স্টিল লাইফ পেইন্টিং ( চিত্রকর্ম )

চিত্রকর্ম এমন একটি বিষয় যা কমবেশি সবার পছন্দ। এই শিল্পটি ছোট-বড় সবাইকেই আকৃষ্ট করে থাকে। এমন অনেক স্বল্প অভিজ্ঞতার চিত্র শিল্পী রয়েছেন যারা তাদের সীমিত জ্ঞানটুকু অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের শেখানোর চেষ্টা করেন এবং কর্মজীবনের সূচনা হিসেবে নিতে চান। সেইসব প্রশংসনীয় ও সাহসী ব্যক্তিদের জন্য কিছু নির্দেশনা আমরা এ অধ্যায়-এ আলোচনা করবো।
এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কিভাবে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ছবি আঁকানো শেখানো যায়।
বেশিরভাগ সময় পেইন্টিং শেখানোর দায়িত্ব এমন শিক্ষকদের দেয়া হয় যাদের এই ব্যাপারে খুব সীমিত জ্ঞান রয়েছে। সকল ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিচালক ও শিশুদের শিক্ষা প্রদানের সুযোগ সুবিধা মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকদের কাছ থেকে আশা করা হয়। আর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের কাছ থেকে উন্নতমানের কিছু কাজ আশা করা হয়।
যুক্তরাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের শিল্পকলার জন্য কিছু সময় বণ্টন করে দেয়া হয়। এটি সাধারণত সপ্তাহে এক থেকে দুই ঘণ্টা হয়ে থাকে। যেহেতু চিত্র শিল্পটা অনেক সময়ের ব্যাপার সেহেতু প্র্রতিটি পদক্ষেপে একটি করে কৌশল অবলম্বন করা উচিত। তবে প্রতিটি আর্ট শিক্ষক শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি বা কৌশল গ্রহণ করে থাকেন।
আঁকা-আঁকির বিষয়টি খুবই সোজা একটি জিনিস। টেলিভিশন এবং ওয়েব সাইডের বিভিন্ন ডকুমেন্টারি দেখে শেখা যায়। যেমন টেবিলে একটি ফুলদানি রেখে ছাত্র-ছাত্রীদের সেটাই আঁকতে বলা যেতে পারে।
চিত্রশিল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি যেটা সেটা হচ্ছে: প্রথমে ভালোভাবে নিশ্চিত হতে হবে আমি কি শিখতে চাচ্ছি। তারপর বিষয়টি আঁকা শুরু করতে হবে। আরো পরিষ্কার করে বললে, শিল্পকলা হচ্ছে নিম্নে লিখিত বিষয়গুলোর ভারসাম্য রক্ষার শিক্ষা:
• প্রথমে চিত্রাকারকে দেখার চোখ তৈরি করতে হবে
• শিল্পকলার জন্য দক্ষতা ও কৌশল তৈরি করা
• সৃজনশীলতার লালন-পালন ও প্রতিপালন করা
• শিল্পকলার জ্ঞান উপলব্ধি করা
• কাজ শুরু পূর্বে একটি নকশা তৈরি করা
• শিক্ষার্থীদে কিভাবে শেখাবো তার পরিকল্পনা করা
স্টিল লাইফ পেইন্টিং হচ্ছে ছবি আঁকা শেখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল বিষয়।

পেন্সিল স্টিল লাইফ:
একটি টেবিলে চারটি মজাদার বস্তু রাখবো। তারপর বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ছবিগুলোর স্কেচ তৈরি করতে হবে। এরপর ছবিটি স্টিল লাইফ আকারে সেড দিতে হবে। এতে ছবি আঁকতে ২-৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।

পেন্সিল স্টিল লাইফ
পেন্সিল স্টিল লাইফ

কালীর স্টিল লাইফ:

এক্ষেত্রেও টেবিলে চারটি মজাদার বস্তু রাখবো। তারপর বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ছবিগুলো pen and nib with Indian ink দ্বারা আঁকতে হবে। এরপর ছবিটি স্টিল লাইফ আকারে সেড দিতে হবে। এতে ছবি আঁকতে ২-৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।

কালীর স্টিল লাইফ
কালীর স্টিল লাইফ

কাঠকয়লা স্টিফ লাইফ পেইন্টিং:

এক্ষেত্রেও টেবিলে চারটি মজাদার বস্তু রাখবো। তারপর চারদকি থেকে ছবিগুলো পরিদর্শন করে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি বের করতে হবে। এক্ষেত্রে ছবিটি চক দিয়ে আঁকতে হবে। এ পদ্ধতিতে ছবি আঁকতে সাধারণত ২ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লেগে থাকে।

কাঠকয়লা স্টিফ লাইফ পেইন্টিং
কাঠকয়লা স্টিফ লাইফ পেইন্টিং

মোমের স্টিল লাইফ পেইন্টিং:
এ ছবিটি আঁকার ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে চারটি বস্তু একটি জায়গায় রাখবো। তারপর ভালোভাবে এর গঠনটি পর্যবক্ষেণ করতে হবে এবং এর আকর্ষণীয় দিকটি বের করবো। এক্ষেত্রে ছবিটি আমরা মোমের রং দিয়ে আঁকবো এবং ছবির ভেতরে প্র্রতিটি অংশ ভরাট করবো। এতে ছবি আঁকতে ২-৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।

