YouTube ভিডিও বানাতে কি কি প্রয়োজন হবে

ইদানিং YouTube নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। অনেকই নিজেকে তুলে ধরছেন ইউটিউবে তবে যেহেতু এখানে ভিডিও একটি বিরাট বিষয় তাই ভিডিও এবং অডিও কোয়ালিটি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। তাই এই ভিডিওটিতে বোঝানো হয়েছে আমাদের একটি কোয়ালিটি ভিডিও বানাতে কি কি লাগে এবং তার দাম কেমন হতে পারে।

https://www.youtube.com/watch?v=E5yI3E0K4GU&t=1s

ডিজিটাল ডিভাইস চুরি !!! মোবাইল ফোনটি যখন বিপদ

আসলেই বিষয়টি ভিশন রকম দু:চিন্তার। আপনার হাতে যে মোবাইল ফোনটি বা ডিজিটাল ডিভাইস টি রয়েছে সেটা ব্যবহার করা যেমন সহজ সেটার জন্য বিপদে পড়াটাও খুব সহজ। চলুন এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করি ।
আমরা অনেকেই মোবাইল ফোন পুরানো হলে বেচে দেই কিন্তু আমরা যার কাছে বিক্রি করছি তিনি কে ? তিনি যদি কোন সন্ত্রাসী কাজে এই মোবাইল ব্যবহার করে তাহলে তার দায় নিতে হবে আপনাকে । কারন আপনি যখন মোবাইলটি ব্যবহার করেছেন তখন মোবাইল কোম্পানি আপনার সিমের মাধ্যমে ip address / IMEI Number টি নিয়ে নিচ্ছে। তাই যিনি কিনলেন তিনি যদি এই সেট ব্যবহার করে কোন অপরাধ করে তাহলে পুলিশ ধরবে আপনাকে। তাই ফোন সেট বিক্র করার সময় ক্রেতা সর্ম্পকে জেনে নিন এবং তার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে রাখুন। পুরানো মোবাইল কেনার সময়ও এনআইডি সংগ্রহ করুন । কারন যদি বিক্রেতা আগে কোন অপরাধ করে থাকে বা চুরি করা মোবাইল হয় তাহলে বিপদটা হবে আপনার।

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি চুরি হয় ??? তাহলে দেরি করবেন না সাথে সাথে যে কারো মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক, ই-মেইল থেকে লগ আউট করে ফেলুন এবং Password পালটে ফেলুন। তারপর থানায় যেয়ে একটা সাধারন ডায়েরি করুন, মনে করে সেই IMEA নাম্বারটা উল্লেখ করবেন ডায়েরিতে। তাই মোবাইল কেনার সময় দোকান থেকে যে রসিদটা দেয়া হয় সেটা হারাবেন না।

এবার আসি মোবাইল ফোন নস্ট হলে আমরা কি করি ??? দোকানে নিয়ে যাই এবং ঠিক করে নিয়ে আসি, তাই না ??? কিন্তু এর মাঝে কি কি হয় আমরা জানি না। আমরা অনেকেই অনেক ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে সংরক্ষণ করি কিন্তু যিনি মোবাইলটা ঠিক করছেন তিনি চাইলেই এই ছবি, ভিডিওগুলো কপি করতে পারে এবং ইচ্ছা মত ব্যবহার করতে পারে এবং এমন কিছু ঘটনা ঘটেছেও । ইন্টারনেটে এমন ভুরি ভুরি ছবি আছে যা কিনা ইচ্ছাকৃত দেয়া হয়নি, এভাবেই না জেনে বেহাত হয়েছে । কিন্তু বহু মানুষের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে এই সাধারন ভুলটির জন্য। তাই আমরা যখন ফোন সেটটি কোথাও ঠিক করতে দেব তখন সেটার ম্যামরি কার্ডটি রেখে দেব । সেট ঠিক করতে ম্যামরি কার্ড প্রয়োজন হয় না। তবে যদি সেট চুরি হয় তখনতো ম্যামরি কার্ড সহই চোর নিয়ে যাবে । তাই একমাত্র উপায় আমাদের এই ধরনের ব্যক্তিগত ছবি মোবাইল না রাখাই ভালো।

ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটারের বেলায়েও এগুলো ফলো করতে হবে আমাদের। IMEI ( International Mobile Equipment Identity) অথবা ip address (Internet Protocol address) সর্ম্পকে একেবারে ছোট এবং সাধারন করে বলি । এগুলো মাধ্যমে আপনার পরিচয়, ঠিকানা এবং আপনি কখন ফোন বা ইন্টারনেট চালিয়েছেন সেটা খুব সমজেই বোঝা যায়। ip address (Internet Protocol address)  সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে  ip address (Internet Protocol address)

 

পেশা শুধু বেচে থাকার জন্য নয়, পেশা হতে হবে উপভোগ্য এবং সৃজনশীল

এখানে সেই সব বিষয় নিয়েই বেশি আলাপ হয় যা আমাদের দেশে খুব একটা প্রচলিত আলাপের বিষয় নয়, কিন্তু এদেশের বাইরে এর যথেষ্ঠ কদর রয়েছে। যেমন আমাদের দেশে চলচ্চিত্র নিয়ে তেমন কেউ ভাবে না, কিন্তু আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে রিলিজ হবার প্রথম দিনেই ৩০ কোটি টাকার রেকর্ড করে। ওটা কি শিল্প নাকি ব্যবসা ?

আবার ধরুণ তেল রং দিয়ে আঁকা একটি পেইন্টিংয়ের কদর বোঝার মানুষ এদেশে কজন রয়েছেন সেটা গ্যালারির দিকে একটু চোখ দিলেই বোঝা যায়, কিন্তু প্যারিসে ওই একই পেইন্টিং কত টাকায় বিক্রি হয় ?

আমাদের দেশে কারিগরী কাজ যারা করছেন তারা শুধুমাত্র কারিগর। আর অন্য দেশের কারিগরেরাই পথের পাঁচালি, ফেসবুক, ক্যামেরা আবার গুগল বানিয়ে ফেলছে। আমরা কোন ইতিহাস তৈারী করতে চাইনা আমরা অনেকগুলো ইতিহাস জুরেদিতে চাই সবার জন্য জন্য । ইতিহাস তৈারি করবে এ দেশের তরুনরা !!! তাই পরিস্কার ভাবেই বলতে চাই দলছুট নয় দলেই থাকুন প্রযুক্তি, শিল্প এবং কারিগরী বিষয়ের সাথেই থাকুন। সে সব বিষয় এবং প্রযুক্তি সম্প্রিক্ত বিষয় গুলো নিয়েই কাজ করছে এবং করবে clickntech.com। তাই আমাদের সাথেই থাকুন

যাদের লেখাটি পড়তে ভাল লাগছেনা তারা নিচের ভিডিওটি দেখে ফেলুন, লাইক দিন আর সটাং করে শেয়ার করে দিন।

 

 

জার্মানিতে রয়েছে Graphic Designing এবং Video Editing এ পড়াশুনার সুযোগ

জার্মানিতে যতগুলো বিষয়ে উচ্চ শিক্ষায় পড়তে আসা যায় তাদের মধ্যে পড়াশুনার শেষে অন্যতম সেরা সুযোগ সুবিধা মনে হয় Game Designing বা Graphic Designing বা Video Editing রিলেটেড বিষয়ে যারা পড়াশুনা করে। এখানে আজ আমি উল্লেখ করবো এসব রিলেটেড বিষয়ে জার্মানির কোথায় কোথায় ব্যাচেলর করার সুযোগ আছে। বাংলাদেশ থেকে Graphics Designer বা Video Editor বা Creative যে কোন ডিজাইনাররা আবেদন করতে পারবেন। আমার নিচের দেয়া সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কোন টিউশন ফিস লাগবে না। আর সকল বিষয়গুলি সম্পূর্ণ ইংরেজিতে পড়ানো হয়। তাই জার্মান ভাষা লাগবে না।

১। Darmstadt University of Applied Sciences এর অধীনে খুবই ভালো কোর্স হল BA Animation & Game। বিজ্ঞান ছাড়াও যে কোনো ডিসিপ্লিন থেকে এই কোর্সে ব্যাচেলর করার জন্য আবেদন করা যায়। কোর্স নিয়ে বিস্তারিত পাবেন
https://ag.mediencampus.h-da.de/

