থান্ডারবোল্ট ™ প্রযুক্তি

ডিভাইস যোগাযোগ স্থানান্তকরণের, থান্ডারবোল্ট ™ প্রযুক্তি ল্যাপটপ এবং Ultrabooks মত উদ্ভাবনী, পাতলা সিস্টেম ডিজাইন জন্য নমনীয়তা এবং সরলতা প্রদান নাটকীয়ভাবে দ্বি-মুখী 10 Gbps গতিতে স্থানান্তর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়, এবং একাধিক ডিভাইস Daisy chaining প্রস্তাব একটি দ্বৈত প্রোটোকল, I / O নতুনত্ব ™.

I / O স্থানান্তর পুনর্বিবেচনা
উদ্ভাবনী নকশা সঙ্গে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিকারী, থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তি একটি অত্যন্ত দক্ষ metaprotocol সম্মুখের PCI এক্সপ্রেস * এবং DisplayPort, I / O প্রোটোকল সম্মিলন. ট্রাফিক রাউটিং ব্যবস্থাপনা (Daisy চেইন এবং হট প্লাগিং ডিভাইস সমর্থন) এবং PCIe মত বুদ্ধিমান হার্ডওয়্যার কন্ট্রোলার সঙ্গে একা তারের সংক্রমণ * চিন্তনীয় প্রায় কোনো প্রযুক্তি সংযোগ-বালুচর অফ প্রদান করা. এবং DisplayPort একাধিক এইচডি প্রদর্শন এবং এইচডি অডিও পর্যন্ত আট চ্যানেল সমর্থন দ্বারা শিল্প চাহিদা পূরণ.

Thunderbolt

থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তি বিল্ডিং ব্লক হিসেবে, থান্ডারবোল্ট কন্ট্রোলার একটি উচ্চ কার্যকারিতা ক্রস বার থান্ডারবোল্ট প্রোটোকল সুইচ, একটি PCI এক্সপ্রেস সুইচ, এবং এক বা একাধিক থান্ডারবোল্ট পোর্ট, DisplayPorts, এবং PCI এক্সপ্রেস প্রোটোকল অ্যাডাপ্টারের পোর্ট থাকে. একটি একক চিপ মধ্যে থান্ডারবোল্ট বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল বৈশিষ্ট্য একীভূত দ্বারা হোস্ট প্রান্তের নিয়ামক সিস্টেম বিক্রেতারা সহজেই তাদের ডিজাইন মধ্যে থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হবেন.

পিসি শিল্প পরিবর্তন
একটি একক যানবাহনের I / O প্রোটোকল ওঠানামা বিদ্যমান দেশীয় ডিভাইস ড্রাইভার ব্যবহার করে দাড়িয়ে কর্মক্ষমতা বিস্তার প্রযুক্তির জন্য অনুমতি, প্রকৌশলী নতুন সিস্টেম ডিজাইন কনফিগারেশনের য আসতে সক্ষম. থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তি এছাড়াও, I / O কর্মক্ষমতা sacrificing ছাড়া পাতলা এবং হালকা ল্যাপটপ প্রবর্তনের করতে সক্ষম হবেন, এবং তৈরি করতে গিগাবিট ইথারনেট, ফায়ারওয়্যার *, বা  eSATA-সহজ তৈরীর PCIe ভিত্তিক অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করে অন্য ইনপুট / আউটপুট প্রযুক্তি পৌঁছানোর প্রসারিত করে।

থান্ডারবোল্ট ™ 2
কম্পিউটিং শিল্প ইন্টেল এর থান্ডারবোল্ট ™ প্রযুক্তির সঙ্গে বোর্ড আছে, এবং 2013 সালে প্রযুক্তি গ্রহণ, বিশেষ করে ধনী বিষয়বস্তু তৈরি করা ভিডিও নির্মাতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান হয়. ইতিমধ্যে ম্যাক কম্পিউটারের একটি প্রমিত বৈশিষ্ট্য, এটা এখন পিসি এবং মাদারবোর্ড, সেইসাথে অনেক পেরিফেরাল ডিভাইস এর অন্তর্ভুক্ত; ছাড়াও, শত শত কোম্পানী এবং ক্রমবর্ধমান করা হয় থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তি চালিত পণ্য উন্নয়নশীল.

