ডিজিটাল ডিভাইস চুরি !!! মোবাইল ফোনটি যখন বিপদ

আসলেই বিষয়টি ভিশন রকম দু:চিন্তার। আপনার হাতে যে মোবাইল ফোনটি বা ডিজিটাল ডিভাইস টি রয়েছে সেটা ব্যবহার করা যেমন সহজ সেটার জন্য বিপদে পড়াটাও খুব সহজ। চলুন এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করি ।
আমরা অনেকেই মোবাইল ফোন পুরানো হলে বেচে দেই কিন্তু আমরা যার কাছে বিক্রি করছি তিনি কে ? তিনি যদি কোন সন্ত্রাসী কাজে এই মোবাইল ব্যবহার করে তাহলে তার দায় নিতে হবে আপনাকে । কারন আপনি যখন মোবাইলটি ব্যবহার করেছেন তখন মোবাইল কোম্পানি আপনার সিমের মাধ্যমে ip address / IMEI Number টি নিয়ে নিচ্ছে। তাই যিনি কিনলেন তিনি যদি এই সেট ব্যবহার করে কোন অপরাধ করে তাহলে পুলিশ ধরবে আপনাকে। তাই ফোন সেট বিক্র করার সময় ক্রেতা সর্ম্পকে জেনে নিন এবং তার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে রাখুন। পুরানো মোবাইল কেনার সময়ও এনআইডি সংগ্রহ করুন । কারন যদি বিক্রেতা আগে কোন অপরাধ করে থাকে বা চুরি করা মোবাইল হয় তাহলে বিপদটা হবে আপনার।

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি চুরি হয় ??? তাহলে দেরি করবেন না সাথে সাথে যে কারো মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক, ই-মেইল থেকে লগ আউট করে ফেলুন এবং Password পালটে ফেলুন। তারপর থানায় যেয়ে একটা সাধারন ডায়েরি করুন, মনে করে সেই IMEA নাম্বারটা উল্লেখ করবেন ডায়েরিতে। তাই মোবাইল কেনার সময় দোকান থেকে যে রসিদটা দেয়া হয় সেটা হারাবেন না।

এবার আসি মোবাইল ফোন নস্ট হলে আমরা কি করি ??? দোকানে নিয়ে যাই এবং ঠিক করে নিয়ে আসি, তাই না ??? কিন্তু এর মাঝে কি কি হয় আমরা জানি না। আমরা অনেকেই অনেক ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে সংরক্ষণ করি কিন্তু যিনি মোবাইলটা ঠিক করছেন তিনি চাইলেই এই ছবি, ভিডিওগুলো কপি করতে পারে এবং ইচ্ছা মত ব্যবহার করতে পারে এবং এমন কিছু ঘটনা ঘটেছেও । ইন্টারনেটে এমন ভুরি ভুরি ছবি আছে যা কিনা ইচ্ছাকৃত দেয়া হয়নি, এভাবেই না জেনে বেহাত হয়েছে । কিন্তু বহু মানুষের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে এই সাধারন ভুলটির জন্য। তাই আমরা যখন ফোন সেটটি কোথাও ঠিক করতে দেব তখন সেটার ম্যামরি কার্ডটি রেখে দেব । সেট ঠিক করতে ম্যামরি কার্ড প্রয়োজন হয় না। তবে যদি সেট চুরি হয় তখনতো ম্যামরি কার্ড সহই চোর নিয়ে যাবে । তাই একমাত্র উপায় আমাদের এই ধরনের ব্যক্তিগত ছবি মোবাইল না রাখাই ভালো।

ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটারের বেলায়েও এগুলো ফলো করতে হবে আমাদের। IMEI ( International Mobile Equipment Identity) অথবা ip address (Internet Protocol address) সর্ম্পকে একেবারে ছোট এবং সাধারন করে বলি । এগুলো মাধ্যমে আপনার পরিচয়, ঠিকানা এবং আপনি কখন ফোন বা ইন্টারনেট চালিয়েছেন সেটা খুব সমজেই বোঝা যায়। ip address (Internet Protocol address)  সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে  ip address (Internet Protocol address)

 

পি এইচ পি (PHP)

পি এইচ পি (PHP) পুরো শব্দ (Hypertext Preprocessor) হাইপারটেক্সট প্রিপ্রসেসর । পি এইচ পি হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটা সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবেও  পরিচিত। ডাইনামিক এবং ইন্ট্রারএকটিভ ওয়েব সাইট তৈরির ক্ষেত্রে পি এইচ পি একটা শক্তিশালি ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে কাজ করে থাবে । এটা ওপেন সোর্স জেনারেল পারপোজ স্ক্রিপ্টিং ল্যঙ্গুয়েজ হওয়ায় ওয়েব প্রোগ্রামারদের কাছে অধিক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এছাড়া পি এইচপি ওয়েবে তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে ।

পি এইচ পি কে এইচ টি এম এল (HTML) এর সাথেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে । বর্তমানে যথেষ্ট জনপ্রিয় ওয়ার্ডপ্রেস ও জুমলা সহ বেশ কিছু এডভান্সড ওপেনসোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) পি এইচ পি দ্বারা তৈরি করা । পি এইচ পি ব্যবহার করে কাস্টম কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি করা যায়। এছাড়া ই-কমার্স, ম্যানেজমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং সফটওয়্যার ইত্যাদি তৈরিতেও পি এইচ পি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ইন্টারনেট মহাযজ্ঞ ( ইন্টারনেট এর গঠন কাঠামো )

ইন্টারনেট এর গঠন কাঠামো :-
ইন্টারনেট এর মূল কাঠামো বা ব্যাকবোন তৈরি হয় অনেকগুলে বড় নেটওয়ার্কের মাদ্যমে যা একে অপরের সাথে আন্তসংযোগ এর মাধ্যমে যুক্ত থাকে। এই বড় নেটওয়ার্কগুলো নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার বা (NSP) নামে পরিচিত। কিছু বড় NSP যেমন – UUMET, Certret, IBM, BBNPlanet, SprintNet, PSINet এবং আরো অনেক। এই নেটওয়ার্কগুলো একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত থাকে যাতে একে অপরে সাথে প্যাকেট ট্রাফিক পরিবর্তন করতে পারে। প্রত্যেক NSP তিনটি নেটওয়ার্ক একসেস পয়েন্ট (Network access point) বা NAP এর সাথে যুক্ত থাকতে হবে। NAP থেকে প্যাকেট ট্রাফিক এক NSP ব্যাকবোন থেকে অন্য NSP ব্যাকবোনে চলে যেতে পারে। NSP আবার মেট্রোপলিটন এরিয়া এক্সচেন্জ (Metropolitan Area Exchange) বা MAE এর সাথে অভ্যন্তরীন ভাবে সংযুক্ত থাকে।
MAE ও NAP এর মতে একই উদ্দেশ্য সাধন করে কিন্তু এটি ব্যাক্তি মালিকানাধীন। NAP হচ্ছে আসল ইন্টারনেট আন্তসংযোগ পয়েন্ট। NAP এবং MAE উভয়েই ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ (Internet Exchange Point) বা IX হিসেবে কাজ করে। NSP ব্যান্ডওয়াইডথ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। নিচের চিত্রের মাধ্যমে এর নিম্নশ্রেণী থেকে শ্রেণী পযর্ন্ত (Hierarchical) ঘঠন কাঠামো দেখানো হল –