মোমের স্টিল লাইফ পেইন্টিং
মোমের স্টিল লাইফ পেইন্টিং

Tonal Exercise:
এ ছবিটি আঁকার ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে চারটি বস্তু একটি জায়গায় রাখবো। তারপর ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে এ সবচেয়ে দৃশ্যমান বিষয়টি বের করতে হবে। এ ছবি আঁকার ক্ষেত্রে যেকোনো একটি রং ব্যবহার করতে হবে। তবে এর ব্যাকগ্রাউন্ডটা কালো ও বেসটা সাদা রং করতে হবে। এ ছবি আঁকতেও ২-৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।

Tonal Exercise
Tonal Exercise

টুকরা কাপড় বা কাগজ দ্বারা স্টিল লাইফ:
এ ছবিটি আমরা রং-বেরংয়ের টুকরা কাপড় বা কাগজ দিয়ে আঁকবো। এক্ষেত্রে প্রথমে চারটি বস্তু একটি টেবিলের উপর রাখবো। তারপর ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে এর সবচেয়ে দৃশ্যমান বিষয়টি বের করতে হবে। এ ছবি রং করার ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন রংয়ের কাগজ ব্যবহার করবো।

টুকরা কাপড় বা কাগজ দ্বারা স্টিল লাইফ
টুকরা কাপড় বা কাগজ দ্বারা স্টিল লাইফ

লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)
লিখেছেন:অর্নব নাসির ছাত্রী (ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়)

স্টিল লাইফ পেইন্টিং-০২

স্টিল লাইফ পেইন্টিং-০২ আমরা আমাদের আশপাশ যেসকল জিনিস দেখে থাকি সেসব জিনিসের চিত্রাঙ্কনের নিয়মাবলীগুলো হলো:
১. ছবি আঁকার পূর্বে আমাদের সরাসরি আলোর উৎস নিশ্চিত করতে হবে। যাতে রুমের যেদিক থেকেই দেখি না কেন যে বস্তুটির ছবি আঁকা হবে তার উপর আলো পড়ে।

Still life Painting 2.1

২. এই ধাপে এসে একটি কার্ডবোর্ডকে আয়তাকার করে কাটত হবে। কার্ডবোর্ডটিকে এমনভাবে বস্তুটির উপর ধরতে হবে যাতে দেখে মনে হয় একটি ফ্রেম।

Still life Painting 2.2

৩. পরে একটি সাদা কাগজে আয়তাকার করে পেন্সিল দিয়ে বক্স আঁকতে হবে। পরে চার দিকেই ঠিক মাঝ বরাবর পয়েন্ট করতে হবে। যা ছবিটিতে লাল রঙ দিয়ে মার্ক করা হয়েছে।

Still life Painting 2.3

৪. প্রথমে কিনারা ঘেষে ছবি আঁকা শুরু করতে হবে যাতে পরবর্তীতে জায়গার কমতি না হয়। প্রথমে বামে পাশে একটি বক্র রেখা দিতে হবে। তারপর যে বস্তুর ছবি আঁকবো তার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে কোন জিনিসটি কোন সাইডে রয়েছে।

Still life Painting 2.4

৫. আয়তাকার আকারে কাটা কার্ডবোর্ডটি ফ্রেম আকারে বস্তুটির উপর বসাতে হবে। পরে পেন্সিলটি ফ্রেমের বাম পাশের নিচের কোনায় বসিয়ে ৬০ ডিগ্র্রি কোন আকারে ধরতে হবে। এতে ছবির অ্যাঙ্গেলটি ঠিক থাকবে।
Still life Painting 2.5
৬. এরপর প্রথমে ছবির আউটলাইনগুলো দিতে হবে। প্র্রতিটি লাইন হালকা করে পেন্সিল দিয়ে আঁকতে হবে।

Still life Painting 2.6

৭. এখন ছবির বাইরের অংশগুলো মার্ক করতে হবে। এখানে লাল রঙ দ্বারা পয়েন্ট করা হয়েছে।

Still life Painting 2.7

৮. এখন ছবিটি এক চোখ বন্ধ করে অন্য চোখ দিয়ে দেখতে হবে। এতে ছবিটি সমতল হয়েছে কি-না তা বোঝা যাবে। আর এক্ষেত্রে প্রতিবার আমাদের একটি চোখই বন্ধ করতে হবে। প্রথমবার যদি বাম চোখ বন্ধ করি তাহলে পরবর্তীতে একই চোখ বন্ধ করতে হবে। যাতে করে ছবিটির গঠন তৈরি করার সময় তালগোল না পাকিয়ে যায়।
৯. ছবিটি আঁকার সময় আমাদেরকে অবশ্যই মূল বস্তুটি যতবার সম্ভব দেখতে হবে। চিত্রাঙ্কনে কোনো ধরনের অসাঞ্জস্যতা এড়িয়ে চলতে এটি জরুরি।

Still life Painting 2.8

১০. যখনই কোনো ভুল চোখে পড়বে সঙ্গে সঙ্গে তা মুছে ফেলতে হবে। অন্যথায় ছবিটি ভুল আকৃতি ধারণ করতে পারে।
১১. ছবিটিকে পুরোপুরি আকৃতি দেয়ার পর প্রতিটি আউট লাইনকে গাড় করতে হবে। এরপর ভেতরে অংশগুলোতে স্কেচ করতে হবে।