এপ্রিল 2013 সালে, ইন্টেল থান্ডারবোল্ট ™ নিয়ন্ত্রক, ইনপুট / আউটপুট প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি জন্য পরিকল্পনা ঘোষণা করেন. Gbs 20 এ চালানোর জন্য ব্যান্ডউইড্থ দ্বিগুনের, থান্ডারবোল্ট প্রযুক্তির চোখ পপিং ভিডিও এবং তথ্য সামর্থ্য জন্য এককালীন 4K ভিডিও ফাইল স্থানান্তর ও প্রদর্শন করতে সক্ষম হবেন. ফলে 4K ভিডিওর প্রযুক্তির বহুল এর cusp নেভিগেশন একটি শিল্প জন্য মহান খবর.

 

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail: info@clickntech.com

গান শুনিয়ে ঘুম থেকে তুলবে কম্পিউটার

টাস্ক শিডিউলারে গান সংযুক্ত করলে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়য়ে গান শোনাবে কম্পিউটার আপনার কম্পিউটার । টাস্ক শিডিউলারে গান সংযুক্ত করার জন্য আপনি Start > Menu > All programmes > Accessories > System Tools > Schedule Task নির্বাচন করতে হবে । এবার Add Schedule Task আইকনে ডাবল ক্লিক করুন । Next browse বাটনে ক্লিক করে আপনার পছন্দের অডিও গান টি [ mp3, wma ফরম্যাট ] নির্বাচন করুন । Daily নির্বাচন করে ক্লিক করতে হবে । Start Time -এ ঠিক করে দিতে হবে আপনার পছন্দের গান শোনার সময় । পরে Next তে ক্লিক করতে হবে । লগইন – পাসওয়ার্ড লিখে আবার Next তে ক্লিক করলেই কাজ শেষ । আপনাকে ধন্যবাদ ।

 

লিখেছেন : পরাগ (ঢাকা )

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail: info@clickntech.com

ভাইরাস আছে কিনা জেনে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে ইন্টারনেট। অনেক অজানা তথ্য গুগলে সার্চ দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটেই পেয়ে যাই যা আগে ছিল অসম্ভব । ইন্টারনেটে তথ্য খুজতে অনেক অজানা সাইটে ভিজিট করতে হয় । যার কারনে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকে । তাই সাইট ভিজিট করার আগে চেক করে নিন ঐ সাইটে ভাইরাস আছে কিনা । এই www.urlvoid.com সাইটটি ভিজিট করে যেকোনো ওয়েবসাইটে ভাইরাস আছে কিনা তা জানতে পারবেন । এজন্য প্রথমেhttp://www.urlvoid.com এই সাইট এ ঢুকুন । যে ওয়েবসাইটের ভাইরাস চেক করতে চান সেই সাইটের লিংক বা url দিয়ে Scan করে দেখুন ।

 

পাঠিয়েছেন :- কবির ( নাটোর )

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail:info@clickntech.com

কম্পিউটারের রিস্টার্ট সমস্যা ?

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্টের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। এতে প্রসেসর তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসেসর একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা ভালো, যাতে গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে।
• RAM এর কারণেও কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে পারে। ধরুন যে RAM কম্পিউটারে লাগানো আছে তা আপনার মাদারবোর্ড সাপোর্ট করে না, স্পিড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা RAM এর চিপ নষ্ট থাকতে পারে। এসব কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
• হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর পড়লে এবং সেখান থেকে ডাটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট কিংবা হ্যাং হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায়। হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। অনেক সময় হার্ডডিস্কে এরর থাকে। এটিও রিস্টার্টের একটা কারণ।
• ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটারে যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তবে বেশিরভাগ সময় এই কাজ করার আগে অপারেটিং সিস্টেম অনুমতি চাইবে। তবে ওই ডিভাইসটি সমস্যাযুক্ত হলে কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হবে।
• বিভিন্ন কারণে অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং নতুন করে চালু হওয়ার চেষ্টা করে। তাছাড়া কোনো জটিল সমস্যা হলেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে।
• বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে কানেক্টেড না থাকলে বা লুস কানেক্টেড থাকলে কিংবা সমস্যাযুক্ত থাকলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে।
• বিভিন্ন ভাইরাসের জন্যও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে। তাই ভালো একটা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা জরুরি।
• প্রয়োজনে কোন দক্ষ কম্পিউটার এক্সপার্ট এর কাছে আপনার কম্পিউটারটি নিয়ে যান।