২। BA Digital Games কোর্সে আপনারা আবেদন করতে পারেন। এই কোর্স TH Köln (University of Applied Sciences) অধীনে। এতেও যে কোনো ডিসিপ্লিন থেকে ব্যাচেলর করার জন্য আবেদন করা যায়।
বিশদ বৃত্তান্ত পাবেন
http://www.colognegamelab.de/study/digital-games-ba/

৩। ভিডিও এডিটিং বা Graphics Designer দের জন্য আরেকটি সেরা কোর্স।bachelor in Digital Media যা Leuphana University Lüneburg এর অধীনে। যে কোনো ডিসিপ্লিন থেকে আবেদন করা যায়।
http://www.leuphana.de/…/college/bachelor/digital-media.html

৪। খুবই ভালো আরেকটি কোর্সের নাম Information and Communication Design। যা Rhine-Waal University of Applied Sciences এর অধীনে পড়ানো হয়। আবেদন করতে পারবে যে কোন ডিসিপ্লিন থেকে। আবেদনের বিস্তারিত
https://www.hochschule-rhein-waal.de/…/ba…/information-and-2

লেখাটি নেয়া হয়েছে : Bangladeshi Student Forum Germany ফেসবুক গ্রপ থেকে

https://www.youtube.com/watch?v=9Fr3T_frY4w&t=62s

ফটোগ্রাফি শেখা নিয়ে প্রথম লাইভ ক্লাস করলো clickntech.com

যে কোন মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা দিয়ে ছবি কিভাবে আকর্ষণীয় করা যায়। এই বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে প্রথম ২৯ তারিখ লাইভ ক্লাস করলো clickntech.com এ। ফটোগ্রাফি বিষয়টিকে খুবই সহজ ভাবে বোঝানো হয়েছে এখানে। সার্বিক সহযোগিতা করেছে বাংলালিংক । সম্পূর্ণ প্রফেশনালদের দ্বারা পরিচালিত প্লাটফর্মটির সাথেই থাকুন ।

এই লাইভ ক্লাসটিতে আপনি শিখতে পারবেন।
ফটোগ্রাফির বেসিক
একটা প্রফেশনাল ক্যামেরার যত্ন
প্রফেশনালদের মাসিক আয় এবং সুযোগ শুবিধা কেমন
বাংলাদেশে ফটোগ্রাফি শিখে আউটসোর্সিং করার কি ব্যবস্থা
এছাড়াও নিচের বিষয়গুলো নিয়েও রয়েছে আলোচনা
দি রুলস অফ থার্ডস
লিডিং লাইনস
ডায়াজোনাল লাইনস
ফ্রেমিং
ফিগারস ভার্সেস ব্যাকগ্রাউন্ড
ফিল দা ফ্রেম
ডোমিন্যান্ট আইস
প্যাটার্নস এন্ড রিপিটেশন
সিমেট্রি

তাই দেরি না করে শেয়ার করুন ।

আমাদের প্লাটফর্মটি দেখুন http://store.clickntech.com/
clickNtech.com এ সাবস্ক্রাইব করুন এবং আমাদের প্লাটফর্মটি সর্ম্পকে জানুন।
ইউটিউব চ্যানেলটি দেখতে ক্লিক করুন https://www.youtube.com/channel/UCs4GfhSGFHCfE4EVrLq3QYg
ফেসকুবে সাথে থাকতে লাইক দিন https://www.facebook.com/clickntech/

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং কি ?

মার্কেটিং হচ্ছে যে কোন পণ্য অথবা সার্ভিস এর প্রচার প্রচারনা করে ওই পণ্যের ক্রেতা তৈরি করা। ঠিক এই জিনিসটিই অনলাইনে করলে সেটাকে বলা হয় “ডিজিটাল মার্কেটিং” বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে খুব দ্রুত এবং কম খরচে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার উপায়।