Still life Painting 2.9

১২. ছবিটি আঁকার সময় একটি বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যেন ছায়ার পাশগুলো কালো এবং আলোর পাশগুলো সাদা থাকে। এতে ছবিটির গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে।
Still life Painting 2.10
১৩. ছবির চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে কিছুক্ষণ ছবি আঁকা বন্ধ করে হাটাহাটি অথবা বিশ্রাম করতে হবে। এতে করে আসল বস্তুটির সঙ্গে কোনো পার্থক্য থাকলে তা চোখে পড়বে। মূল বস্তুর সঙ্গে কোনো অমিল পাওয়া গেলে তা ঠিক করতে হবে। আর এরপরই আমরা পেয়ে যাবো আকর্ষনীয় ও চমৎকার একটি স্টিল লাইফ পেইন্টিং।
Still life Painting 2.11

স্টিল লাইফ পেইন্টিং – ০১

যা কিছু দেখা যায় তা আঁকাও যায়, এটা সম্পূর্ণ মনন ও চিন্তনের বিষয়। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ তার নিজের মনের মতো করে ছবির ভাষায় বলতে পারে। আমরাও পারবো, আমাদের সবার দ্বারাই সম্ভব, শুধু প্রয়োজন নিজেকে একটু জাগিয়ে তোলা। চিত্র শিল্প বা আঁকাঝোকার একটি অন্যতম সহজ ও আকর্ষণীয় পদ্ধতি হচ্ছে স্টিল লাইফ পেইন্টিং যাকে বলে জীবন্ত অঙ্কন।
স্টিল লাইফ পেইন্টিং কি?
স্টিল লাইফ পেইন্টিং মূলত প্রাচীন রোমান ও গ্রিক থেকে এসেছে। সতেরো শতাব্দীর আগে এটি মূলত ধর্ম বিষয়ক প্রতীকীর ক্ষেত্রে তৈরি করা হতো। কিন্তু পরে হল্যান্ডের মতো কিছু প্রতিবাদী দেশে স্টিল লাইফ চিত্রকর্মের মূল্য বেড়ে যায়। ১৮ শতাব্দীর পরে সর্বস্তরে এটি প্রধান শিল্পকর্ম হিসেবে স্বীকৃত পায়।
লাইফ পেইন্টিং সাধারণত ফল, ফুল, পাখি, নদী, গাছ এবং আমাদের গৃহস্থালী সামগ্রীর প্রাণহীন প্রতিছবি। এটি আমরা আমাদের টেবলি বা সেল্ফে সাজিয়ে রাখতে পারি। একজন চিত্রশিল্পী বিভিন্ন কারণে জীবন্ত ছবি অঙ্কন করে থাকেন। সেগুলো হলো:
• ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ও তা সবার মাঝ ফুটিয়ে তোলা
• একটি সুপ্ত ধারণা বা লেখা প্রকাশ করা
• কোনো অস্থায়ী বস্তুর (ফুল, ফল) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ধারণ করা
• একটি সাক্ষাৎ উপাদানকে অশরীরী কাঠামোতে নিয়ন্ত্রণ করা
আগে জীবন্ত অঙ্কনকে একটি ক্ষুদ্রমাপের চিত্রশিল্প বলে মনে করা হতো। কিন্তু কিছু চিত্রশিল্পীর বাস্তবসম্মত লাইফ পেইন্টিং মানুষের সেই চিন্তাধারা বদলে দিয়েছে। তারা তাদের সৃজনশীলতা দ্বারা সমাজের বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুলেছে।

Still life Painting 1.1

জীবন্ত অঙ্কন দ্বারা আমরা ছবি আঁকার বেশকিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু পদ্ধতি হলো:
• ছবি আঁকার মৌলিক কৌশল শেখা যাবে
• কাঠপেন্সিল, চক এবং মোমের রঙের ব্যবহার সম্পর্কে জানা যাবে
• রঙ নিয়ে খেলার সহজ পদ্ধতি জানা যাবে।
এছাড়া লাইফ পেইন্টিং সেই সব শিল্পীদের কাজের একটি মাধ্যম তৈরি করে দিয়েছে যারা তাদের নিজস্ব বিশ্বকে সবার মাঝে জাহির করতে চান।

Still life Painting 1.2

চিত্রাঙ্কন শেখার ক্ষেত্রে লাইফ পেইন্টিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ এর মাধ্যমে ছবি আঁকার প্রাথমিক নিয়ম জানা যায়। এটি দ্বারা আমরা জানতে পারি কিভাবে একটি বস্তুকে একজন চিত্রশিল্পীর দৃষ্টিকোন থেকে দেখতে হবে। অর্থাৎ এটি আমাদের একটি চিত্রাঙ্কনের সীমারেখা, আকৃতি, অনুপাত, রঙ, এবং রঙের মিশ্রণ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।

জীবন্ত ছবি আঁকার উপকরণ:

Still life Painting 1.3

লাইফ পেইন্টিংয়ের জন্য আমাদের যে সকল জিনিস দরকার হয় সেগুলো হলো:
• টু-বি পেন্সিল
• রাবার
• এ-থ্রি সাইজের কাগজ বা কার্তুজ কাগজ
স্টিল লাইফ পেইন্টিংয়ের নিয়মাবলী
আমরা এখানে দুইটি পদ্ধতিতে লাইফ পেইন্টিংয়ের নিয়ম নিয়ে আলোচনা করেছি। পদ্ধতি দুইটি হলো:

প্রথম ধাপ:

Still life Painting 1.4

প্রতিটি স্টিল লাইফের ক্ষেত্রে এমনভাবে ছবি আঁকতে হবে যাতে দেখে মনে হয় বস্তুগুলো একটি স্বচ্ছ তারের উপর অবস্থান করছে। এ পদ্ধতিতে চিত্রাঙ্কনের সুবিধা হলো যে প্রতিটি গঠনের আকারও অবস্থানের ব্যাপার সচতেন থাকা যাবে। পরবর্তীতে ছবির নকশা বা গঠনে যেকোনো ধরনের পরবির্তনে সহজে মুছে ফেলার জন্য প্রতিটি নকশা হালকা করে আঁকা জরুরি।

দ্বিতীয় ধাপ:

Still life Painting 1.5

স্টিল লাইফ অঙ্কনের ক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে যা ছবির গঠনকে আরো কৌতুহলী করে তুলবে। ছবি আঁকার সময় এর মাত্রা, রেখা, আকার এবং রঙের ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে।
নিচের ছবিটিতে আমরা দেখতে পারছি যে ছবিটি একটি স্বচ্ছ তারের উপর নির্ভর করছে। যার ফলে ছবি আঁকার সময় একটির সঙ্গে অন্যটির সম্পর্ক তৈরিতে সাহায্য করছে।

তৃতীয় ধাপ:

Still life Painting 1.6

স্টিল লাইফ ছবিটি আঁকার পর এর আকার, আয়তন এবং গঠন নিয়ে যদি আমরা সন্তুষ্ট থাকি তাহলে কাগজে নির্মিত স্বচ্ছ রেখাগুলো মুছে ফেলতে হবে। এরপর আমরা একটি সুষ্পষ্ট ও সঠিক আকার দেখতে পারবো। তখন দেখবো যে প্রতিটি বস্তু তার সঠিক জায়গায় রয়েছে।
এখান আমরা নিচের ছবিটি যদি আগরে ছবির সঙ্গে তুলনা করি তাহলে দেখবো যে উপরের ছবিটি অনেক বেশি অষ্পষ্ট। ছবিগুলো দেখতেও অনেক অপরচ্ছিন্ন লাগছে। কিন্তু নিচের ছবিটি অনেক বেশি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ।

চতুর্থ ধাপ:

Still life Painting 1.7

এখন ছবির প্রতিটি আকারে হালকা করে স্কেচ করতে হবে। পেন্সিল দিয়ে ছবিগুলোর ভেতরে হালকা করে দাগ দিতে হবে।

পঞ্চম ধাপ:

Still life Painting 1.8
Still life Painting 1.8

উপরে চারটি ধাপে আমরা শিখেছি যে কিভাবে ছবির আকার ও গঠন আঁকতে হয়। এখন ৫-৮ নম্বর ধাপে আমরা স্কেচিংয়ের মাধ্যমে সুন্দরভাবে ছবির আকৃতিটি ফুটিয়ে তুলবো।

ষষ্ঠ ধাপ:

Still life Painting 1.9

এই ধাপে এসে আমরা প্রতিটি ছবির মাঝে যে দূরত্ব রয়েছে তার উপর জোর দেবো। যাতে চিত্রাঙ্কনটি দেখে বোঝা যায় যে এর ভেতর অনেকগুলো বস্তুর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।
অর্থাৎ যতটুকু গুরুত্বের সঙ্গে আমরা উপরের অংশগুলো শেষ করেছি ঠিক ততটুকু গুরুত্বের সঙ্গে ছবিতে স্কেচ করবো।

সপ্তম ধাপ:

Still life Painting 1.10

এই স্টেপে এসে আমরা ছবির পেছনের অংশে জোর দেবো। এখানে ছবির বৈষ্যমের উপর জোর দেবো। যেমন কোথাও হালকা প্রতিছবি হবে আবার কোথাও গাড়। এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। এতে ছবিটি অনেক বেশি আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে। অর্থাৎ এই ধাপে এসে একটি জিনিসের উপর লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে স্কেচিংয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্যটা ঠিক থাকে।

অষ্টম ধাপ:

Still life Painting 1.11

সবশেষ আবারো ছবির বস্তুগুলোর মাঝে যে দূরত্ব তার বৈষম্যের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। যাতে এর মাঝে আলো ছায়ার একটি খেলা বোঝা যায়। অর্থাৎ ছবির মধ্যে যে দূরত্বগুলো রয়েছে সেগুলো হালকা করতে হবে। আর প্রতিটি বস্তুর পেছনের অংশটুকু গাড় করতে হবে যেনো মনে হয় যে সেগুলো বস্তুর ছায়া।