Mohajoggo 4.1

এই চিত্রটি সত্যিকার অর্থে ইন্টারনেট এর সঠিক গঠন প্রকাশ করে না। এই চিত্রিটি শুধুমাত্র একট NSP আরেক  NSP বা NSP গুলোর মধ্যস্থ এবং ছোট ISP এর সাথে যোগাযোগ যে প্রকাশ বা নির্দেশ করে। কারণ একটি একশ NSP এর ব্যাকবোন এর গড়ন কাঠামো একটি জটিল চিত্র প্রকাশ করে। বেশিক্ষন NSP তাদের গঠন কাঠামোর মানচিত্র তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে প্রকাশ করে যা খুজে পাওয়া সহজ  হয়। আসলে পুরো ইন্টারনেট ব্যবস্থার চিত্র আকাটা অনেকটাই অসম্ভবই বলা যায় কারণ এর বিশাল আকারের বিস্তৃতি, জটিলতা এবং যা সবসময়ই পরিবর্তনশীল।

কাজী মশিউর রহমান( দেশটিভি)
কাজী মশিউর রহমান( দেশটিভি)

মাদারবোর্ড ?

মাদারবোর্ডে উল্লেখ যোগ্য বিষয় গুলো হচ্ছে  মেগাবাইট, মেইন বোর্ড , মোবো(mobo) , মোবিডি(mobd) , ব্যাকপ্লেন বোর্ড, বেস বোর্ড , প্রধান সার্কিট বোর্ড , প্ল্যানার বোর্ড, সিস্টেম বোর্ড , অথবা অ্যাপল কম্পিউটারে লজিক বোর্ড। মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি মুদ্রিত সার্কিট বোর্ড যা একটি কম্পিউটারের ভিত্তি ও যা সি পি ইউ(CPU) , র‍্যাম (RAM)- এবং সমস্ত অন্যান্য কম্পিউটার হার্ডওয়্যার উপাদানের মধ্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে। নীচে ASUS P5AD2 -E মাদারবোর্ড ও মাদারবোর্ডের প্রধাণ অংশের প্রতিটির কিছু মৌলিক ব্যাখ্যা ও একটি গ্রাফিক্স দেখানো হল:

Mother-Board-001

মাদারবোর্ড উপাদান
নীচে বিষদভাবে মাদারবোর্ডের উপাদান প্রতিটি বর্ণনা দেওয়া হল যা উপরের চিত্রের বাম কোণ থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রম অনুসারে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। উপরে তালিকাভুক্ত বা অন্যান্য মাদারবোর্ডে না পাওয়া সামগ্রী পরবর্তীতে তালিকাভুক্ত করা হবে।

এক্সপানশন স্লটঃ
প্রথমে উল্লেখ করা যেতে পারে বাস স্লটে বা এক্সপানশন পোর্টে কথা। একটি এক্সপানশন স্লট হচ্ছে কম্পিউটারের মাদারবোর্ড বা উত্থানকারী বোর্ডের ভিতরে অবস্থিত একটি স্লট, যার মাধ্যমে অতিরিক্ত বোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, যদি আপনি কম্পিউটারে একটি নতুন ভিডিও কার্ড ইনস্টল করতে চান, তবে আপনাকে একটি ভিডিও এক্সপানশন কার্ড কিনতে হবে এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ এক্সপানশন স্লট মধ্যে সেই কার্ড ইনস্টল করতে হবে। নীচে কিছু এক্সপানশন স্লটের নাম দেওয়া হল যা সাধারণত আইবিএম  ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কম্পিউটারে পাওয়া যায়-
কম্পিউটার এক্সপানশন স্লট
• এ জি পি কার্ড (AGP) – ভিডিও কার্ড
• এ এম আর (AMR) – মডেম , সাউন্ড কার্ড
• সি এন আর (CNR) – মডেম , নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড কার্ড
• ই আই এস এ (EISA) – এস সি এস আই (SCSI) , নেটওয়ার্ক কার্ড , ভিডিও কার্ড
• আই এস এ (ISA) – নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড কার্ড , ভিডিও কার্ড
• পি সি আই (PCI) – নেটওয়ার্ক কার্ড, এস সি এস আই (SCSI) , সাউন্ড কার্ড , ভিডিও কার্ড
• পি সি আই ই (PCIe) – ভিডিও কার্ড
• ভি ই এস এ (VESA) – ভিডিও কার্ড
উপরে এক্সপানশন কার্ড স্লট গুলোর অনেক গুলোই এখন অপ্রচলিত হয়, তবে আপনি আজকের কম্পিউটারে শুধুমাত্র এ জি পি , পি সি আই , এবং পি সি আই ই (PCIe) কার্ড গুলোর দেখাই বেশি পাবেন।

তড়িৎ ধারকঃ

Mother-Board-2

একটি ক্যাপাসিটর হচ্ছে আমন একটি হার্ডওয়্যার উপাদান যা দুই বা ততধিক পরিবাহী প্লেটের  পরতে পরতে একটি পাতলা অন্তরক দিয়ে তৈরি একটি কম্পোনেন্ট যা একটি সিরামিক ও প্লাস্টিকের কন্টেইনারে আবৃত থাকে।  ক্যাপাসিটর যখন ডিরেক্ট কারেন্ট ( ডিসি ) পায়; তখন একটি পজিটিভ চার্জ, প্লেট গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি প্লেটের (বা প্লেট সেট ) উপর তৈরী হয় যখন অন্য গুলোর উপর একটি নেগেটিভ চার্জ তৈরী হয়। এই চার্জ, যা কম্পিউটার ক্যাপাসিটরে মাইক্র ফ্যারাডে হিসাবে মাপাহয় মাপা হয়, তা ততোক্ষণ পর্যন্ত ক্যাপাসিটর থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না ক্যাপাসিটরের চার্জ নির্গত না হয়। উপরের ছবিতে দেখলে কম্পিউটার ক্যাপাসিটর সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া যাবে।

আরা এক প্রকার কম্পিউটার ক্যাপাসিটর আছে যা ইলেক্ট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর নামে পরিচিত, যা উচ্চধারনক্ষমতা  বিশিষ্ট কিন্তু ছোট আকারের। নিচে স্পষ্ট ধারনা পাওয়ার জন্য একটি ছবি দেওয়া হল