যখন “ডিজিটাল মার্কেটিং” ব্যাবহার করে নিজের কোন পন্য অথবা সার্ভিস বিক্রি বা প্রমোশন করলে সেটাকে বলা হয় ইন্টারনেট মার্কেটিং, আর যখন যখন “ডিজিটাল মার্কেটিং” ব্যবহার করে অন্য কারও পন্য অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করলে সেটাকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাত, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে, অন্য কারো কোন পন্য অথবা সার্ভিস কমিশনের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া অথবা লিড পাইয়ে দেওয়া। বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস আছে যারা ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল প্রডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের প্রমোশনের মাধ্যমে তাদের পণ্য বিক্রি করার সুযোগ করে দেয়। সহজ ভাবে বলা যায়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি জিনিস যার মাধ্যমে প্রথমত আপনি কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা প্রমোট করবেন। এখন কোন ক্রেতা যদি আপনার দেয়া অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে ঐ পণ্য বা সেবা কেনেন, তাহলে আপনি একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন।
আর এই কমিশন আপনার কাছে পৌছে দেবে মার্চেন্ট অর্থাৎ যার পণ্য বিক্রি করছেন তিনি ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এক এক জন এক এক ভাবে করে থাকেন। প্রডাক্ট, টার্গেট মার্কেট এবং প্রমোশন স্ট্রেটেজির উপর ভিত্তি করে একেক জনের একেক ধরন থাকে। কেউ কেউ ডিরেক্ট পণ্য প্রমোট করে আবার কেউ কেউ রিভিউ বেসড ওয়েবসাইট তৈরি করে আবার অনেকে শুধু প্রডাক্টের ল্যান্ডিং পেজ তৈরি প্রমোট করে থাকে। তাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলেই প্রথমেই অনেক কিছু জানতে হবে। যেমন, কোন প্রডাক্ট বাছাই করবো, কেন বাছাই করবো? এই প্রডাক্ট গুলো কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে এবং  কিভাবে প্রমোট করতে হবে ইত্যাদি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে কিছু কিছু জিনিস জানতে হবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নিশ নির্বাচন, প্রোডাক্ট রিসার্স, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, কিওয়ার্ড রিসার্স, কন্টেন্ট তৈরি করা, ওয়েব সাইট তৈরির যাবতীয় ধারনা, ল্যান্ডিং পেজ বানানো, ইমেইল লিস্ট বানানো, লিংক বিল্ডিং, পেইড মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ইত্যাদি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অন্যতম মার্কেট প্লেস হচ্ছে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, ক্লিক ব্যাংক, সিপিএ এম্পায়ার, শেয়ার এ সেল, কমিশন জাংশন ইত্যাদি।

https://www.youtube.com/watch?v=BCqemnh_5m8

ই-লার্নিং কি ? শ্রেণীকক্ষ নাকি শিক্ষার্থী ?

স্কুল বলতেই সারি সারি শ্রেণীকক্ষ, ব্ল্যাকবোর্ড এবং এক রুম ভর্তি শিক্ষার্থী  আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে প্রযুক্তির যে বিকাশ তা ছুঁয়ে গিয়েছে শিক্ষা-ব্যবস্থাকেও আর তাতে করে আমাদের এই চিরপরিচিত রূপটা পালটে গিয়েছে অনেকখানি।

ইলেকট্রনিকস প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থাকে বলা হয় ইলেকট্রনিক লার্নিং বা সংক্ষেপে ই-লার্নিং। রেডিও থেকে মোবাইল অ্যাপস পর্যন্ত সবই ই-লার্নিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। ই-লার্নিং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অনেক জনপ্রিয়। ই-লার্নিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী তার প্রয়োজন মত একই  ডিজিটাল কনটেন্ট  বা ভিডিও ক্লিপ, ইচ্ছেমতো বারবার ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে। ভিডিও কনফারেন্সিং আবিষ্কারের পরে এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে আলাদা আলাদা জায়গায় থেকেও সরাসরি কথা বলতে পারছে। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে স্মার্টফোনভিত্তিক অ্যাপস। ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত আগামী এক দশক শিক্ষাক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য করবে মোবাইল অ্যাপস।

একসময় ফ্লপি ডিক্স বা সিডি দিয়েও শিক্ষা উপকরণের আদান-প্রদান হয়েছে। সেটাকেও ই-লার্নিং বলা চলে। আজকাল ইন্টারনেটের বদৌলতে ই-লার্নিং ব্যাপারটা সবার কাছেই সুপরিচিত এবং এই ইন্টারনেট ই-লার্নিং এর সবচাইতে বড় অনুষঙ্গ।

