ফেসবুকে ২টি পেজ Marge করুন

আপনি যদি ২টি পেজের Admin না হন,তাহলে আপনি পেজ ২টি একসাথে Marge করতে পারবেন না। তো ২টি পেজের যখন আপনি Adminথাকবেন তখন আপনি কিভাবে পেজটা Marge করবেন সেটা আজ আমি দেখাচ্ছি। প্রথমে আপনি যে পেজটা রাখবেন সে পেজটার ভিতরে যাবো। আমি এখন দেখাচ্ছি আমার ২টি পেজ ছিল। একটি পেজ এটাতে ১৩০০০ লাইক ছিল এবং আমার আগে একটি পেজ খোলা হয়েছিল সেটাতে প্রায় ১০০০ এর উপর লাইক ছিল। প্রথমে আপনি যেই পেজটি রাখতে চান,সেই পেজটার ভিতরে যাবেন এবং সেখান থেকে যাবেন সেটিংসে।

সেটিংসে আসার পর সেখান থেকে General এ সিলেক্ট করতে হবে। এরপরে আপনি নিচে একটি অপশন পাবেন সেটা হচ্ছে Page Marge. Page Marge এ ক্লিক করবেন এবং এখানে Marge Page যেখানে আমরা Marge DuplicatePages মার্কটি দেখতে পাচ্ছি সেখানে ক্লিক করবো। এখানে আপনাকে সেলেকশন করে দিতে হবে আপনি কোন পেজটি Marge করতে চান। আমরা উপরে যেই পেজটির সাথে Add করতে চাই সেই পেজটি আমরা সেলেক্ট করবো এবং নিচে যে পেজটি আমরা ভেঙ্গে ফেলতে চাই সেটা সেলেক্ট করবো। দেখুন আমি এখানে ১৩০০০ এর যে পেজটি সেটা আমি সেলেক্ট করেছি এবং এখানে ১০০০ যে পেজটি সেটা আমি নিজে সেলেক্ট করেছি। আমি চাচ্ছি ১৩০০০ এর ভেতর ১০০০ আরো যুক্ত হোক।এই অবস্থায় আপনি Continue বাটনে ক্লিক করবেন এবং আমাকে এই Notificationটা এই জন্য দেখাচ্ছে, যেহেতু আমি এটা অলরেডি Marge করেছি। এটা ৭দিন সময় লাগে। ৭দিনের ভেতর আপনার Pageটি Marge হয়ে যাবে। আপনি এই ১৩০০০ এর ভেতরে ১০০০ যুক্ত হয়ে মোট ১৪০০০ লাইক আপনার যোগ হবে। এটাই হচ্ছে Page Marge.Page Marge করলে আপনাকে সময় দিতে হবে প্রায় ১সপ্তাহ। ১ সপ্তাহ পরে এই ১০০০এর পেজটি আর খুজে পাবেন না, এটি ১৩০০০ এর সাথে যোগ হয়ে যাবে।

২টি পেজে Marge করতে পারবেন কিভাবে ?

আপনি যদি ২টি পেজের Admin না হন, তাহলে আপনি পেজ ২টি একসাথে Marge করতে পারবেন না। তো ২টি পেজের যখন আপনি Adminথাকবেন তখন আপনি কিভাবে পেজটা Marge করবেন সেটা আজ আমি দেখাচ্ছি। প্রথমে আপনি যে পেজটা রাখবেন সে পেজটার ভিতরে যাবো। আমি এখন দেখাচ্ছি আমার ২টি পেজ ছিল। একটি পেজ এটাতে ১৩০০০ লাইক ছিল, এবং আমার আগে একটি পেজ খোলা হয়েছিল সেটাতে প্রায় ১০০০ এর উপর লাইক ছিল। প্রথমে আপনি যেই পেজটি রাখতে চান, সেই পেজটার ভিতরে যাবেন এবং সেখান থেকে যাবেন সেটিংসে। সেটিংসে আসার পর সেখান থেকে General এ সিলেক্ট করতে হবে। এরপরে আপনি নিচে একটি অপশন পাবেন সেটা হচ্ছে Page Marge. Page Marge এ ক্লিক করবেন এবং এখানে Marge Page যেখানে আমরা Marge DuplicatePages মার্কটি দেখতে পাচ্ছি সেখানে ক্লিক করবো।