Mother-Board-3

সকেটঃ

Mother-Board-004

একটি প্রসেসরের ক্ষেত্রে; একটি সি পি ইউ (CPU)-র সকেট বা প্রসেসর সকেট, একটি কম্পিউটার প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের সাথে সম্পর্ক সংযুক্তকারী হিসাবে কাজ করে দেয়। . উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি সকেট 370 – এর কথা যা উপরের ছবি তে দেখানো হয়েছে । এখনও বেশির ভাগ কম্পিউটারে স্লট প্রসেসর ব্যবহার করা হয়, বর্তমানে এবং অতীতের বেশিরভাগ কম্পিউটারে স্লট প্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

মেমরি স্লটঃ

একটি মেমরি স্লট,মেমোরি সকেট, বা র‍্যাম স্লট,  কম্পিউটার মেমরি কম্পিউটারে এ প্রবেশ করানো সম্ভব হবে কি না তা মাদারবোর্ডের উপর নির্ভর করে। সেখানে সাধারণত 2 থেকে 4 টি মেমরি স্লট করা থাকে যা নির্ধারণ করে কোন ধরনের র‍্যাম কম্পিউটারে ব্যবহার হবে। সব থেকে পরিচিত র‍্যাম এর মধ্যে বিভিন্ন ধরণ এবং গতির কথা বিবেচনা করে ডেক্সটপ এর জন্য SDRAM আর ল্যাপটপের জন্য DDR. ব্যবহার করা হয়। নিচের ছবিতে একটা উদাহরণ দেয়া আছে যে কিভাবে একটি ডেক্সটপ কম্পিউটারে মেমরি স্লট ব্যবহার হয়। এই ছবিতে, তিনটি মেমোরি স্টিক এর জন্য তিনটি খোলা স্লট দেয়া আছে।

Mother-Board-5

একটি নতুন কম্পিউটার বা মাদারবোর্ড কেনার সময়, খুব ভালো ভাবে খেয়াল রাখতে হয় মেমরি স্লট ব্যবহার করা যায় কিনা, এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন কোন ধরনের র্যরম আপনার কম্পিউতারের জন্য কিনতে হবে। এটাও উল্লেখযোগ্য যে কতগুলো মেমরি স্লট আছে আপনার কম্পিউটারে। এটা খুবই সাধারণ যে অনেক কম্পিউটারে সব মেমরি স্লট দখল অবস্থায় থাকে তার অর্থ হচ্ছে আপনি যদি আপনার কম্পিউটারকে আপগ্রেড করতে চান তাহলে কিছু অথবা সব ইন্সটল কৃত মেমরি গুলকে সর্বপ্রথম অপসারণ করতে হবে।

সিএমওএসঃ

Mother-Board-6

সিএমওএস বলতে কখনও বোঝায় রিয়েল –টাইম clock, কখনো Non Volatile RAM(NVRAM) or সিএমওএস RAM, সিএমওএসকে সংক্ষেপে বলে complementary metal oxide semiconductor .সিএমওএস হচ্ছে এক ধরনের বোর্ড অর্ধপরিবাহী চিপ যা কাজ করে কম্পিউটারের ভিতরে অবস্থিত সিএমওএস ব্যাটারির মাধ্যমে যা মূলত ধারণ করে তথ্য , সময়, তারিখ এবং হার্ডওয়ার পরিচালনকারি system আপনার কম্পিউটারের জন্য। উপরের ডান পাশের ছবিতে দেয়া আছে সব থেকে পরিচিত সিএমওএস কয়েন কোষ ব্যাটারি যা আপনার কম্পিউটারে সিএমওএস ব্যাটারি কে কার্যকর রাখে ।

একটি মটোরোলা 146818 চিপ প্রথম দিকে আইবিএম কম্পিউটার ব্যবহার করা প্রথম RTCএবং সিএমওএস র্যাম চিপ। সাধারনত চিপ মোট 64 বাইট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম । যখন সিস্টেম ঘড়ি ১৪ বাইট ব্যবহার করে র‍্যামের তখন তা অতিরিক্ত ৩০বাইট জায়গা ছেড়ে দেয় যা ছিল খুবই সাধারণ আইবিএম কম্পিউটারের জন্য। বর্তমানে বেশিরভাগ কম্পিউটারের চিপ হতে সেটিং সরিয়ে তাদেরকে নেয়া হয় সাউথ ব্রিজ অথবা সুপার আই/ও চিপে।

কতক্ষণ সিএমওএস ব্যাটারি কাজ করে?

একটি সিএমওএস ব্যাটারি জীবনকাল প্রায় 10 বছর। এটি কম্পিউটারের ব্যবহার এবং ভিতরের পরিবেশের উপর নির্ভর করে। যখন ব্যাটারি সিস্টেম সেটিংস ব্যর্থ হয় এবং সময় ও তারিখ ঠিক থাকেনা তখন কম্পিউটার বন্ধ থাকে। এটা ততক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ থাকে যতক্ষণ না ব্যাটারি পরিবর্তন করা না হয়।

সিস্টেম প্যানেল সংযোগকারী:

Mother-Board-7

অন্যভাবে বলা যায় সম্মুখ প্যানেল সংযোগকারী ।
সিস্টেম প্যানেল সংযোগকারী কিছু সংযোগকারী তার দ্বারা কম্পিউটার এর পাওয়ার বাটন , রিসেট বাটন , এল ই ডি  নিয়ন্ত্রণ করে ।

সিস্টেম প্যানেল সংযোগকারী তার ডান পার্শ্বের চিত্রের মত ২ টি তার মাদারবোর্ড এর  কোন সিস্টেম এ যুক্ত হবে তা ভিন্ন রং এ দেয়া হয়েছে বোঝার সুবিধার্থে ।

সাদাকালো তার গুলো রোধক তার এবং রঙিন গুলো পাওয়ার সরবরাহকারী তার ।
তার , রং , এবং সংযোগ এগুলো মাদারবোর্ড এবং কম্পিউটার এর বিভিন্নতার উপর নির্ভর করে । কিন্তু প্রায়ই এটা উল্লেখ করা থাকে ।

সিস্টেম প্যানেল সংযোগাকারীসমূহঃ

এইচ ডি ডি ,এল ই ডি(আই ই ডি ,এল ই ডি ) ‘এল ই ডি’ হার্ড ড্রাইভের এক প্রকারের  আলো। এই আলো ঝাঁপটা দেয় যখন হার্ডড্রাইভ এ কিছু লেখা হয় বা হার্ডড্রাইভ থেকে কিছু পঠিত হয়।

পাওয়ার ‘এল ই ডি’ ( পি এল ই ডি )
এই আলো কম্পিউটার চালু আছে না বন্ধ আছে তা নির্দেশ করে ।

পাওয়ার এস ডব্লিউ ( পি ডব্লিউ আর এস ডব্লিউ )
এটি পাওয়ার বাটন কে নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কম্পিউটার চালু বা বন্ধ করে ।
রিসেট এস ডব্লিউ
কম্পিউটারকে পুনরায় চালু করার জন্য রিসেট বাটন কে নিয়ন্ত্রন করে ।

স্পিকারঃ

অভ্যন্তরীন স্পিকারটি কম্পিউটারকে বুট করার সময় বিপ করে ।

বেশিরভাগ কম্পিউটারের মাদারবোর্ড গুলোতে এ সকল তার সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।  আসুস তেমনই একটি ব্র্যাণ্ড যার মাদারবোর্ডের সাথে এটি কিউ কানেক্টর থাকে। এই কিউ কানেক্টর দিয়ে দূর থেকে মাদারবোর্ডের সিস্টেম প্যানেল কে নিয়ন্ত্রন করা যায়।

কোন দিকে সিস্টেম প্যানেল সংযুক্ত হয় ?

