারা বলছে 5G গতিতে ২জিবি একটি মুভি ডাউনলোড করতে ১ সেকেন্ডের অর্ধেক সময় লাগবে। কিন্তু 5G নেটওয়ার্কের দিকে শুধু তাদেরই চোখ নেই, তারা যদি প্রথম অপারেটর হতে চায় তবে তাদেরকে ইউ এস এর Verizon Wireless এর সাথে টেক্কা দিতে হবে। কারন তারা ইতমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে আগামী বছরেই তারা পরীক্ষামূলক ভাবে 5G নেটওয়ার্ক চালু করবে। যা ২০১৭ সালের মধ্যে বানিজ্যিক ভাবে চালু হবে।

সস্তায় মোবাইল ফোন , অতঃপর…

সেল বাজার বা ক্লিকবিডিতে ব্যবহৃত সস্তায় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ কেনাবেচা করছেন অনেকে। কিছুটা সস্তায় পাওয়া যায় বলে সামর্থ্য থাকার পরও অনেকেই অনলাইন থেকে রিকন্ডিশন্‌ড মোবাইল কিনে থাকেন। আজকে বাজারে যেটা ৫০/৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাস খানেক অপেক্ষা করলে তা ৩৫/৪০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে। এ কারনেই অনলাইন থেকে জিনিসপত্র কিনতে অনেকেই ভালোবাসেন।

সস্তা ফোন

এবার একটা ঘটনা বলি।

অফিসে আমার এক কলিগ ৪/৫ মাস আগে সেল বাজারের অ্যাড দেখে এক ছেলের কাছ থেকে কিনে আনলেন চকচকে একটা আইফোন ফোর। বাজারমূল্যর চেয়ে প্রায় অর্ধেক দামে পেয়েছেন খুশিতে তিনি আটখানা। ফোনটাও একদম নতুন। সাথে হেডফোন চার্জার সবকিছুই আছে। মাসখানেক যাবার পর তার কাছে ফোন এল র‌্যাবের কাছ থেকে, তাকে জানানো হলো ফোনটা ছিনতাই হয়েছিলো এবং ফোনের যে আসল মালিক তিনি এখন তা ফেরত চান। প্রথমে আমার কলিগ পাত্তা না দিলেও যখন র‌্যাব তার ফোনের কললিস্ট ধরে ধরে তার মামা, ভাই, মা কে ফোন দিল তখন তিনি বিষয়টা গুরুতর বুঝতে পারলেন এবং ফোনটা তিনি নিজে গিয়ে র‌্যাবের কাছে দিয়ে আসলেন।

তার লস হলো ২৬ হাজার টাকা, গেল মান সন্মান আর টেনশনতো আছেই।

এধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেতে হলে কি করবেন?

একদম অপিরিচিত লোকের কাছ থেকে মোটেই কিনবেন না, যদি কিনতেই হয় তবে বিক্রেতার পরিচয় ১০০% নিশ্চিত হোন। নিজেদের সার্কেলের সাথে কোন ভাবে কানেক্টেড আছেন যে বিক্রেতারা তাদের কাছ থেকেই কেনার চেষ্টা করুন, দাম একটু বেশি হলেও ভয় থাকবে না।

ভালো মত মানি রিসিট বুঝে নিন। কেনার সময়ই যাচাই করে নিন রিসিটে কোন গোলমাল আছে কিনা। ফোনের এইএমইআই ভালো মত মিলিয়ে নিন।

ফোনের ব্যাপারে কেউ ক্লেইম করলে যাতে বিক্রেতাকে ধরতে পারেন এরকম নিশ্চিত হয়েই ফোন টা কিনুন।

ব্লু-রে ডিস্ক

আমরা সিডি বা ডিভিডি অনেক আগে থেকেই ব্যাবহার করে আসছি। সিডি বা ডিভিডির মত ব্লু-রে ও একটি অপটিক্যাল ডিস্ক ফরমেট। হাইডেফিনেশান টিভিতে এটি ব্যবহার উপযোগি। এর রয়েছে উচ্চ মানের ভিডিও রেকর্ড ও প্লে-ব্যাক করার ক্ষমতা।