এখানে আপনাকে সেলেকশন করে দিতে হবে আপনি কোন পেজটি Marge করতে চান। আমরা উপরে যেই পেজটির সাথে Add করতে চাই সেই পেজটি আমরা সেলেক্ট করবো এবং নিচে যে পেজটি আমরা ভেঙ্গে ফেলতে চাই সেটা সেলেক্ট করবো। দেখুন আমি এখানে ১৩০০০ এর যে পেজটি সেটা আমি সেলেক্ট করেছি এবং এখানে ১০০০ যে পেজটি সেটা আমি নিজে সেলেক্ট করেছি। আমি চাচ্ছি ১৩০০০ এর ভেতর ১০০০ আরো যুক্ত হোক। এই অবস্থায় আপনি Continue বাটনে ক্লিক করবেন এবং আমাকে এই Notificationটা এই জন্য দেখাচ্ছে,যেহেতু আমি এটা অলরেডি Marge করেছি। এটা ৭দিন সময় লাগে। ৭দিনের ভেতর আপনার Pageটি Marge হয়ে যাবে। আপনি এই ১৩০০০ এর ভেতরে ১০০০ যুক্ত হয়ে মোট ১৪০০০ লাইক আপনার যোগ হবে। এটাই হচ্ছে Page Marge.Page Marge করলে আপনাকে সময় দিতে হবে প্রায় ১সপ্তাহ। ১ সপ্তাহ পরে এই ১০০০এর পেজটি আর খুজে পাবেন না, এটি ১৩০০০ এর সাথে যোগ হয়ে যাবে।

উদ্ধার করুন মেমোরি কার্ডের ডাটা

আমরা আমাদের হাতের মুঠোফোনে নানারকম ছবি তুলি। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট রাখি। যা যে কোনো সময় নিজের অসাবধানতায় হারিয়ে যেতে পারে। অথবা যে কেউ মোবাইল ঘাটতে ঘাটতে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে ফেলতে পারে।যার ফলে মোবাইল থেকে প্রয়োজনীয় ছবি/ ডকুমেন্ট হারিয়ে যেতে পারে। এখন আর টেনশনের কোনো কারণ নেই।মাথা ঠান্ডা করে ধাপে ধাপে আপনার হারিয়ে যাওয়া ছবি/ ডকুমেন্ট উদ্ধার করুন।

## যখনই টের পাবেন মেমরি কার্ড থেকে নথি হারিয়ে গেছে,তখনই মোবাইল খুলে ফেলে কার্ড বার করে নিন। কখনই সেই কার্ডে নতুন কিছু সেভ করার চেষ্টা করবেন না।
## আপনার কম্পিউটারে কোনো ‘অ্যান্ড্রয়েড ডেটা রিকভারি প্রোগ্রাম’ ইনস্টল করে নিন।
## মেমোরি কার্ডটিকে কোনো কার্ডরিডারে রেখে কম্পিউটারের সঙ্গে জুড়ে দিন।
## প্রোগাম অন করে কী ধরণের ফাইল উদ্ধার করতে চাইছেন তা সিলেক্ট করুন।
## কার্ডটি সম্পূর্ণ স্ক্যান হয়ে যাওয়ার পর ‘রিকভার’ করুন।

তবে আমার মনে হয়,এত টেনশন এড়াতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে মাঝে মাঝে সব তথ্য ‘ব্যাক আপ’ ব্যাক-আপ রাখুন।