সিস্টেম প্যানেল এর তারগুলো যেকোনো দিকে-ই যুক্ত হতে পারে। ‘এল ই ডি’ এর বিভিন্ন অবস্থানের জন্য তার গুলো যে কোন দিক থেকে সংযুক্ত হতে পারে। বেশিরভাগ মাদারবোর্ড গুলো দেখলেই বোঝা যায় কারণ এতে ‘+’ ও ‘-’ এবং কিছু রঙিন তার ব্যাবহার করা হয়। রঙিন তার গুলো  + এ সংযুক্ত হয় আর সাদা বা কাল তার – এ সংযুক্ত হয়।

Mother-Board-8

উপরোক্ত ছবিটি একটি ম্যানুয়াল মাদারবোর্ড থেকে নেওয়া হয়েছে, যাতে স্পষ্ট দেখাযাচ্ছে কি ভাবে তার গুলো মাদারবোর্ড এ সংযুক্ত থাকে। উপরের সবচেয়ে বামের Power LED (PLED) এর জন্য প্রথম পিন PLED+ ব্যবহৃত হয়েছে, যা রঙিন তার নিরদেশ করে,যা কানেক্টর হিসাবে পিন গুলকে মাদারবোর্ড এর সাথে সংযোগ করে। মনেরাখতে হবে যে কি ভাবে তারগুল মাদারবোর্ড এর উপর নির্ভরশীল।
সিরিয়াল পোর্টঃ

Mother-Board-9

কম্পিউটারে এক ধরনের Asynchronous পোর্ট যা সিরিয়াল ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং এক মুহূর্তের মধ্যে সঞ্চালন করতে সক্ষম।

সিরিয়াল পোর্ট বলতে আইবিএম কম্পিটিবল কম্পিউটারকে (COM)বোঝায়। যেমন: মাউস এবং মডেম যুক্ত থাকতে পারে যথাক্রমে COM1 এবং COM2 এর সাথে। ইউএসবি , FIRE WIRE, এবং অন্য দ্রুত গতির যে সিরিয়াল পোর্ট খুব কম ব্যবহার হয় যখন তাদের তুলনা করা অতীতে তাদের ব্যবহারের সাথে। ডানপাশের ছবিতে DB9 হচ্ছে একটি সিরিয়াল পোর্ট যা কম্পিউটারের পিছনে অবস্থান করছে। উপরের যে গ্রাফিক সিরিয়াল পোর্ট আছে সেখানে আপনি সহজে DB9 সিরিয়াল পোর্ট দেখতে পাচ্ছেন । উপরের ছবিতে দেখছেন যে পিন ১ হচ্ছে সবার উপর বামে এবং পিন ৯ হচ্ছে সবার নিচের ডানে।

PIN

PURPOSE

SIGNAL NAME

1 Data Carrier Detect DCD
2 Received Data RxData
3 Transmitted Data TxData
4 Data Terminal Ready DTR
5 Signal Ground Gnd
6 Data Set Ready DSR
7 Request To Send RTS
8 Clear To Send CTS
9 Ring Indicator RI

সিরিয়াল পোর্ট কি কাজে ব্যবহার হয়?

নিচে কিছু হার্ডওয়্যার এর নাম দেওয়া হল সাধারণত সিরিয়াল পোর্ট এ ব্যবহার করার জন্য ক্রয় করা হয়।

মাউসঃ সিরিয়াল পোর্ট এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত একটি ডিভাইস, যা কম্পিউটারে  PS/2   যা USB  পোর্ট এর মাধ্যমে ব্যবহৃত হয় এবং দেখতে ইঁদুরের বাচ্চার  মত।

মোডেমঃ আর একটা সিরিয়াল পোর্ট যা সাধারণত ব্যবহৃত হয়, এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটারেই বেশি ব্যবহৃত হয়, এটা বেশি ব্যবহৃত হওয়ার কারণ এটা ব্যবহার করা সহজ।

নেটওয়ার্কঃ সিরিয়াল পোর্টের অন্যতম প্রধাণ ব্যবহার হয় এখানে, যা একাধিক কম্পিউটারকে সংযোগ করার মাধ্যমে অনেক বড় ফাইলও তাদের মধ্যে আদান-প্রদান করা যায়।

প্রিন্টারঃ বর্তমান সময়ে এইটা সিরিয়াল পোর্টের অন্যতম ব্যবহার না হলেও অতীতে,  প্রিন্টার বা প্লটারে এটা  ব্যবহৃত হত।

১৩৯৪ হেডার এবং ইউএসবি হেডার :

Mother-Board-10

১৩৯৪ হেডার এবং ইউএসবি হেডার হচ্ছে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে প্রাপ্ত একধরনের পিন সংযোগ যা অতিরিক্ত ১৩৯৪ এবং ইউএসবি সংযোগকে কম্পিউটারে যুক্ত করে। উদারন হিসাবে আপনি যদি অতিরিক্ত ইউএসবি সংযোগ আপনার কম্পিউটারের সামনে যুক্ত করতে চান তাহলে ইউএসবি যোগ করতে হবে ড্রাইভ বায়াসে এবং ইউএসবি হেডার যুক্ত করতে হবে। ডান পাশের ছবিতে ১৩৯৪ এবং কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের উপর ইউএসবি হেডার দেখতে কেমন তা দেয়া আছে।

ছবিতে , উভয় ১৩৯৪ এবং ইউএসবি হেডারের আছে ৯ টি পিন এবং তারা সহজে দৃশ্যমান। প্রতিটি মাদারবোর্ডই আলাদা। আপনার কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ১৩৯৪ বা ইউএসবি হেডারে ৪ থেকে ৫ টি পিন আছে।

সাবধানতাঃ প্লাগকৃত একটি ১৩৯৪ হেডার ক্যাবল এবং ইউএসবি হেডার সংযোগ বা ইউএসবি হেডার ক্যাবল ১৩৯৪ মাদারবোর্ডকে নষ্ট করতে পারে। সবসময় ১৩৯৪ বা ইউএসবি হেডার সংযোগের পূর্বে মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারকদের থেকে ব্যবহার বিধি জেনে নেয়া উচিত। বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড হেডার মাদারবোর্ডের একটি হেডার যা যেকোন অংশের একটি বাহ্যিক সংযোগ হিসাবে থাকতে পারে। নিচের লিস্টে বিভিন্ন ধরনের হেডার দেয়া আছে যা আপনি মাদারবোর্ডে ব্যবহার করতে পারেন।