আফটার ইফেক্ট টিউটোরিয়াল- ১২

3D Basic 
আফটার ইফেক্ট এ একটা New Project ও Composition নিব, Tool Bar থেকে Text tool নিব এবং Composition এ ‘3D” text টি লিখব। এখন Time line এর Source Name এর ডান পার্শ্বের যেখানে লাল বৃত্তের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়েছে সেখানে তিনটি খালি Box দেখা যাচ্ছে, আমরা তৃতীয় Box টি Click করব ঠিক দ্বিতীয় চিত্রটির মত।

After-effect-12.1

After-effect-12.2
এখন Time Line এর Play Head কে ০০:০০:০০:০০ সেকেন্ডে রেখে T 3D Layer টির বাম পার্শ্বের Triangle টিতে Click করে Transform এ যাব এবং X Rotation, Y Rotation, Z Rotation এর Stop Watch on করব ও এর মান যথাক্রমে 0x-38º, 0x+0.0º, , 0x+23.0º করব।

After-effect-12.3

এবার Time Line এর Play Head কে ০০:০০:০০:০০ সেকেন্ডে রেখে Y Rotation এর মান 2×351.0º, করব। এখন Ram preview করে দেখি।

After-effect-12.4
আমরা After Effect এর Basic কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। After Effect অনেক Vast একটা বিষয়। এর জন্য আমাদের প্রচুর Practice করতে হবে এবং জানতে হবে যা আমরা Net-এ বিস্তারিত পাব। এছাড়াও আরও Detail জানার জন্য আমাদের www.clickntech.com এর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাদের, clickntech.com এ সব সময় চোখ রাখুন নতুন কোনো টিউটোরিয়ালের জন্য।

 

আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)
আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)

 

আফটার ইফেক্ট ( ১০ ) Effects Introduction

Effects Introduction
আফটার ইফেক্ট এ আমরা একটা New Project ও Composition নিব (আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি কিভাবে New Composition setup করতে হয়)। Tool Bar থেকে text tool নিয়ে Composition এ Click করব এবং “e’ Type করব। এখন Menu Bar এর Effect হইতে Blur & Sharpen এবং Direction Blur এ Click করব।
After-effect-10.1
Time Line এর Text properties এর নিচে Effect option টি দেখতে পাব এবং আরেকটি Project এর পার্শ্বে Effect controls দেখা যাবে।

After-effect-10.2

এখন Effect controls বা Time line এর Text properties এর নিচে Effect option , দুটির যে কোনটি দিয়ে আমরা কাজ করতে পারি, দুটিই Directly একটি আরেকটিরে সাথে জড়িত। আমরা Time line কে play head ০০:০০:০০:০০ রেখে Effect controls এ Direction & Blur length এর Stops watch on করব, তারপর Time line এর play head কে ০০:০০:০২:০০ সেকেন্ডে এ নিয়ে Effect controls এ Blur length & Direction যথাক্রমে

75.0 এবং+ 90º করব। আবার Time line এর Play Head কে ০০:০০:০৩:০০ সেকেন্ডে এ নিয়ে Effect controls এ Blur length & Direction যথাক্রমে 00.0 এবং 0X+0º তে নিয়ে Ram preview দেখব।

আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)
আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)

 

এমএস এক্সেল Worksheet এর Page Setup তৈরী করা

আজকে টিউটোরিয়াল এ আমরা কিভাবে Worksheet এর Page Setup তৈরী করা যায় তা শিখব।

Page Setup :
# Worksheet এর লেখাগুলোকে প্রিন্ট করার পূর্বে প্রয়োজনমত Page Setup করে নিতে হয়। এজন্য প্রথমে Page Layout মেনুর Page Setup Group এর ডান পাশে

Arrow
চিহ্নের উপর ক্লিক করলে Page Setup ডায়লগ বক্স আসবে।

# Page Setup ডায়লগ বক্সের মধ্যে ৪টি ট্যাব আছে। ট্যাবগুলো হচ্ছে- Page, Margins, Header/Footer, Sheet.
# Page tab এর মধ্যে ক্লিক করলে প্রথমে Orientation এর নিচে Portrait এবং Landscape দুটি অপশন পাওয়া যাবে। যদি Page টি খাড়াভাবে Print করতে চান তাহলে Portrait এর পাশের বাটন ক্লিক করুন। আর যদি আড়াআড়িভাবে Print করতে চান তাহলে Landscape এর পাশের বাটনে ক্লিক করুন।
# Paper size Box এর মধ্যে ক্লিক করে আমরা যে সাইজের পেপার এর মধ্যে প্রিন্ট করতে চাই সেই সাইজ এর পেপার সিলেক্ট করতে হবে।

MS Excel 10-2

# Worksheet এর লেখাগুলোকে প্রিন্ট করার পূর্বে প্রয়োজনমত Page Setup করে নিতে হয়। এজন্য প্রথমে Page Layout মেনুর Page Setup Group এর ডান পাশ
# Page Setup ডায়লগ বক্সের মধ্যে ৪টি ট্যাব আছে। ট্যাবগুলো হচ্ছে- Page, Margins, Header/Footer, Sheet
# Margins Tab এর মধ্যে ক্লিক করে Top, Bottom, Left, Right, Header, Footer এর মার্জিন প্রয়োজনমত সেট করা যায়।