ই-লার্নিং এর সবচাইতে মজার ব্যাপারটি হলো এই যে ক্লাস করার জন্য আমাকে ক্লাসরুমে থাকতে হবেনা। ইচ্ছে হলেই বাসার বিছানায় শুয়ে দেখে নিচ্ছি গেম থিওরির বর্ননা,তাও আবার পৃথিবী-খ্যাত কোন প্রফেসরের কাছ থেকে।

শিক্ষার এই আধুনিকীকরণ শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু সত্যি বলতে কি কম্পিউটার এসে যে বিপ্লব শুরু করেছিল সেই বিপ্লবের সঠিক চিত্রটা বোঝা গিয়েছে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ছড়িয়ে পরার পর। আজকের এই ই-লার্নিং ব্যবস্থা পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে ইন্টারনেটের উপর ভিত্তি করে। শুধু কি তাই, এখনকার দিনে আর কম্পিউটার লাগছে না যদি হাতে একটা স্মার্ট-ফোন থাকে ইন্টারনেট কানেকশন সহ। প্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষা প্রদানটাও তুলনামূলক অনেক সহজ কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু ইউটিউবেই যে কত হাজার হাজার বিষয় শেখার ইন্টার-একটিভ ভিডিও আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। আর নতুন কোর্স বা নতুন ভিডিওর খবর জানাতে সোশ্যাল মিডিয়া, ইনস্ট্যান্ট মেসেঞ্জার – গুলো তো আছেই। কাজেই পিছিয়ে পরার প্রশ্নই ওঠে না।

ই-লার্নিং এর কোর্সগুলোর আরেকটা বড় সুবিধা হল এরা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলে । শিক্ষা বা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিদিনই নিত্য নতুন পরিবর্তন ঘটেই চলছে আর তার ছোঁয়া ঠিকই পাওয়া যায় ই-লার্নিং এ। এছাড়াও যে বিষয়ে শিখছি তার একেবারে নতুন থেকে নতুনতর বিভিন্ন দিকের ব্যাপারেও জানা যায় ই-লার্নিং এর মাধ্যমে। এ কারণে আজকাল কিন্তু বিদেশে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্যে ই-লার্নিং পন্থাই ব্যবহার করছে।

সম্পূর্ণ ফ্রি ই-লার্নিং কোর্স যেমন আছে তেমনি বাণিজ্যিক ই-লার্নিং কোর্স ও রয়েছে। আবার অনেক ই-লার্নিং কোর্স আছে শিখতে কোন খরচ লাগবে না কিন্তু সার্টিফিকেট নিতে অল্প কিছু খরচ বহন করতে হয়। যে ভাবেই হোক না কেন, এমনকি বাণিজ্যিক ই-লার্নিং কোর্সগুলোও আমাদের আর দশটা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় অনেক কম খরচের। আর এতে করে শিক্ষা, যা কিনা একটি মৌলিক অধিকার, আজ যারা অবহেলিত-বঞ্চিত তাদের সহ সকলের নিকটই সম্ভাবনার এক নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে।

বাড়ীতে বসেই শিখে নিন ( ভিডিওপিডিয়া )

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ১

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ২
নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স / উপরের ডিজাইনগুলো কাজের সৃজনশীলতা বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো থেকে নতুন কোনো নকশার তালিকা গঠন করার পদ্ধতি আবিষ্কার করা যাবে। যা আমাদের কাজের চিন্তাধারা বা ধারণার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে। কেউ যদি এ উদাহরণগুলো নিয়ে গবেষণা করে তাহলে Graphic Design Resource Sheets থেকে অন্য চিহ্ন পাবে যা বিনামুল্যে ব্যবহার করা যায়। আর এটা আপনাদেরকে গ্রাফিক্সের ব্যাপারে নতুন কিছু আবিস্কার করতে সাহায্য করবে।

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৩

চিহ্ন-১

নমুনা তৈরি করা:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স 8

স্নোফ্লেক্সের মতো সামঞ্জস্য আকারের চিহ্নগুলো আরো চিহ্ন তৈরি করার জন্য উপযুক্ত। এইগুলো নিজেদের মধ্যে টালির মতো মানানসই হয়ে বসে যায়। এখন আমরা দেখবো যে কিভাবে একটি লুকানো কিউব অথবা বক্স উপরের ডান পাশের নকশার মাঝখানে তৈরি হয়। প্রায়ই নকশার মধ্য নকশা আবিষ্কার করা হয়। একজন ভালো ডিজাইনার নকশা তৈরির সময় সম্ভাব্য সব বিষয় ও বস্তুর দিকে খেয়াল রাখবে।
কমই বেশি?:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৫