জাম্পারঃ

Mother-Board-11

জাম্পার কম্পিউটার বিদ্যুতের সার্কিট বোর্ডের নির্দিষ্ট বিভাগে প্রবাহ নির্ধারন করে , যার ফলে একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট বন্ধ করার অনুমতি দেয়। জাম্পার ডানে চিত্রণ হিসাবে দেখানো একটি ছোট প্লাস্টিকের বাক্স (জাম্পার ব্লক) দ্বারা আবৃত করা যেতে পারে যা ছোট পিনের একটি সেট গঠিত। চিত্রণ নীচে ,  জাম্পার আপনার মাদারবোর্ড নেভিগেশন এর অনুরূপ হতে পারে যার একটি ছবি। এই উদাহরণে জাম্পার এ তিনটি স্বর্ণ পিনের দুটি সাদা ব্লক ত্বারা মুড়ানো থাকে যা silkscreen বিবরণ দেয় । এই ক্ষেত্রে, এটি কনফিগারেশন মোডে সেট থাকে , এবং যখন কম্পিউটার খোলা হয় তখন তা রিকভারি মোডে চলে যায় ।

জাম্পার কম্পিউটারে মাদারবোর্ড এর বিভিন্ন যন্ত্র যেমন , হার্ড ড্রাইভ, মডেম , সাউন্ড কার্ড, এবং অন্যান্য বিভিন্ন উপাদান এর জন্য সেটিংস কনফিগার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। আপনার মাদারবোর্ডে অনুপ্রবেশ জাম্পার বৈশিষ্ট্য দ্বারা সক্রিয় অথবা নিষ্ক্রিয় করা যাবে।

পুর্বে, প্লাগ এবং প্লে করার আগে, জাম্পার এবং ডিপ সুইচ সাধারণত এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করা হয়। IRQ যার পরিবর্তন হিসাবে ডিভাইসে রিসোর্স, সমন্বয়ে ব্যবহার করা হয় । আজ কাল, অধিকাংশ ব্যবহারকারীর তাদের মাদারবোর্ড বা এক্সপানশন কার্ড এর উপর কোনো জাম্পার সমন্বয় করা প্রয়োজন হবে না। যেমন হার্ড ড্রাইভ হিসাবে , একটি নতুন ড্রাইভ ইনস্টল করার সময় সাধারণত, অধিকাংশ শুধুমাত্র জাম্পার সম্মুখীন হবে. নীচের ছবিতে দেখা যায় যে, ATA ( এ টি এ ) হার্ড ড্রাইভ দুই পিনের তিনটি সেট এর সঙ্গে জাম্পার আছে. প্রতিটি দুই পিনের মধ্যে একটি জাম্পার ব্লক মুভিং মাস্টার ড্রাইভ, স্লেভ ড্রাইভ , বা তারের সিলেকশন থেকে ড্রাইভ পরিবর্তন হবে.

Mother-Board-12

টিপ: কিছু ডকুমেন্টেশন নেভিগেশন যা জাম্পার সেটিং এ উল্লেখ করতে পারে, অন, অফ, অথবা ক্লোসড। যখন একটি জাম্পার অন থাকে অথবা দুইটি পিন দ্বারা আবর্তিত থাকে তাকে covered jumper বলে। এবং যখন jumper off থাকে অথবা একটি পিন দ্বারা আবর্ত থাকে তাকে opened jumper বলে।

সাবধান: কোনো ডিভাইসের উপর জাম্পার পরিবর্তন করার সময়, ডিভাইস এবং আপনার কম্পিউটার বন্ধ হতে হবে. উপরন্তু, একটি কম্পিউটার বা কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস এর সঙ্গে কাজ এর সময় ESD সচেতন হতে হবে।

Mother-Board-13

কয়েল মূলত তড়িৎ চৌম্বকীয় কয়েলের সংক্ষিপ্ত রূপ। কয়েল এক ধরনের পরিবাহি তার যেখানে কপার দ্বারা লোহার মজ্জা cylindrical আকার পায় যা প্রধানত আবেশক অথবা তড়িৎ – চুম্বক তৈরি করে চৌম্বক শক্তি রূপে সঞ্চয় করে। কয়েল প্রায় পাওয়ার spikes এবং পাওয়ার dips কে পাওয়ার থেকে অপসারণে ব্যবহার করা হয়। ডান পাশের ছবিতে কম্পিউটারের মাদারবার্ডে ব্যবহৃত আবেশক। বি.দ্র. কয়েল এর কোর মূলত লোহার কিন্তু ইহা প্লাসটিক অথবা বাতাস ও হতে পারে।

আইডিই:

Mother-Board-15Mother-Board-16

 

 

কন্ট্রোল প্যানেল

কন্ট্রোল প্যানেল হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি অপশন যার মাধ্যমে আপনি আপনার সিস্টেম সেটিং এবং কন্ট্রোল সেটিং পরিবর্তন করতে পারবেন নিজের সুবিধামত। এতে অনেকগুলো ছোট অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের সেটিং দেখতে এবং নিজের ইচ্ছামত পরিবর্তন করতে পারবেন। মূলত পুরো কম্পিউটার এর সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন কন্ট্রোল প্যানেল দিয়ে।

আপনি কন্ট্রোল প্যানেল খুব সহজেই পেতে পারেন। আপনার উইন্ডোজের স্টার্ট মেন্যুতে আপনি কন্ট্রোল প্যানেল খুজে পাবেন। সাধারনত সকল সফটওয়্যারের সেটিং আপনি কন্ট্রোল প্যানেলে খুজে পাবেন,তারপরও কিছু থার্ড পার্টির সফটওয়্যার কিছু অতিরিক্ত অ্যাপ্লিকেশন যোগ করে, যেমন নতুন কিছু মাউস কিনলে কিছু মাউসের সাথে একটি সিডি দেয়া হয় যাতে ঐ অ্যাপ্লিকেশন গুলো থাকে।

কন্ট্রোল প্যানেল এর অসংখ্য কাজ রয়েছে এর মধ্যে একটি আপনাকে ধারনা হিসেবে বলতে পারি । Program and Features এর মাধ্যমে আপনি যে কোন সফটওয়্যার সেটাপ বা রিমুভ করতে পারবেন।  Program and Features ক্লিক করার পর আপনি দেখবেন আপনার কম্পিউটারের সকল Program এর নাম চলে এসেছে। এরপর আপনি ক্লিক করে রিমুভ করতে পারবেন।

ল্যান ( LAN )