MS Excel 10-3

# Center on page এর নিচে Horizontally তে ক্লিক করলে লেখাগুলো Horizontally মাঝামাঝি হবে। অপরদিকে Vertically তে ক্লিক করলে লেখাগুলো Vertically মাঝামাঝি হবে।
# তারপর প্রয়োজনবোধে এই Page Setup ডায়লগ বক্স থেকে আমরা Print Preview দেখতে পারি এবং প্রয়োজনে Print করতে পারি।
# প্রয়োজনমত Page Setup তৈরী করার পর Ok ক্লিক করতে হবে। পরে যে কোন সময় Print Preview তে পৃষ্ঠার অবস্থান দেখা যেতে পারে।

Gridlines :
# Worksheet এর Gridline গুলো প্রদর্শিত অবস্থায় দেখার জন্য Page Layout মেনুর Sheet Options Group এর Gridlines এর নিচে View এর পাশের চেকবক্সে  টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন উঠিয়ে নিলে Gridline গুলো দেখা যাবে না।
# যদি উক্ত Gridline গুলো প্রিন্ট করতে চান তাহলে Page Layout মেনুর Sheet Options Group এর Gridlines এর নিচে Print এর পাশের চেকবক্সে  টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন উঠিয়ে নিলে Gridline গুলো প্রিন্ট হবেনা।

Headings :
# Worksheet এর Heading গুলো অর্থাৎ Column এর উপরে A, B, C……… ইত্যাদি নামের Heading এবং Row এর পাশের 1, 2, 3……… ইত্যাদি ক্রমিকের Heading প্রদর্শিত অবস্থায় দেখার জন্য Page Layout মেনুর Sheet Options Group এর Headings এর নিচে View এর পাশের চেকবক্সে  টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন উঠিয়ে নিলে Heading গুলো দেখা যাবে না।
# যদি উক্ত Headings গুলো প্রিন্ট করতে চান তাহলে Page Layout মেনুর Sheet Options Group এর Headings এর নিচে Print এর পাশের চেকবক্সে

MS Excel 10-4টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন উঠিয়ে নিলে Heading গুলো প্রিন্ট হবেনা।

 

ডি.এ.মনির
ডি.এ.মনির

 

আফটার ইফেক্ট টিউটোরিয়াল- ১১

আফটার ইফেক্ট  Basic Text 
এইক্ষেত্রেও আমরা একটা New Project ও Composition নিব, Tool Bar থেকে Cyan Color Solid (আমরা পূর্বেই আলোচনা করেছি কিভাবে Solid নিতে হয়) নিয়ে , Tool Bar থেকে Effect → Obsolete → Basic text এ যাবো (লক্ষ্য রাখতে হবে Solid টা যাতে Select থাকে), একটি Windows আসবে, Font – Broadway,

After-effect-11.1

Alignment – Center, Text Body তে Text লিখব, Ok দিব। এখন Effect controls বা Time line এর Text properties এর নিচে Effect option , দুটির যে কোনটি দিয়ে আমরা কাজ করতে পারি। আমরা Time line এ play head কে ০০:০০:০০:০০ সেকেন্ডে রেখে Effect controls এ Fill and Stroke → Display Optio → Fill over stroke নিব এবংStroke color, Stroke width, Size, Tracking এর Stop watch on করব এবং Size ও Tracking এর মান যথাক্রমে ১০২৪.০ ও -৫৮ করব। Tracking এর Arrow টি On করলে নিচে একটি Option দেখা যাবে যা হলুদ রংয়ের বৃত্তের মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়েছে যার মান -২০ রাখব।

After-effect-11.2
এখন Time line এ play head কে ০০:০০:০৪:২৪ সেকেন্ডে রেখে Size ও Tracking এর মান যথাক্রমে ৪৪ ও ০ করব এবং Ram preview করে দেখি।

After-effect-11.3

 

আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)
আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)

 

আফটার ইফেক্ট টিউটোরিয়াল- ৯

আফটার ইফেক্ট টিউটোরিয়াল- ৯  Fading with Solid
প্রথমে আমরা একটি Blue color এর solid নিব এবং নাম দিব Blue Solid| Time line এর Transform হইতে Scale এ যাব, ০০:০০:০০:০০ Sec এ Stop watch এ click করে new key frame Add করব এবং Value ১০০.০% রাখব। Play Head টিকে ০০:০০:০৪:০০ Sec নিয়ে আরেকটি key frame Add করব এবং Value ১০০.০,১১.১% রাখব। Time line এ play Head ০০:০০:০২:২৩ Sec এ আরেকটি Red color এর solid নিব এবং নাম দিব Red Solid| Red Solid layer টির Scale ও Opacity এর Stop watch on করব এবং Value দিব যথাক্রমে (১০০.০,১০০.০%) ও ০%। ০০:০০:০৪:১৭ Sec Opacity এর Value দিব ১০০%, ০০:০০:০৭:২৪ Sec Scale এর Value দিব ৯.৪, ১০০.০%, Position এর Stop watch on করব ও Value দিব ৩৬২.০, ও ২৭০.০০০:০০:০৮:২২ Sec Value দিব ৬৩০.০, ২৭০.০।

