পরিপুর্ণ রিপোর্ট বানাতে কী কী প্রয়োজন

0

মূলধারার সংবাদ মাধ্যম বা টেলিভিশন চ্যানেলে একটি রিপোর্ট এর পেছনে সাত থেকে আট জন লোক কাজ করেন। ধরুন একজন প্রতিবেদকের সঙ্গে থাকেন একজন ক্যামেরা পারসন। প্রতিবেদকের চাহিদা এবং নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে তিনি ভিডিও করেন। মাঠ পর্যায়ে কাজ শেষ হলে প্রতিবেদক যে স্ক্রিপ্টটি লেখেন, একজন সম্পাদক তা যাছাই-বাছাই করে নির্ভুল করে তোলেন। পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এটা সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে বোধগম্য করে তোলেন। এরপর একজন ভিডিও সম্পাদক, স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী ভিডিং সংবাদ তৈরি করেন। সেই সংবাদ আবার যায় একজন প্রযোজকের হাতে। সবশেষ একজন উপস্থাপক তা দর্শকের সামনে উপস্থাপন করেন।

রিপোর্টিং: সাংবাদিকতা হচ্ছে কোনো সংবাদযোগ্য ঘটনা বা তথ্যের বিস্তারিত বিষয় কোনো মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রকাশ করা। তাই আপনাকে প্রথমেই সংবাদ খুঁজে নিতে হবে। শুধু জনগণকে নতুন কোনো তথ্য জানালেই হবে না, সে তথ্য আপনাকে দর্শনযোগ্য করে তুলতে হবে। সংবাদটি হতে হবে নিরপেক্ষ এবং নির্ভুল। ঘটনাস্থলে আপনি যদি আপনার সাথে কোনো ভিডিও জার্নালিস্ট বা ফটোগ্রাফার নিয়ে যান, তাহলে তার সাথে আপনার সংবাদের আইডিয়া শেয়ার করুন এবং তাকে নিয়ম মেনে কাজ করতে অনুরোধ করুন। প্রতিবেদন লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে ভাষার দিকে। আপনার ভাষাটি সহজ ও সরল হতে হবে।

ভিডিওগ্রাফার বা ফটোগ্রাফার: আপনি যদি একজন নাগরিক সাংবাদিক হতে চান, তাহলে ভিডিওগ্রাফি বা ফটোগ্রাফি আপনাকেই করতে হবে। নতুবা আলাদা ভিডিওগ্রাফার বা ফটোগ্রাফার নিলেও তাদের বুনিয়াদি কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। প্রথমেই আপনাকে জেনে নিতে হবে সংবাদটা কোন ধরনের হবে। যদি সংবাদটি অডিও-ভিজ্যুয়াল করতে চান, তাহলে ঘটনাটির ধারাবাহিকতা ধরতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে শট নিতে হবে। সিকোয়েন্সের হিসাব রেখে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে হবে, যাতে ভিডিও সম্পাদক প্রতিটা সিকোয়েন্স কাজে লাগিয়ে গল্প বা সংবাদটি তুলে ধরতে পারেন। ফটোগ্রাফারের ক্ষেত্রেও একইভাবে শুরু থেকেই গল্পের মতো করে ছবি সাজিয়ে নিতে হবে এবং কাজ করার সময় অবশ্যই আপনার নিজের নিরাপত্তা মাথায় রাখতে হবে।

Comment

comments

Comments are closed.