বিক্রেতারা ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করেছে কিনা জানুন

আমরা প্রায় সময়ই বিভিন্ন দোকানে কেনাকাটা, রেষ্টুরেন্টে খাওয়াদাওয়া করি। বিভিন্ন দোকানে কেনাকাটার পর ক্রয়মূল্যের উপর বা রেষ্টুরেন্টের বিলের উপর একটি নির্দিষ্ট পরিমান পার্সেন্টেজ এর ভ্যাট আলাদাভাবে যোগ করে দোকানি বিল ধরিয়ে দেয়। এই অতিরিক্ত পার্সেন্টেজ কেন?-এ কথা জিজ্ঞাসা করলে দোকানি বলে স্যার/ম্যাডাম এটা ভ্যাট যা সরকারকে দিতে হয়। আদৌ কি এই টাকা সরকারি খাতে জমা হয়? বা ওই দোকানের কি আদৌ ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করা আছে? আজ আমরা জানবো,একটি দোকানের/ রেষ্টুরেন্টের ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করা আছে কিনা এবং যদি না থাকে কিন্তু দোকানি আপনার থেকে ভ্যাট নিলো তাহলে কিভাবে কমপ্লেইন করবেন তার বিস্তারিত ।
১.প্রথমেই আমরা Goolge Play Store থেকে Vat Checker এ্যপসটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করবো।
২. এ্যপসটি ওপেন করে যদি দোকানির দেয়া বিলে ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দেয়া থাকে সেই নম্বরটি লিখুন তারপর Check এ ক্লিক করুন।
VAT 01
VAT 02
৩.যদি ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করা থাকে তবে দোকানের বা রেষ্টুরেন্টের নাম চলে আসবে
VAT 03
৪.আর যদি দোকানের বা রেষ্টুরেন্টের ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে তবে (এই প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে ভ্যাটের সরকারী অনুমোদন পাওয়া যায়নি)এমন একটি লেখা আসবে।
VAT 04
সেক্ষেত্রে আমরা কি করবো?
৫. (এই প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে ভ্যাটের সরকারী অনুমোদন পাওয়া যায়নি) এই টেক্সটির নিচেই দেখুন অভিযোগ নামে একটি বাটন আছে। ক্লিক করুন।
VAT 05
৬.নিচের ছবির মতন এমন একটি পেজ আসবে।দোকানের লোকেশন ক্লিক করুন।

VAT 06
VAT 06

৭.প্রতিষ্ঠানের নাম/ঠিকানা দিয়ে দোকানি যে বিলটি আপনাকে দিয়েছে সেই বিলের একটি ছবি তুলে আপনার সমস্যার কথা উল্লেখ করুন

VAT 08

VAT 07

৯.এখন সরাসরি আপনার ই-মেইল একাউন্টে চলে যাবে।ই-মেইলটিকে Send করে দিন।এবার আপনার কাজ শেষ।বাকি কাজ ভ্যাট অফিসই দেখবে।

Truecaller জানাবে অনাকাঙ্খিত কলারের নাম

প্রতিদিনই আমাদেরকে বিভিন্ন অপরিচিত ফোনকল রিসিভ করতে হয়। সেই কল রিসিভ করার আগেই যদি আপনি জেনে যান কে আপনাকে ফোন করেছেন তখন ব্যাপারটি কেমন হবে? নিশ্চয়ই খুব মজার হবে।

প্রথমে Truecaller এপসটি গুগল প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিন। Iphone, Windows Phone, Blackberry, Symbian এর জন্য Truecaller এর সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
১.True Caller ডাউনলোডের পর ট্রু-কলার ইন্সটল করে সফটটি ওপেন করি।Get Started এ ক্লিক করি।
True Caller 01

২.দেশের নাম সেলেক্ট করে ফোন নম্বর দিন এবং Continue এ ক্লিক করুন

True Caller 02

৩.এবার নাম দিন এবং ই-মেইল এড্রেস দিন এবং Continue এ ক্লিক করুন।আপনি চাইলে ফেসবুক একাউন্ট ব্যবহার করেও True Caller সাইন ইন করতে পারেন

True Caller 03

৪.এবার নেক্সট নেক্সট  করে পরবর্তী স্টেপগুলি এগিয়ে যান।এরপর আপনার সাইন আপ এর শেষ।

True Caller 04

৫.কোনো ফোন নম্বর সার্চ করতে চাইলে আপনি Enter a Name or number এ ক্লিক করে যে নম্বরটি সার্চ করতে চান সেই নম্বরটি দিন।

True Caller 05

৬.দেখবেন নম্বর দেয়ার সাথে সাথে ফোন নম্বরের মালিকের নাম চলে এসেছে

True Caller 06

এছাড়াও এই একই কাজ আপনি আপনার ফোসবুক একাউন্ট ব্যবহার করেও করতে পারেন। সেজন্য যা করতে হবে তা হল:-

True-Caller-07

১.ফেসবুকের Search অপশন এ যেয়ে যার নাম জানতে চাইছেন তার ফোন নম্বরটি দিন। তাহলেই দেখতে পাবেন তার নামটি চলে এসেছে।অবশ্য এ জন্য ঐ ফোন নম্বরের মালিককে তার ফোন নম্বরটি ফেসবুকে রেজিস্টার্ড করা থাকতে হবে।