After-Effect-9.1
আমরা Time line এর Play Head টিকে ০০:০০:০৭:১৭ Sec রেখে একটি Image Import করব যার নাম Pic man এবং Drag করে Time Line এ ০০:০০:০৭:১৭ Sec নিব, Position এর Stop watch on করব ও Value যা আছে তাই রাখব, একই ভাবে Opacity এর Stop watch on করব ও Value ০%, ০০:০০:০৮:১০ Sec Opacity Value ১০০% দিব। ০০:০০:০৮:১৫ Sec, Position Value আগেরটি ও ০০:০০:০৯:১০ Sec এ Position Value ৪৮২.০, ৩৫১.৫ করব। এখন Ram preview দেখি।

After-Effect-9.2

 

আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)
আবু মনসুর আল-মামুন ভিডিও এডিটর (যমুনা টেলিভিশন)

শেয়ার বাজারের হিসেব রাখুন এমএস এক্সেলে

আজকে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখব।শেয়ার বাজারের হিসেব খুব সহজেই এমএস এক্সেল এ রাখতে পারবেন। আজকে Data মেনু নিয়ে কাজ করব এবং এই মেনুর মাধ্যমে MS Excel এ কিভাবে Website থেকে তথ্য নিয়ে কাজ করা যায় তা দেখব।

Data মেনুর From Web :
Website থেকে তথ্য নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা শেয়ার মার্কেটকে ব্যবহার করব। শেয়ার মার্কেট থেকে তথ্য নিয়ে কিভাবে কাজ করা যায় অর্থাৎ আপনার যদি শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা থাকে তাহলে প্রতি মূহুর্তে কিভাবে Portfolio তে আপনার অবস্থান (লাভ/ক্ষতি) দেখতে পারবেন তা শিখব। এজন্য প্রথমে আপনাকে নিজের একটি Portfolio তৈরী করতে হবে।

 প্রথমে আমরা Portfolio এর নিম্নরূপ একটি ছক তৈরী করি।

Excel-13.1

 উক্ত ছকে ৫টি কোম্পানির ক্রয়কৃত শেয়ারের সংখ্যা, কত টাকা দিয়ে শেয়ারগুলো কেনা হয়েছে এবং শেয়ার প্রতি Average Rate দেয়া আছে। Date & Time এর পাশের লম্বা ঘরটিতে আমরা শেয়ার মার্কেট এর Website থেকে তথ্য নেয়ার তারিখ ও সময় লিঙ্ক করব এবং Market Rate এর কলামে উক্ত সময়ে কোম্পানিগুলোর বাজার দর লিঙ্ক করে দিব।

 আমরা জানি একটি অথবা কয়েকটি Worksheet নিয়ে একটি ফাইল তৈরী হয়। লক্ষ্য করুন Portfolio তৈরীর জন্য উক্ত ছকটি আমরা Portfolio নামের Worksheet এ তৈরী করেছি। এখন Latest Share Price নামের পরবর্তী Worksheet এ Dhaka Stock Exchange Ltd. এর একটি লিঙ্ক তৈরী করব। সেজন্য প্রথমে উক্ত Worksheet এ সেল পয়েন্টার রাখি।

 এখন Dhaka Stock Exchange Ltd. এর http://www.dsebd.org ঠিকানা থেকে Website টি ওপেন করি। উক্ত Website এর বাম পাশে In Text Mode লেখা লিঙ্কটি Open করি।

Excel-13.2

 In Text Mode লেখা লিঙ্কটি Open করার পর নিচের Page টি আসবে। উক্ত Page টি আমরা Excel এ লিঙ্ক করতে চাই। তাই উক্ত Page এর Address টি (http://www.dsebd.org/datafile/quotes.txt) কপি করে নেই।

Excel-13.3

 এখন Latest Share Price নামের Worksheet এ সেল পয়েন্টার থাকা অবস্থায় Data মেনুর From Web আইকনে ক্লিক করি। নিম্নরূপ একটি ডায়লগ বক্স আসবে।

Excel-13.4

 উক্ত ডায়লগ বক্সের Address এর ঘরে Dhaka Stock Exchange Ltd. এর Website থেকে নেয়া In Text Mode এর কপি করা Address টি Paste করি। অতঃপর পাশের Go বাটনে ক্লিক করি। তাহলে নিচের খালি অংশে উক্ত পাতাটি চলে আসবে। এখন Import এ ক্লিক করি। Import এ ক্লিক করলে নিচের ডায়লগ বক্সটি আসবে।

Excel-13.5

 Ok ক্লিক করি। কিছুক্ষনের মধ্যেই দেখবেন Dhaka Stock Exchange Ltd. এর Website এর উক্ত পাতাটি চলে আসছে। খেয়াল করলে দেখবেন কিছুক্ষন পরপরই উক্ত পাতাটি Refresh হচ্ছে। এছাড়া Data মেনুর Refresh All বাটনে ক্লিক করলে পাতাটি Refresh হবে এবং কোম্পানিগুলোর ঐ মূহুর্তের বাজার দর চলে আসবে। এতে অবশ্যই মনে রাখা প্রয়োজন আপনার Internet Line অবশ্যই চালু থাকতে হবে।

 এখন Portfolio Worksheet এর Date & Time এর পাশের ঘরে সেল পয়েন্টার থাকা অবস্থায় = চিহ্ন (সমান চিহ্ন) দিয়ে Latest Share Price Worksheet টি সিলেক্ট করুন এবং Date & Time এর সেলটি সিলেক্ট করে Enter প্রেস করুন। দেখবেন Portfolio Worksheet এ তারিখ এবং সময় চলে আসবে।