লিখেছেন : নিরব (ঢাকা )

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail: info@clickntech.com

অনলাইনে সরাসরি পিডিএফ তৈরী করুন

বর্তমানে পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরমেট) বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফন্ট ঝামেলা এবং ডকুমেন্টের ফরমেট অক্ষুন্ন রাখতে পিডিএফ এর প্রয়োজন হয় বেশী। কিন্তু পিডিএফ তৈরীর সফটওয়্যার আপনার কাছে না থাকেলেও অনলাইনে সরাসরি পিডিএফ তৈরী করা যায়। এতে মাইক্রোসফট অফিস, ইমেজ, ওয়েব পেজ, হেল্প ফাইল, ভিজিএফ ফাইলকে পিডিএফ তৈরী করা এবং পিডিএফ ফাইলকে মাইক্রোসফট অফিসে রুপান্তর করা যায়। এজন্য www.freepdfconvert.com সাইটে যান এবার Source file অংশে Convert from এর File অপশন বাটনে সিলেক্ট থাকা অবস্থায় Browse বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটারের ফাইল (অনলাইনের ফাইল হলে Convert from এর URL অপশন বাটনে সিলেক্ট করে ফাইলের ঠিকানা দিতে হবে) দেখিয়ে দিন এবার E-mail address অংশে আপনার ইমেইলের ঠিকানা লিখে Attach files to e-mail চেক বক্স চেক করে Convert বাটনে ক্লিক করুন তাহলে আপনার ফাইল আপলোড হবে এবং পিডিএফ ফাইলকে জিপ হিসাবে আপনার ইমেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

 

পাঠিয়েছেন :-  মিখুন আহমেদ ,খুলনা

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয়ে যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail:info@clickntech.com

কম্পিউটারকে আরো গতিশীল করুন

কম্পিউটারকে গতিশীল করার বেশ কিছুই উপায় আছে। সেগুলো নিয়ে clickntech.com এ অনেক আলোচনাও হয়েছে। আজকে আমরা খুবই সাধারন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। যা কিনা যে কেউ চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

১> GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
২> GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন। (একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন )
৩> GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। (এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন ) কম্পিউটার বিভিন্ন সময় নিজের চলার সুবিধার জন্যে বেশ কিছু temp ফাইল তৈারী করে যা পরে আর কাজে আসে না।
৪> GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। ( এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন )
৫> প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপর Properties এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। তারপর দুই তিনবার কম্পিউটার Restart করুন। আশা করি আপনার কম্পিউটার এর গতি অনেক বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য এই Tips বেশী কার্যকরী।

 

পাঠিয়েছেন :-  শিমুল, খুলনা

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয়ে যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো। E-mail:info@clickntech.com

windows Run এর কমান্ড জেনে রাখুন

windows Run কোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে Start থেকে Run (Windows + R চেপে) গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখে OK করলেই সেই প্রোগাম চালু হয়। যদিও বেশিরভাগ প্রোগ্রামই সরাসরি চালু করা যায়। নিচে দরকারি বেশ কিছু রান কামন্ড  দেওয়া হলো। আসা করছি কাজে লাগবে।

১. এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl

২. এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl

৩. এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools

৪. অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl

৫. ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt

৬. ক্যালকুলেটর – calc

৭. সার্টিফিকেটস – certmgr.msc

৮. চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk

৯. কমান্ড প্রোম্পট – cmd

১০. কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc

১১. কন্ট্রোল প্যানেল – control

১২. ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2

১৩. ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl

১৪. ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc

১৫. ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag

১৬. ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr

১৭. ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc

১৮. ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc

১৯. ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart

২০. ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop

২১. ডিসপ্লে প্রোপার্টিস ২ – desk.cpl

২২. ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier

২৩. ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl

২৪. ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders

২৫. ফন্টস – control fonts

২৬. ফন্টস ফোল্ডার – fonts

২৭. গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl

২৮. গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc

২৯. হাইপারটার্মিনাল – hypertrm

৩০. আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress

৩১. ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc

৩২. ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড – icwconn1

৩৩. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore

৩৪. ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl

৩৫. কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard

৩৬. লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc

৩৭. উইন্ডোজ লগঅফ – logoff

৩৮. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড – msword

৩৯. এমএস পেইন্ট – mspaint

৪০. মাউস প্রোপার্টিস -control mouse

৪১. নেট মিটিং – conf

৪২. নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections

৪৩. নেটওয়ার্ক কানেকশনস ২ – ncpa.cpl

৪৪. নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl

৪৫. নোটপ্যাড – notepad

৪৬. অবজেক্ট পেজ মেকার – packager

৪৭. ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl

৪৮. অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk

৪৯. আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn

৫০. পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl

৫১. পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc

৫২. পারফরমেন্স মনিটর ২ – perfmon, timedate.cpl

৫৩. ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl

৫৪. পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl

৫৫. প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers

৫৬. প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers

৫৭. রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl

৫৮. রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit

৫৯. রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32

৬০. রিমোট ডেক্সটপ – mstsc

৬১. রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc

৬২. রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc

৬৩. স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl

৬৪. শিডিউল টাস্ক – control schedtasks

৬৫. সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl

৬৬. সার্ভিসেস – services.msc

৬৭. শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc

৬৮. উইন্ডোজ শার্ট ডাউন – shutdown

৬৯. সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl

৭০. সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit

৭১. সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig

৭২. সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32

৭৩. সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl

৭৪. টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr

৭৫. উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify

৭৬. উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc

৭৭. উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer

৭৮. ওয়ার্ড প্যাড – write

 

লিখেছেন: সবুজ (সুনামগন্জ)

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, E-mail এর মাধ্যামে। এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে, আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail:info@clickntech.com

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন ?

আজকালকার প্রযুক্তি অভূতপূর্বের উন্নতির পাশাপাশি তৈরি হয়েছে বেশ কিছু সমস্যাও। যেমন, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটারের তথ্য থেকে শুরু করে ফেসবুকের একাউন্ট, ব্যাংকের ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড, ইমেইল ইত্যাদি অনেক কিছুই চলে যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির কাছে। অবশ্য এ অঘটনও প্রতিরোধ সম্ভব যদি আপনার শক্তিশালী পাসওয়ার্ড থাকে। তবে অভিধানের সকল শব্দ একটার পর একটা বসিয়ে পাসওয়ার্ড ব্রেক করার টুলসও রয়েছে। সেক্ষেত্রে এ পথ না মাড়ানোই সবচেয়ে নিরাপদ। যাই হোক পাসওয়ার্ড দেওয়ার আগে কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে——-
সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ যে কোন এক জায়গায় আপনার পাসওয়ার্ড হ্যাক হলে অন্যগুলোরও অ্যাকাউন্ট অনিরাপদ হয়ে পড়বে।

কমন পাসওয়ার্ড কখনই ব্যাবহার করবেন না। যদি আপনার পাসওয়ার্ডটি অভিধানের সরাসরি কোন শব্দ হয় তবে সেটি সেটি খুব সহজে হ্যাক করা সম্ভব। আবার আপনার নিজের নাম, জন্ম তারিখ, প্রিয় বন্ধুর নাম, বিবাহ বার্ষিকী বা কোন সাধারণ জ্ঞান দিয়ে সরাসরি পাসওয়ার্ড দেওয়াও ঠিক নয়। কেননা হ্যাকার পাসওয়ার্ড ব্রেক করার ক্ষেত্রে সবার আগে এগুলো দিয়েই চেষ্টা করেন।

তাই শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সংখ্যা, অক্ষর এবং স্পেশাল ক্যারেকটারের সমন্বয় হতে হবে। ক্যারেক্টারগুলোকে র্যায়ন্ডম হতে হবে, কীবোর্ডের এক সারির অক্ষর। তবে qwerty বা asdf ইত্যাদি যেন না হয়। এবার শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরীর জন্য দেওয়া হলো কিছু টিপস:

# শব্দকে উল্টো করে লিখুন। যেমনঃ arnob কে লিখুন bonra ।

# কিছু কিছু অক্ষরকে নম্বরে বদলে দিন। bonra কে b0nra লিখুন। এখানে ‘o’ কে ‘0’(শুন্য) করা হয়েছে।

# ইচ্ছেমতো যেকোন অক্ষরকে ক্যাপিটাল করুন, কেবল প্রথম অক্ষরকে করবেন না। b0nra কে b0nRa করে ফেলি।

# স্পেশাল ক্যারেক্টার দিতে পারেন দু’একটি। b0nRa হতে পারে b0nR@।

Password protected

 