ভিজিটিং কার্ড থেকে নম্বর সেভ করুন ১ ক্লিকে

কারো কাছে ফোন নম্বর চাইলে দেখবেন অনেকেই তার ভিজিটিং কার্ডটি ধরিয়ে দেয়। তখন সেই কার্ড থেকে ধরে ধরে নাম,ফোন নম্বর,ঠিকানা ইত্যাদি সেভ করা একটা জটিল সমস্যা হয়ে দাড়ায়। আজ আমরা জানবো কিভাবে এক ক্লিকেই আপনার এ্যন্ড্রয়েড ফোনে ওই ভিজিটিং কার্ডের সকল ডাটা আপনার মোবাইলে চলে আসবে।

১.প্রথমে play Store-এ যেয়ে Cam Card সফটটি ডাউনলোড করি।
২.ইন্সটল করি
৩.এ্যপসটি ব্যবহার করার জন্য প্রথমেই সাইন আপ করতে হবে

Cam Card 2
৪.এবার সাইন আপ অপশনে যেয়ে ফরমটি Fill Up করার জন্য ই-মেইল এ্যড্রেস এবং পাসওয়ার্ড দেই

Cam Card 3
৫.আমরা চাইলে ফোন নম্বর দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করতে পারি।
Cam Card 04
৬.Send activation e-mail-এ ক্লিক করি।
Cam Card 3.1
৭.এবার ই-মেইলটি ওপেন করে activation কোডটিতে ক্লিক করুন।এখন আপনার কাজ শেষ।
৮.এবার Cam Card সফটটি সাইন ইন করে ক্যামেরাতে ক্লিক করি

৯.একটি ভিজিটিং কার্ড নেই
১০.ক্যমেরার সামনে ভিজিটিং কার্ড রেখে একটি ছবি তুলি
CARD 06
১১.ছবি তোলার সাথে সাথে দেখবেন ওখানে প্রিন্ট করা নাম,ফোন নম্বর,ঠিকানা সহ সকল ডাটা মোবাইলের কনট্যাক্টে চলে গেছে।এখন জাস্ট সেভ করুন।
Cam Card 07

এভাবেই আপনি আপনার মানিব্যাগে রাখা ভিজিটিং কার্ডগুলি ফটাফট বের করে Contact নম্বরগুলি সেভ করে  ফেলুন।

ব্যাকআপ নিন আপনার ফোন নম্বরগুলি

আমরা অনেকেই এ্যন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করি। ফোন ব্যবহার করতে করতে যে কোন সময়ই ফোনটি রিসেট নেয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। যার ফলে ফোনে সেভ করা সব ফোন নম্বর এবং এসএমএস ডিলেট হয়ে যেতে পারে। যা পুনরায় উদ্ধার করা খুবই কষ্টসাদ্ধ। এমনও হতে পারে আপনি নতুন মোবাইল সেট কিনেছেন। সেক্ষেত্রে নতুন মোবাইল সেটটিতে ফোন নম্বরগুলি স্থানান্তর করা খুবই কষ্টসাধ্য। আজ আমরা জানবো কিভাবে অতি সহজেই এক মোবাইল থেকে অথবা রিসেট/ফরম্যাট হওয়া ফোন নম্বরগুলি ফিরিয়ে আনা যায়, মানে ব্যাকআপ নেয়া যায় ।
১.Google Play Store এ যেয়ে Super Backup সফটটি নামাতে হবে।
২.ইন্সটল করুন
৩.ফোন নম্বর Backup নেয়ার জন্য Contacts-এ ক্লিক করুন। আর এসএমএস Backup নেয়ার জন্য SMS-এ ক্লিক করুন।

Backup 01

৪.এখন BACKUP CONTACTS WITH PHONE NUMBERS-এ ক্লিক করুন

Backup 02

৫.এখন সেভ করার জন্য অপশন আসবে।সেখানে একটি নাম দিন এবং OK –তে ক্লিক করুন।

Backup 03

৬.এখন আপনি আপনার সেভ হওয়া নম্বরগুলি নিজের গুগল ড্রাইভে বা আপনার আপন কারও কাছে ই-মেইল করে দিন।

Backup 04

ব্যাস!এইবার আপনার কাজ শেষ।আপনার যখনই ফোনে কোন সমস্যা হবে রিসেট দিলে বা নতুন মোবাইল কিনে ই-মেইলে Send করা ই-মেইলটি Download করে জাস্ট ক্লিক করুন। দেখবেন সব ফোন নম্বরগুলি ফিরে এসেছে।

https://www.youtube.com/watch?v=BCqemnh_5m8

প্রিজমা ইফেক্টে রাঙিয়ে দিন আপনার ছবিকে

এখন ফেসবুক খুললেই আমরা দেখতে পাই প্রিজমা ইফেক্ট ছবি।আজ আমরা দেখবো কিভাবে অতি সহজেই ছবি তুলে তা প্রিজমাতে রুপান্তরিত করা যায়।