এটা ব্লু-ভায়োলেট-রে, মানে নীল–বেগুনী রশ্মি ব্যবহার করে। এটি সিডি বা ডিভিডির চেয়ে অনেক বেশি নিখুত রাইট করতে পারে। এর ধা্রন ক্ষমতা সিডি বা ডিভিডির চেয়ে অনেক বেশি হয়, ২৫ গিগাবাইট পযর্ন্ত। যেখানে সাধারণ ডিভিডি ৪ দশমিক ৭ গিগাবাইট ও সিডিতে মাত্র ৭০০ মেগাবাইট। এটা চালানোর জন্য ব্লুরেডিস্ক প্লেয়ার দরকার হবে। সিডি বা ডিভিডি প্লেয়ারে ব্লু-রে ডিস্ক চলবে না ।

প্রযুক্তি বিষয়ে কিছু তথ্য

এই শতাব্দীতে আমরা সবাই প্রযুক্তি নির্ভর মানুষ। প্রযুক্তি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি, সত্যি ই কি জানি। যদি না জেনে থাকেন তাইলে নিচের তথ্যগুলো হয়তো কাজে লাগবে।

০১. কম্পিউটার আবিস্কার করেন-হাওয়ার্ড আইকেন।

০২. আধুনিক কম্পিউটারের জনক-চার্লস ব্যাবেজ।

০৩. বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার পোগ্রামার-লেডে অ্যাডা অগাস্টা।

০৪. সর্বপ্রথম মিনি কম্পিউটার আবিস্কার হয়-1964 সালে।

০৫. বিশ্বের প্রথম মিনি কম্পিউটারের নাম-পিডিপি-1।

০৬. বাংলাদেশে প্রচলিত প্রথম কম্পিউটার-আইবিএম 1620।

০৭. কম্পিউটারে বাংলা লেখার প্রথম সফটওয়্যারের নাম-শহীদলিপি।

০৮. কম্পিউটারে বাংলা লেখার প্রথম সফটওয়্যারের ডেভলপার-সাইফুদ্দোহা শহীদ।

০৯. ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহীর নাম-মার্ক জুকেরবার্গ।

১০. মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতার নাম-বিল গেটস।

১১. নকিয়ার প্রধান নির্বাহীর নাম-ওলি পেকা।

১২. অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর নাম-স্টিভ জবস(পুরো নাম স্টিভেন পল জবস)।

১৩. ব্রডব্যান্ড গতিতে শীর্ষে রয়েছে-দক্ষিণ কোরিয়া।

১৪. মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহীর নাম-স্টিভ বলমার।

১৫. বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট সুবিধা আসে-১৯৯৬ সালের ৬ জুন।

১৬. বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল সুবিধা আসে-১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে।

১৭. বাংলাদেশে নির্মাণাধীন আইসিটি পার্কের অবস্থান-গাজীপুরের কালিয়াকৈর।

১৮. বাংলাদেশে আইসিটি ইনকিউবেটর অবস্থিত-ঢাকার কারওয়ান বাজারে।

১৯. চীনে নতুন চালু হওয়া সার্চ ইঞ্জিনের নাম-গুজি।

২০. ত্রিমাত্রিক চ্যানেলে প্রথম সরাসরি ফুটবল ম্যাচ সম্প্রচার করা হয়েছে-যুক্তরাজ্য।

২১. বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশ-চীন।

২২. বিশ্বে সর্বপ্রথম যে কম্পিউটার তৈরি করা হয় তাতে মেমরি হিসাবে- পাঞ্চ কার্ড(যা ছিল রিড অনলি) ব্যবহার করা হয়েছিল।।

২৩. আইফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম-অ্যাপল ইঙ্ক।

২৪. ফ্লাশ প্লেয়ার তৈরি প্রতিষ্ঠানের নাম-অ্যাডব।

২৫. গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের নাম-এনড্রয়েড।

২৬. এমপিথ্রি ফাইল ফরম্যাট উদ্ভাবকের নাম-ডাগফিন ব্যাচ।

২৭. স্কাইপ-ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিফোন সার্ভিস।

২৮. বিশ্বের সবচেয়ে হালকা মোবাইলের ওজন-৪০ গ্রাম।

২৯. উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করা যাবে- ৫৯টি ভাষায়।

৩০. কাসপারস্কি ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতার নাম- ইউজিনি ক্যাসপারস্কি।

৩১. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কম্পিউটার বাজার(বিসিএস কম্পিউটার সিটি)- ঢাকার আগারগাঁওয়ে।

৩২. বাডা অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম হ্যান্ডসেটের নাম- স্যামসাং ওয়েভ এস-৮৫০০।