এটির পূর্ণ রুপ হচ্ছে লোকাল এরিয়া কানেকশন এবং এর ল্যান্ড টি উচ্চারিত হয় “ডি” অক্ষর টি ছাড়া। ল্যান এক রকমের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যেগুলো একটি নির্দিষ্ঠ স্থান জুড়ে থাকে । বেশির ভাগ বড় বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলো এখন ল্যান ব্যাবহার করে , ল্যান মূলত কর্মকর্তাদের তথ্য একজন আরেকজনের সাথে শেয়ার করাকে সহজ করে। বর্তমানে, সব চাইতে কমন ল্যান হচ্ছে এথারনেট এবং নোভেল অথবা অরাকেল সফটওয়ার দ্বারা। তারপরো , ল্যান বর্তমানে ওয়ারলেস নেটওয়ার্কিং এর পরিবর্তে প্রতিনিয়তই ব্যাবহ্রত হচ্ছে।

আগে ল্যান র্কাড হিসেবে কিতে হত, মাদারবোর্ড এর সাথে থাকতো না। তবে এখনকার মাদারবোর্ড এবং ল্যাপটপের সাথে ল্যান কার্ড বিলটিন পাওয়া যায় আলাদা করে কেনার দরকার পরে না।

CPU – কম্পিউটার

• CPU এ সব ধরনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজকর্ম সঞ্চালিত হয়।
• এটি তথ্য , অন্তর্বর্তী ফলাফল এবং নির্দেশাবলী ( প্রোগ্রাম ) সঞ্চয় করে।
• এটি কম্পিউটারে সকল অংশের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করে।

CPU

CPU-এর নিম্নলিখিত তিনটি উপাদান আছে-
স্মৃতি অথবা সংগ্রহস্থল ইউনিট(Memory or Storage Unit)
নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
গাণিতিক যুক্তি ইউনিট ALU(Arithmetic Logic Unit)

CPU 2

মেমরি বা সংগ্রহস্থল ইউনিটঃ(Memory or Storage Unit)
এই ইউনিট নির্দেশাবলী, তথ্য এবং অন্তর্বর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করতে পারে। প্রয়োজন হলে এই ইউনিট কম্পিউটারের অন্যান্য ইউনিটে তথ্য সরবরাহ করে। এটি অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ ইউনিট বা প্রধান মেমরি বা প্রাথমিক স্টোরেজ বা র‍্যানডম অ্যাক্সেস মেমরি (RAM ) হিসাবে পরিচিত হয়।
এর আকার গতি, শক্তি ও সামর্থ্য প্রভাবিত করে। প্রধান মেমরি ও মাধ্যমিক মেমোরি(primary memory and secondary memory) কম্পিউটারে এই দুই ধরনের মেমরি হয়।
এই ইউনিটের কার্যাবলী হল:
• এটা সব প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে তথ্য এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সঞ্চয় করে।
• এটি প্রসেসিং এর অন্তর্বর্তী ফলাফল সঞ্চয় করে।
•ফলাফল আউটপুট ডিভাইস থেকে মুক্তির আগে এটি প্রক্রিয়াজাত চূড়ান্ত ফলাফল সঞ্চয় করে।
• সমস্ত ইনপুট এবং আউটপুট প্রধান মেমরি(primary memory) মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
নিয়ন্ত্রণ ইউনিটঃ (Control Unit)
এই ইউনিট কম্পিউটারে সকল অংশের অপারেশন নিয়ন্ত্রণ করে. এটাতে প্রকৃতপক্ষে কোন ডেটা প্রসেসিং অপারেশন করাতে হয় না।
এই ইউনিটের কার্যাবলী হল:
• এটি একটি কম্পিউটার অন্যান্য ইউনিট মধ্যে তথ্য এবং নির্দেশাবলীর স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে।
• এটি কম্পিউটারে সকল ইউনিটের স্থানাঙ্ক নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে।
• এটা মেমরি থেকে নির্দেশ গ্রহণ তাদের ব্যাখ্যা এবং কম্পিউটার অপারেশন নির্দেশ করে।
• এটি সংগ্রহস্থল থেকে তথ্য বা ফলাফল স্থানান্তর জন্য ইনপুট / আউটপুট ডিভাইস এর সাথে যোগাযোগ করে।
• এটি কোন তথ্য প্রক্রিয়া বা সংগ্রহ করেনা।

গাণিতিক যুক্তি ইউনিটঃ (ALU- Arithmetic Logic Unit)
এই ইউনিটে দুটি সাবসেকশন রয়েছে-
• গাণিতিক ধারা
• যুক্তিবিজ্ঞান ধারা

গাণিতিক ধারাঃ
গাণিতিক অধ্যায়ে ফাংশন,যোগ , বিয়োগ, গুণ এবং ভাগের মত গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করা হয়। সমস্ত জটিল অপারেশনে উপরোক্ত অপারেশন ক্রমাগত ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
লজিক ধারাঃ
যুক্তিবিদ্যা বিভাগে যুক্তিবিদ্যা বিষয়ক ফাংশন যেমন , তুলনা নির্বাচন , মেলা এবং তথ্য, মার্জ হিসাবে লজিক অপারেশন সম্পাদন করা হয়ে থাকে।

 

কম্পিউটার মেমরি

একটি কম্পিউটার মেমরি একটি মানুষের মস্তিষ্কের মত। এটি তথ্য এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার মেমরি তে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করা হয়। যাকে কম্পিউটারে স্টোরেজ স্পেস বলা হয়।
মেমরি ছোট ছোট অসংখ্য অংশে ভাগ করা হয়েছে । প্রতিটি ভাগে কোষ বলা হয়। প্রতিটির অবস্থানের একটি অনন্য ঠিকানা আছে,যার শুরু শূন্য সেল থেকে মেমরি আকার বিয়োগ এক পরিবর্তিত করলে যা হয় তা।
উদাহরণস্বরূপ,কম্পিউটার 64K শব্দ আছে , তাহলে এই মেমরি ইউনিটে 64 * 1024 = 65536 মেমরি অবস্থান আছে। এই অবস্থানের ঠিকানা 0 থেকে 65535 পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়।
স্মৃতি প্রাথমিকভাবে তিন ধরনের হয় :
• ক্যাশ মেমরি(Cache Memory)
• প্রাথমিক স্মৃতি / মুখ্য মেমরি(Primary Memory/Main Memory)
• সেকেন্ডারি মেমরি(Secondary Memory)
ক্যাশ মেমরি(Cache Memory)
ক্যাশ মেমরি CPU-এর গতি বাড়াতে পারেন, যা সাধারণত একটি খুব উচ্চ গতির অর্ধপরিবাহী মেমরি। এটি CPU ও প্রধান মেমরির মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে।
এটি প্রোগ্রামের তথ্যের যে অংশ সবচেয়ে ঘন ঘন CPU-র দ্বারা ব্যবহৃত হয় সেই অংশ ধারন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তথ্য ও প্রোগ্রামের অংশ যা অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা ক্যাশ মেমরি ডিস্ক থেকে স্থানান্তরিত করা হয়, যেখান থেকে CPU তাদের অ্যাক্সেস করতে পারে।