১.প্রথমেই আপনি google play store এ যেয়ে prisma সফটটি ইন্সটল করে নেই।
Prisma 1
২.ইন্সটল করার পর আপনি যেই ছবিটি প্রিজমাতে রুপান্তরিত করতে চান সেটি ইমপোর্ট করুন।
৩.ইমপোর্ট করার পর Next এ ক্লিক করুন।

Prisma 2
৪.নিচে অনেকগুলি ইফেক্ট দেখতে পাবেন।পছন্দসই ইফেক্টে ক্লিক করুন।

Prisma 3
দেখতে পাবেন প্রিজমা ইফেক্ট ছবি।পছন্দ না হলে আরও অনেক ইফেক্ট আছে ব্যবহার করে দেখতে পারেন।পছন্দ সই ইফেক্ট দিয়ে ছবিটি সরাসরি facebook,Instagram-এ পোষ্ট অথবা download করে রাখতে পারেন।

ছবি সংরক্ষণ করুন Google Photos এ

আপনি আপনার মোবাইলে প্রতিদিন অনেক ছবি তোলেন,কিন্তু আপনার মোবাইলে স্টোরেজ কম বা হারিয়ে যাবার ভয় থেকেই যায়। আপনি চাইলেই আপনার ওই ছবিগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইনে অনেক স্টোরেজ আছে যেখানে ট্রান্সফার করে রাখতে পারেন।কিভাবে করবেন তা আজ আমি দেখিয়ে দিবো…
ডেস্কটপ ইউজারদের জন্য:
১.আপনার জি-মেইল একাউন্টটি লগইন করুন
Photos-01
২.লগইন করে উপরে চিহ্নিত স্থানে Photos-এ ক্লিক করুন

Photos-02
৩.Photos এ ক্লিক করলে একটি নতুন Window খুলবে
৪.এখানে উপরে আপলোড এ ক্লিক করে

আপনার ছবিগুলি যেখানে আছে সেই লোকেশনটিতে যেয়ে যে ছবিগুলি আপলোড করে রাখতে চান সেগুলি সেলেক্ট করে Open এ ক্লিক করুন।


৫.কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখবেন আপনার ছবিগুলি আপলোড হয়ে গেছে।

ঠিক একইভাবে এন্ড্রয়েড ইউজাররাও Google Photos এ ছবি আপলোড করতে পারবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=BCqemnh_5m8

Folder কে লুকিয়ে ফেলুন একটি Image এর আড়ালে

ধাপ ১ঃ  প্রথমে যে Folder টি কে যে Image এর আড়ালে লুকাতে চান তা একই Location (Directory) তে রাখুন।

ধাপ ২ঃ  যে Folder টি কে লুকাতে চান তা WinRar Software (প্রথমেই Install করে নিতে হবে) এর মাধ্যমে (Right click on the selected Folder / Add to archive) *.rar ফরমেট এ পরিবর্তন করুন।

ধাপ ৩ঃ  এবার Run (Win key + R key) তে যেয়ে টাইপ করুন cmd এবং এন্টার বোতাম চাপুন। তাহলে কমান্ড এর পর্দাটি খুলবে।

ধাপ ৪ঃ  “cd” Desktop (অথাৎ যে ডিরেক্টরিতে ফাইল রাখা আছে) টাইপ করে এন্টার বোতাম চাপুন। এবার নিচের কমান্ড টি টাইপ করুন – Command: copy /b *.jpg + *.rar *.jpg
বিঃদ্রঃ copy /b *.jpg (যে Image এর আড়ালে লুকাতে চান, এখানে gif, png নিয়ে ও কাজ করা যাবে ) + *.rar (যে Folder টি কে লুকাতে চান) (Space) *.jpg (নতুন যে নামে রাখতে চান বা Replace না করার জন্য )

ধাপ ৫ঃ এবার নতুন ইমেজ ফাইলটির আড়ালের ফোল্ডারটিকে দেখতে ইমেজ কে Extract or Unrar (Right click on new Image / Extract to….. ) করে খুলুন।

লিখেছেন:  মশিউর রহমান( দেশটিভি)