এই বড় দিনের কার্ডটির নকশা চিহ্ন তৈরি করাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। যেকোনো প্রকারেই হোক গ্রাফিক্স ডিজাইনে সাধারণত কমটাকেই বেশি ধরা হয়। তাই সহজ চিন্তাধারাগুলোই সবসময় পুরস্কৃত করা হয়।
ছবি ও এর প্রকারভেদ শৃঙ্খলাবদ্ধ করা:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৬

নকশাটির ঠিক মাঝখানে যেই কিউব বা বক্সটি লুকানো রয়েছে সেটা এই নকশাটিকে পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করার আভাস দেয়। আর এটি একটি রেফ্রিজারেশন কোম্পানির চিহ্ন “দ্য আইস বক্স”।
যে কোনো নকশার ক্ষেত্রেই ছবি ও এর প্রকারভেদের সম্পর্ক থাকাটা খুবই জরুরি এবং তাদেরকে একসঙ্গে সংযুক্ত করার অনেক উপায় আছে। “এরিয়াল ব্লাক” ফন্টকে এই নকশার জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল কারণ এই ফন্টের প্রশস্ততা ছবির লাইনের প্রশস্ততার সঙ্গে মানানসই হয়। ত্রিভুজাকার শৃঙ্খলাবদ্ধতা এবং এর অবস্থানও আমাদেরকে জানান দেয় যে এই নকশাটির গঠনের সঙ্গে স্নোফ্লেক্সের গঠন প্রতিচ্ছবি রয়েছে।
“দ্য আইস বক্স” এর ধারণাকে প্রাথমিক পর্যায় থেকে আরো মিলিত নকশায় রুপান্তরিত করার জন্য এখন আরো বাড়তি চিন্তাধারার দরকার রয়েছে।

 

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৭

তিনটি “আইসি ব্লু” প্রকৃতির রং এই নকশাটির তিনটি ক্ষেত্রের উপর জোর দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এই একই রঙগুলো আবার ছবি এবং ফন্টের সংযুক্ততাকে আরো শক্তিশালী করে।

নকশা তৈরি করা:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৮

ট্রায়াল অ্যান্ড এরর পদ্ধতিটি গ্রাফিক্সের কাজ করার ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য পদ্ধতি। এতে কালো সীমারেখাকে সিগ্রিন ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। এতে ছবিটির সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে এবং লুকানো বক্সটির ক্ষতি করেছে।

নকশা উন্নীত করা:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ৯

নকশাটি সৌন্দর্য্য বাড়াতে গিয়ে এতে বিন্দুমাত্র ছায়া ব্যবহার করা হয়েছে। যাতে ছবিটিকে আরো দৃশ্যমান হয়। আর এ কৌশলটি খুব ভালোভাবেই কাজ করেছে এবং ছবিটিকে আরো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে।

নকশা চুড়ান্ত করা:

নকশা ও কম্পোজিশন টেকনিক্স ১০

ছায়া ব্যবহার করাতে ছবিটি নাটকীয়ভাবে আরো বেশি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। তবে পেছনের অংশটির অপ্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তার রঙ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অবশেষে এই নমুনাটি বদল করে শুধু একটি রং ব্যবহার করা হয়েছে যাতে করে নকশাটি আরো ভালোভাবে ফুটে ওঠে। ডিজাইনটির ছায়াও সরিয়ে ফেলা হয়েছে যাতে করে নকশাটি আরো পরিপূর্ণভাবে ফুটে উঠে।
অন্য গ্রাফিক্স নকশার মত “দ্য আইস বক্স” এর ফলও ট্রায়াল অ্যান্ড এরর পদ্ধতিতে উৎপাদিত। যেখানে ভুলগুলো একটি প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে।

লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)
লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)