সুবিধাঃ
• ক্যাশে মেমরি প্রধান মেমরি তুলনায় দ্রুততর।
• এটি প্রধান মেমরি তুলনায় কম সময়ে এক্সেস করতে পারে।
• এতে অল্প সময়ের মধ্যে কার্য নিষ্পন্ন করা যেতে পারে ।
• এটা অস্থায়ী ব্যবহারের জন্য তথ্য সঞ্চয় করে।
অসুবিধা :
• ক্যাশ মেমরির ক্ষমতা সীমিত।
• এটা খুবই ব্যয়বহুল।

Cache Memory

প্রাথমিক স্মৃতি/প্রধান স্মৃতিঃ( Primary Memory)
প্রাথমিক মেমরিতে ততটুকুই তথ্য এবং নির্দেশাবলী নিয়ে কাজ হয় যা কম্পিউটারে শুধুমাত্র বর্তমানে কাজ করছে । এটার ক্ষমতা সীমিত এবং সুইচ বন্ধ করা হলে তথ্য মুছে যায়।
সাধারণভাবে এটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি ডিভাইস। এর স্মৃতি রেজিসটার এর মত দ্রুত নয়। প্রক্রিয়া করা প্রয়োজন এমন তথ্য এবং নির্দেশাবলী আগে প্রধান মেমরিতে রক্ষিত করতে হয়। এটাকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, তা হল র‍্যাম ও রম।
প্রধান মেমরি (Main Memory) এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যঃ
• এর অর্ধপরিবাহী স্মৃতি আছে ।
• এটি প্রধান মেমরি হিসাবে পরিচিত।
• সাধারণত পরিবর্তনশীল মেমরি।
• সুইচ বন্ধ করা হলে ডাটা নষ্ট হয়ে যায়।
• এটি কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে কাজ করে।
• গৌণ বা মাধমিক স্মৃতি তুলনায় দ্রুত।
• একটি কম্পিউটার প্রাথমিক মেমরি ছাড়া চালানো যাবে না।

Ram

দ্বিতীয় শ্রেণীর স্মৃতি বা মাধ্যমিক স্মৃতিঃ(Secondary Memory)
এই ধরনের মেমরি, বহিরাগত মেমরি বা অপরিবর্তনশীল মেমরি হিসাবে পরিচিত । এটা প্রধান মেমরি তুলনায় মন্থর। এই স্থায়ীভাবে ডেটা / ইনফরমেশন জমা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CPU সরাসরি এই স্মৃতিতে প্রবেশ করে না, তার পরিবর্তে ইনপুট আউটপুটের মাধ্যমে স্মৃতিতে প্রবেশ করে। মাধ্যমিক স্মৃতির তথ্য গুলো প্রথমে প্রধান মেমরি স্থানান্তর করা হয় এবং তারপর CPU এটি ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডিস্ক , CD-ROM ডিভিডি , ইত্যাদি।
সেকেন্ডারি মেমরি বৈশিষ্ট্যঃ
• এর চৌম্বক এবং অপটিক্যাল স্মৃতি আছে ।
• এটি ব্যাকআপ মেমরি হিসাবে পরিচিত হয়।
• এটি অপরিবর্তনশীল মেমরি।
• পাওয়ার সুইচ বন্ধ হলেও, ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ হয়।
• এটি কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা সঞ্চয় করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• কমপিউটার মাধ্যমিক মেমরি (secondary memory ) ছাড়া চলতে পারে।
• প্রাথমিক স্মৃতি তুলনায় ধীর ।

Hard Disk

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কি?

একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একাধিক কম্পিউটার তথ্য এবং সম্পদ ভাগ করে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করা হয় যা একটি সিস্টেম হিসাবে পরিচিত।

বৈশিষ্ট্য
• এক কম্পিউটার থেকে অন্যটাতে তথ্য ভাগ করা যায়।
• ফাইল তৈরি এবং এক কম্পিউটারে তাদের সঞ্চয় এবং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত অন্যান্য কম্পিউটার (গুলি) থেকে ওই ফাইলগুলি ব্যবহার।
• নেটওয়ার্কের মধ্যে এক কম্পিউটারে একটি প্রিন্টার , স্ক্যানার বা একটি ফ্যাক্স মেশিন, নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে।
একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সেটআপ করার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এর তালিকা:
• নেটওয়ার্ক তার
• ডিসটিবিউটর
• রাউটার
• অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক কার্ড
• বাহ্যিক নেটওয়ার্ক কার্ড
নেটওয়ার্ক তারগুলিঃ
• নেটওয়ার্ক তারগুলি কম্পিউটারের সাথে সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় Category 5 cable RJ-45 তারটি।

Computer Network 2

ডিসটিবিউটর :
প্রতিটি কম্পিউটারকে একটি সিরিয়াল পোর্ট এর মাধ্যমে অন্য এক কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা যেতে পারে, কিন্তু আমরা একটি নেটওয়ার্ক তৈরিতে অনেক কম্পিউটার সংযোগ করার প্রয়োজন, ফলে এই সিরিয়াল সংযোগ কোন কাজ করবে না। সমাধানের জন্য একটি কেন্দ্রীয় অংশ ব্যবহার করতে হবে,যাতে অন্য কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার সংযুক্ত করা যাবে এবং তারপর ওই অংশ নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ও পরিচালনা বা বিতরণ করবে।

Computer Network 3

রাউটারঃ
• একটি রাউটার হল ডিভাইসের একটি টাইপ যা কোনো নেটওয়ার্কের অংশ হিসাবে কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে কেন্দ্রীয় পয়েন্ট হিসাবে কাজ করে।
• একটি রাউটার হোল বা গর্ত দিয়ে সজ্জিত করা হয় যাকে পোর্ট বলা হয়।
• কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসের নেটওয়ার্ক তার ব্যবহার করে একটি রাউটার সংযুক্ত করা হয়।
• আজকাল, রাউটার কম্পিউটারের কোনো ক্যাবল ছাড়াই সংযুক্ত করা যেতে পারে, যা ব্যবহার করে ওয়্যারলেস মোডের মধ্যে আসে।

Computer Network 4

নেটওয়ার্ক কার্ড:
• নেটওয়ার্ক কার্ড একটি কম্পিউটার প্রয়োজনীয় উপাদান যা ছাড়া একটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যাবে না।
• এছাড়াও নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার বা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ( NIC ) নামেও পরিচিত .
• ব্র্যান্ডেড কম্পিউটার অধিকাংশই নেটওয়ার্ক কার্ড প্রাক ইনস্টল করা থাকে।
• নেটওয়ার্ক কার্ডের দুই ধরনের হয়: অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নেটওয়ার্ক কার্ড।