এভাবেই আমাদের শুরুর কমন একটি শব্দ এখন বেশ শক্তিশালী একটি পাসওয়ার্ডে রুপান্তরিত হয়ে গেলো।

তবে আরেকভাবে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরী করা যায়। প্রথমে একটি লম্বা বাক্য তৈরী করুন এবং সেটির প্রথম অক্ষর নিয়ে একটি পাসওয়ার্ড তৈরী করুন।
যেমন: My password must be very very strong. এখান থেকে তৈরী পাসওয়ার্ডটি হবে mpmbvvs এখন আপনি চাইলে উপরের পদ্ধতি অবলম্বন করে এটিকে আরো জটিল করে নিতে পারেন।

আর এসব টিপস অনুসরণ করে আপনি সহজেই আপনার অ্যাকাউন্টকে করে তুলতে পারবেন নিরাপদ।

লিখেছেন : সুমন (ঢাকা )

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো।
E-mail: info@clickntech.com

ফাইল সার্চ করুন আরো সহজে

কম্পিউটার চালানোর সময় আমাদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফাইল খোঁজার প্রয়োজন পড়ে। হয়ত মনে থাকেনা ফাইলটি ঠিক কোথায় আছে। বিশেষ করে গানের ক্ষেত্রে সমস্যাটি বেশী হয়। আর এই ফাইল খোঁজার জন্য আমরা সধারনত উইন্ডোজের ডিফল্ট সার্চ সিস্টেম ব্যবহার করি। কিন্তু এটি কোনকিছু খুঁজতে অনেক সময় নেয়।

তবে একটি ছোট সফটওয়্যারের সাহায্যে এই সার্চের কাজটি করা যায় খুব সহজে এবং কম সময়ে। আর সফটওয়্যারটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি পোর্টেবল। অর্থাৎ এটির কোনরকমের ইন্সটলেশনের প্রয়োজন হয়না। যে কোন জায়গা থেকে এটিকে রান করানো যায়, এমনকি পেন্ড্রাইভের মধ্যে থেকেও। সফটওয়্যারটি http://bit.ly/1iIv27i ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। যে জিপ ফাইলটি নামবে সেটির পাসওয়ার্ড ‘Dhiman’। প্রথমে এটিকে আনজিপ করুন। এবার ফোল্ডারের মধ্যের অ্যাপ্লিকেশনটি ওপেন করুন। উপরের বক্সে যা সার্চ করতে চান তা লিখুন। এবার নিচের সার্চ রেজাল্ট থেকে ডাবল ক্লিক করলেই কাংখিত ফাইল বা ফোল্ডার ওপেন হয়ে যাবে।

মাউস এর কাজ হবে কী -বোর্ড এ

অনেক সময় দেখা যায় মাউস ঠিক মত কাজ করছে না বা মাউসের তার আপনার কাছে আসছে না আবার নিছক সখের বসেই কী বোর্ড দিয়ে মাউসের কাজ করতে মন ছাইছে। নিচের প্রক্রিয়া দেয়া হলঃ

প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে ‘Control Panel’-এ যেতে হবে। এখানে ‘Ease of Access’-এ ক্লিক করে এখান থেকে ‘Change how your mouse works’ সিলেক্ট করুন।

Key-board-nirbacito lekha 01

এখান থেকে ‘Turn On Mouse Keys’ ইনাবেল করে দিন। এরপর ওকে দিয়ে বেরিয়ে আসুন। ( উপরের ছবিটার দিকে নজর রাখুন )

Key-board-nirbacito lekha 02

এখন আপনি নাম্বার লক অন করে আপনার নিউমেরিক কী-বোর্ড দিয়ে মাউস কন্ট্রোল করতে পারবেন। ( উপরের ছবিটার দিকে নজর রাখুন )

লিখেছেন:শাহজালাল খান(জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

নির্বাচিত লেখা আমরা পেয়ে থাকি অপরিচিত মাধ্যম থেকে, এর কোন বিষয় যদি কারও কোন আপত্তি থাকে আমাদের জানানোর অনুরোধ রইলো। E-mail:info@clickntech.com