 এখন AFTABAUTO কোম্পানির ঐ মূহুর্তের বাজার দর লিঙ্ক করার জন্য Portfolio Worksheet এর E13 ঘরে সেল পয়েন্টার রাখি। এখন = চিহ্ন (সমান চিহ্ন) দিয়ে Latest Share Price Worksheet টি সিলেক্ট করুন এবং AFTABAUTO এর পাশের ঘর অর্থাৎ B23 সেলটি সিলেক্ট করে Enter প্রেস করুন। দেখবেন Portfolio Worksheet এর E13 সেলে AFTABAUTO কোম্পানির বাজার দর চলে আসবে।

 এখন Total Share এর সাথে গুণ করে Market Value তৈরী করুন এবং Total Cost এবং Market Value এর পার্থক্য থেকে উক্ত কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান লাভ অথবা ক্ষতি তৈরী করুন।
Excel-13.6
 একইভাবে অন্যান্য কোম্পানিগুলোর Market Rate সেলে লিঙ্ক তৈরী করুন এবং সেই সাথে Market Value ও Gain/Loss তৈরী করুন। অতঃপর সকল কোম্পানির লাভ/ক্ষতি যোগ করুন।
Excel-13.7
 এইভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ Portfolio তৈরী করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি আপনার ইচ্ছামত অনেককিছু সংযোজন করতে পারবেন। আশাকরি আজকের এই টিউটোরিয়ালটি আপনাদের অনেক কাজে লাগবে।

 

ডি.এ.মনির
ডি.এ.মনির

 

এক্সেল টিউটোরিয়াল Spelling Check এবং Protect Sheet

আজকে আমরা Spelling Check এবং Protect Sheet করা শিখব।

Spelling Check :
# কম্পিউটারের একটি নিজস্ব Dictionary আছে। আপনি আপনার লেখাগুলোকে উক্ত Dictionary ‘র মাধ্যমে Spelling Check করে নিতে পারেন।
# Review মেনুর Proofing Group এর Spelling আইকনের উপর ক্লিক করলে নিম্নরূপ একটি ডায়লগ বক্স আসবে।

Excel 14.1

 # উক্ত ডায়লগ বক্সের Not in Dictionary এর ঘরে যে শব্দ কম্পিউটারের Dictionary তে নাই সেটি দেখা যাবে। নিচে Suggestions এর ঘরে সঠিক বানানের শব্দগুলো দেয়া থাকবে। আপনি যদি মনে করেন আপনার বানানটিই সঠিক তাহলে Ignore Once বাটনে ক্লিক করুণ।

# আর যদি মনে করেন যে আপনার লেখা বানানটি ভুল তাহলে Suggestions এর নিচের শব্দগুলোর মধ্যে যেটিকে সঠিক মনে হবে সেটি সিলেক্ট করে Change বাটনে ক্লিক করুণ।

# দেখবেন সাথে সাথে আপনার ভুল বানানটি পরিবর্তন হয়ে যাবে। এভাবে আপনি একে একে সবগুলো শব্দই Spelling Check এর মাধ্যমে সঠিক করে নিতে পারেন।

Protect Sheet :
# MS Excel এ অনেক সময় আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকি, যা কিনা অন্য কোন ইউজার ওপেন করলে সমস্যা হতে পারে। উক্ত ফাইটি অন্য কোন ইউজার ওপেন করলেও যাতে এডিট করতে না পারে সে ব্যবস্থা Protect Sheet এর মাধ্যমে করা যায়।
# Review মেনুর Changes Group এর Protect Sheet আইকনের উপর ক্লিক করলে নিম্নরূপ একটি ডায়লগ বক্স আসবে।

Excel 14.2

# উক্ত ডায়লগ বক্সের Password to unprotect sheet এর নিচের ঘরে Password টাইপ করুন। Ok বাটনে ক্লিক করলে Confirm Password এর একটি ডায়লগ বক্স আসবে।

Excel 14.3

# উক্ত ডায়লগ বক্সের Reenter password to proceed এর নিচের ঘরে আগের দেয়া Password টি আবার টাইপ করে Ok বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার Worksheet টি Protect হয়ে যাবে। এখন আর উক্ত Worksheet টির কোন লেখা অথবা ফিগারই পরিবর্তন করা যাবে না। যখনই আপনি এডিট করতে যাবেন তখনই নিচের ডায়লগ বক্সটি আসবে।

Excel 14.4

# অর্থাৎ আপনার এই ফাইলটি read-only ফাইল। এটি পরতে পারবেন কিন্তু এডিট করতে পারবেননা। এডিট করতে হলে আপনাকে আবার Unprotect করতে হবে।
# Unprotect করতে হলে Review মেনুর Changes Group এর Unprotect Sheet আইকনের উপর ক্লিক করলে নিম্নরূপ একটি ডায়লগ বক্স আসবে।
Excel 14.5
# উক্ত ডায়লগ বক্সের Password এর পাশের ঘরে যে Password দিয়ে Sheet টি Protect করেছিলেন সেটি টাইপ করতে হবে।
 Ok ক্লিক করুন। এখন Worksheet টি আপনি আপনার ইচ্ছামত এডিট করতে পারবেন।

ডি.এ.মনির
ডি.এ.মনির