নকশা

নকশা এমন এক জিনিস যা আমাদের কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেয়। একজন নকশাকার তার কারুকাজ দ্বারা নিজস্ব চিন্তাধারাকে বিশদাকারে ব্যাখ্যা করে। নকশার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্রমবর্ধমান চিন্তাধারা, কৌশল এবং সৃজনশীল দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে পারি। ফলে একজন ডিজাইনার যখন কোনো নকশা তৈরি করবে তখন তার উচিত নিজস্ব স্বত্তাকে জাগিয়ে পুরোপুরি কাজে মনোনিবেশ করা। তবেই সে তার কল্পনাকে বাস্তবসম্মত করে তুলতে পারবে।
পুনঃনিদর্শন

পুনঃনিদর্শন

প্রকৃতির নিদর্শন

প্রকৃতির নিদর্শন

কল্পনা দ্বারা নিদর্শন
কিভাবে পুনঃনিদর্শন নকশা তৈরি করা হয় এ বিষয়ে অবগত হওয়া একজন ডিজাইনারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি পুনঃনিদর্শন মোটামুটি সব জায়গায় দেখা যায়। কিন্তু যেকোনো নকশা তৈরির ক্ষেত্রে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং আমাদের সংস্কৃতির সম্মুখীন হতে হয়। এ ধরনের নকশা আমরা সাধারণত টাইলিং, ওয়ালপেপার, টেক্সটাইলস, র‌্যাপিং এবং প্যাকেজিং-এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকি।
এছাড়াও আমরা বিভিন্ন সাইনবোর্ডের ব্যাক গ্রাউন্ড ও জুয়েলারিতে নকশা করে থাকি। এ ধরনের নকশা সাধারণত একটু বড় পরিসরে করা হয়। সম্প্রতি এ নকশাগুলো আমরা কম্পিউটারে করে থাকি। এতে কাজগুলো নিখুঁতভাবে দ্রুত করা যায়। তবে যদি আমরা ইতিহাসে চোখ রাখি তাহলে দেখবো তখন এ নকশা মানুষ হাতে করতো।

রঙের ব্যাখ্যা

রঙের ব্যাখ্যা

কালার থিউরি

কালার থিউরি

রঙের সীমাবদ্ধতা

রঙের সীমাবদ্ধতা

কালার থিউরি কুইজ

 

এখানে কালার থিউরি দ্বারা আমরা রঙের যে ব্যবহার শেখাবো তা মূলত চিত্রশিল্পী বা নকশাকাররা ব্যবহার করে থাকে। আর কোন রঙ কোথায় ব্যবহার করা হবে তা বুঝতে পারলেই একজন শিল্পী তার একটি কল্পিত নকশাকে সহজেই বাস্তবে রূপ দিতে পারবে।

লোগো

লোগো

লগো টাইপের নকশা (Designing a Logotype)

লগো টাইপের নকশা (Designing a Logotype)

ছাপখানায় মুদ্রণের কৌশল (the art of typography)

ছাপখানায় মুদ্রণের কৌশল

ডিজাইন অ্যা লোগোটাইপ দ্বারা আমরা বিভিন্ন ধরনের মজাদার লোগো বানানোর কৌশল শিখতে পারবো। লোগো কতটা কার্যকরী হবে তা আমরা দ্য আর্ট অব টিপোগ্রাফি মাধ্যমে শিখতে পারবো।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের আইডিয়া কিভাবে সম্প্রসারিত হয়?

গ্রাফিক্স ডিজাইনের আইডিয়া কিভাবে সম্প্রসারিত হয়?

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কৌশল

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কৌশল

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কৌশল

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কৌশল
গণনা করা

কম্পোজিশন টেকনিক্স দ্বারা গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরির নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারবো। অর্থাৎ উপরে যে কৌশলগুলো উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন তৈরির উপযুক্ত নিয়ম সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাবে।

 

অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)
লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)

রং এর সংকেত

রং সবসময় তার নিদর্শন শক্তির জন্যই সুপরিচিত। বোঝার ক্ষমতা ও বিশ্লেষণ করাই রংকে সময়ের সাথে সাথে তাল মেলাতে এবং বিভিন্ন দেশ ও সাংস্কৃতিক পর্যায়ে পৌঁছাতেও সাহায্য করেছে। রং দিয়ে সুখ, ভালবাসা এমনকি কস্টকেও ফুটিয়ে তুলেছেন অনেক শিল্পী। তাই কিছু ছবিতে রং এর ব্যবহার তুলে ধরার চেস্টা করা হল। আসা করি কাজে আসবে ।