ইন্টারনাল নেটওয়ার্ক কার্ড:
• মাদারবোর্ডে অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক কার্ডের জন্য স্লট থাকে।
• অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক কার্ডের দুই ধরনের হয় :
• প্রথম ধরনের পেরিফেরাল কম্পোনেন্ট ইন্টার-কানেকশন ( PCI ) সংযোগ ব্যবহার করে।
• দ্বিতীয় ধরনে ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড আরকিটেকচার ( ISA ) ব্যবহার করা হয়।
• নেটওয়ার্ক তারগুলি নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপনের জন্য প্রয়োজন হয়।

Lan Card

বাহ্যিক নেটওয়ার্ক কার্ড
• দুই ভাবে আসে : ওয়্যারলেস ও ইউএসবি।
• ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কার্ড মাদারবোর্ডের ঢোকানো হবে কিন্তু কোন নেটওয়ার্ক তার নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য প্রয়োজন নেই।

Computer Network 6

• ইউএসবি কার্ড USB পোর্টের মাধ্যমে সহজেই ব্যবহার এবং সংযুক্ত করা যায়।
• কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউএসবি কার্ড সনাক্ত করে, ইউএসবি নেটওয়ার্ক কার্ড সমর্থনের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইনস্টল করতে পারে।

Computer Network 7

 

IP address কি?

“IP Address” কি শব্দটি আপনি বহুবার শুনেছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। যতক্ষন পযন্ত আপনি না যানবেন IP Address কি, আসলে কিভাবে এটি কাজ করে থাকে বা আপনান যদি কোন আবছা ধারণা না থাকে। তবে চলুন জেনে নেই।
IP Address হলো আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির একটি অনন্য পণ্য,যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার (বা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস) এর সঙ্গে অন্য একটি ডিজিটাল ডিভাইস এর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। IP Addressদ্বারা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত কোটি কোটি ডিজিটাল ডিভাইস চিহ্নিত করে তাদের অবস্থান কোথায় তা বোঝা যায়। যেমন, কেউ যদি আপনাকে মেইল পাঠাতে চাইলে মেইল এড্রেস লাগবে একই অর্থে, একটি দূরবর্তী কম্পিউটার আপনার কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগের জন্য আপনার IP Address প্রয়োজন।

What-is-ip-address

“IP” হল ইন্টারনেটর প্রোটোকল, তাই একটি IP Address হল একটি ইন্টারনেট প্রটোকলের Address। এর অর্থ হল ইন্টারনেট প্রটোকল এড্রেস। অতএব একটি ইন্টারনেট প্রটোকল এড্রেস হল অনলাইনের মাধ্যমে দুটি ডিভাইসে সংযোগ স্থাপনের জন্য, দুটি ডিভাইসের গন্তব্য চিহ্নিত করে ডাটা আদান প্রদানের একটি মাধ্যম।

IP Address দেখতে কেমন?
একটি IP Address এর চারটি ডিজিট থাকে, প্রত্যেকটিতে ১ থেকে ৩ ডিজিট (যাদের একত্রে একটি সেট বলা হয়) থাকে, আর ডিজিটের সেটকে আলাদা করার জন্য একটি ডট(.) থাকে। চারটি নম্বরের প্রত্যেকটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত হতে পারে। এখানে একটি উদাহরণ দেখে নিই IP Address কেমন হতে পারে-78.125.0.209। এই চার সংখ্যার সুনিপন দক্ষতায় ফলে, আমারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই এক-অপরের সাথে সংযোগ, বার্তা আদান-প্রদান করা সহ আরো অনেক কিছুই খুব সহজেই করতে পারি। এই সাংখ্যিক প্রোটোকল ছাড়া, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ওয়েবের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা অসম্ভব।

কাজের ধরণ:
আইপি অ্যাড্রেস স্ট্যাটিক বা ডাইনামিক হতে পারে। স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস কখনো পরিবর্তন করা যায় না। স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস দূরবর্তী কম্পিউটারের সাথে আপনার যোগাযোগ করার জন্য একটি সহজ এবং নির্ভরযোগ্য পন্থা। অনেক ওয়েবসাইট যারা ইন্টারনেট ইউজারদের বিনামূল্যে IP address এর সন্ধান, পরিসেবা প্রদান করে থাকে। আপনি যদি আপনার নিজের IP Address সম্পর্কে জানতে চান, আপনি গুগলেসার্চ দিয়ে সনাক্ত করতে পারেন।

Dynamic ip Address:
Dynamic IP addresses অস্থায়ী এবং একটি কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। Static IP addresses সংখ্যায় কম হয়,কারণ অনেক ISPsরা্ এই সকল static IP Address থেকেই তাদের গ্রাহকদের মধ্যে এড্রেস শেয়ার করে দেয়। ফলে, কম খরচে বেশী গ্রাহককে সেবাপ্রদান করতে পারে।

Static ip Address:
যারা ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল) অনলাইন গেমিং, খুব সহজে অন্যান্য কম্পিউটারের ব্যবহারকারীদের সহজে চিহ্নিতকরণ এবং তাদের সাথে সংযোগস্থাপন করতে চান, তাদের Static IP Address ব্যবহার করা উত্তম। Dynamic IP Address এ Dynamic DNS service ব্যবহার করেও আপনি একটি অস্থায়ী বা one-time IP Address ব্যবহার করে অন্যান্য কম্পিউটারের ব্যবহারকারীদের সহজে চিহ্নিতকরণ এবং তাদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন। এই প্রায়ই একটি অতিরিক্ত চার্জ যাতে কেটে না নেয়, অবশ্যই ISP এর সাথে চেক করে নেবেন।

মনে রাখবেন
Static IP Addresses, Dynamic IP Addresses চেয়ে কিছুটা কম নিরাপদ বলে মনে করা, কেননা ডাটা মাইনিংয়ের ক্ষেত্রে এদের ট্র্যাক করা অনেক সহজ। সঠিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার/পরিচালনা করলে আপনি যে ধরনেরই IP Address ব্যবহার করেন না কেন আপনার কম্পিউটার/অন্যান্য যে কোন ডিভাইসের নিরাপত্তা বা অন্য কোন সমস্যা হবার সম্ভাবনা থাকেনা।

তারা ডেটা মাইনিং উদ্দেশ্যে ট্র্যাক সহজ যেহেতু স্ট্যাটিক আইপি ঠিকানা, গতিশীল IP ঠিকানা চেয়ে কিছুটা কম নিরাপদ বলে মনে করা হয়.তবে, নিরাপদ ইন্টারনেট চর্চা নিম্নলিখিত এই সম্ভাব্য সমস্যা প্রশমিত সাহায্য করতে পারেন এবং সেটা ব্যাপার নয় আপনি ব্যবহার মোকাবেলার আইপি কি ধরনের আপনার কম্পিউটার নিরাপদ রাখা.

মোঃ মাহমুদুল হাসান ( কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার সহযোগী প্রযোজক, দেশ টেলিভিশন লিমিটেড )
মোঃ মাহমুদুল হাসান ( কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার সহযোগী প্রযোজক, দেশ টেলিভিশন লিমিটেড )