লাল

পল গাউগুইন(১৮৪৮-১৯০৩) “ভিশন আফটার দি সারমন”১৮৮৮(অয়েল অন ক্যানভাস)
পল গাউগুইন(১৮৪৮-১৯০৩)
“ভিশন আফটার দি সারমন”১৮৮৮(অয়েল অন ক্যানভাস)

আগুন ও রক্তের সাথে সব সময় লাল এর সম্পর্ক। বিপদ, ক্রোধ এবং নিষ্ঠুরতা বোঝানোর জন্যও লাল রং ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও লাল রং হৃদয়, ভালবাসা এবং উত্তেজনাকে বোঝায়।

কমলা

মার্ক রথকো(১৯০৩-১৯৭০) “কমলা এবং হলুদ”১৯৫৬(অয়েল অন ক্যানভাস)
মার্ক রথকো(১৯০৩-১৯৭০)
“কমলা এবং হলুদ”১৯৫৬(অয়েল অন ক্যানভাস)

কমলা রং সৃজনশীলতা, বদল, শক্তি এবং ধৈর্যকে বোঝায়। কমলা রং শর‌‌‍‍ৎ‌‌কালকেও বোঝায়। অপ্রধান রং হওয়ার জন্য এটি রংয়ের মূল পদার্থগুলোকে একত্র করে। কমলা লাল রংয়ের শক্তি ও হলুদের উল্লাস হিসেবেও আত্মপ্রকাশ ঘটায়।

হলুদ

ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ(১৮৫৩-১৮৯০) “সূর্যমূখী”১৮৮৯(অয়েল অন ক্যানভাস)
ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ(১৮৫৩-১৮৯০)
“সূর্যমূখী”১৮৮৯(অয়েল অন ক্যানভাস)

হলুদ হচ্ছে সূর্যের রং, আমাদের গ্রহের অবলম্বন। এটি মূলত প্রাণ, শক্তি, আনন্দ, ভরসা, আশা এবং আত্মজ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ। এ রংটি বন্ধুত্বের ও প্রতীক।

সবুজ

পল সেজান্নে(১৮৩৯-১৯০৬) “দি ব্রাইড এট মাইনেসি”১৮৩৯(অয়েল অন ক্যানভাস)
পল সেজান্নে(১৮৩৯-১৯০৬)
“দি ব্রাইড এট মাইনেসি”১৮৩৯(অয়েল অন ক্যানভাস)

সবুজ হচ্ছে মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী রং। সবুজ বলতে আমরা মূলত প্রকৃতি যেমন গাছপালা, পাতার রংকে বুঝে থাকি। মাঝে মাঝে এটি কিছু নেতিবাচক (হিংসা, অনভিজ্ঞতা) বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরে।

নীল

জেম্’স ম্যাকনেইল রিস্টলার(১৮৩৪-১৯০৩) “নকটার্ণ,ব্লু এন্ড সিলভার :চেলসি,”১৮৭১ (অয়েল অন উড)
জেম্’স ম্যাকনেইল রিস্টলার(১৮৩৪-১৯০৩)
“নকটার্ণ,ব্লু এন্ড সিলভার :চেলসি,”১৮৭১ (অয়েল অন উড)

নীল হচ্ছে সবচেয়ে স্থির এবং উদাসীন রং। আকাশের রং হিসেবে এটি স্বর্গ প্রতিনিধি হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। শাস্ত্রীয় পুরাণে নীলকে দেবতার রং হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

কালো

RANG ER SONGKET 06

কালো রং দ্বারা মূলত আমরা অন্ধকারাচ্ছন্ন বুঝি। এটি মৃত্যু, মন্দ, জাদুবিদ্যা, ভয় এবং শোকের রং হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। দুঃখ ও পীড়াদায়ক বিষয়ের জন্য কালো একটি যথাযথ রঙ।

সাদা

RANG ER SONGKET 07

সাদা রং শান্তি, বিশুদ্ধতা এবং ধার্মিকতার প্রতিনিধিত্বতে ব্যবহৃত হয়।

লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)
লিখেছেন: অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)