টাইমকোড

0

টাইমকোড হলো একসারি নম্বর, যা একটি টাইমিং সিস্টেমের মাধ্যমে ক্রমানুসারে নিয়ন্ত্রিত। ভিডিও এবং অন্যান্য রেকর্ড করা মিডিয়ার ক্ষেত্রে সিংক্রোনাইজিং, লগিং, ফ্রেম সাজানো এবং ফ্রেম খুজে বের করার জন্য টাইমকোড দেওয়া যেতে পারে।
যেকোন ভিডিওর ওপর টাইমকোড বসানো যেতে পারে। এটিকে ভিসিবল অথবা হিডেনও রাখা যায়। অন্যভাবে বলা যায়, ভিডিওর প্রতিটি ফ্রেমের একটি ইউনিক টাইমকোড থাকে।
ভিডিও টাইমকোড যে ফরমেটে কাজ করে তা হল- HH:MM:SS:FFঅর্থাৎ ঘন্টা:মিনিট:সেকেন্ড:ফ্রেম।
০০:০০:০১:০০ = ১ সেকেন্ড
০০:০১:০০:০০ = ১ মিনিট
০১:৩৭:১৪:০৭ = ১ ঘন্টা, ৩৭ মিনিট, ১৪ সেকেন্ড এবং ৭ ফ্রেম

প্রথম তিনটি নাম্বার সাধারণ ঘড়ির মতই সময় নির্ধারণ করে, তাই এগুলোর সর্বোচ্চ মান পর্যায়ক্রমে ২৩, ৫৯ ও ৫৯G শেষের নাম্বারটি ফ্রেম রেট কাউন্ট করে। এর সর্বোচ্চ মান নির্ভর করে ভিডিও সিস্টেমের ফ্রেম রেটের ওপর। যখন একটি সিস্টেমে প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেম ব্যবহার করা হবে তখন এর সর্বোচ্চ রেঞ্জ হবে ০০:০০:০০:০০ থেকে ২৩:৫৯:৫৯:২৯ পর্যন্ত।
ভিডিও টাইমকোডের প্রচলিত ফ্রেম রেটগুলো হলো,
২৫ ফ্রেম পার সেকেন্ড: পাল টেলিভিশন স্ট্যান্ডার্ড।
২৯ দশমিক ৯৭ ফ্রেম পার সেকেন্ড: এনটিএসসি টেলিভিশন স্ট্যান্ডার্ড। (টাইমকোড ড্রপ ফ্রেম অথবা ননড্রপ ফ্রেম হতে পারে)
৩০, ৫০ অথবা ৬০ ফ্রেম পার সেকেন্ড: কিছু ডিজিটাল ফরমেট ও স্ট্যান্ডার্ড।

 

টাইম অফ ডে ( Time of Day)
বেশিরভাগ টাইমকোডই একটি টেপ, রেকর্ডিং অথবা ক্লিপের শুরু থেকে অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়া সময়টুকু গণনা করে। তবে টাইম অফ এ ডে কোড- কিছুটা আলাদা। এটি রেকর্ডিং এর অতিক্রান্ত সময় গণনা না করে রেকর্ডিংটি করার প্রকৃত সময় গণনা করে। যা কোন কোন ক্ষেত্রে বেশ সুবিধাজনক। উদাহরণ হিসেবে, ধরুন আপনি কয়েকটি ক্যামেরার ফুটেজ একসঙ্গে সিংক্রোনাইজ করবেন যা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ধারণ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে এটি আপনাকে নির্দিষ্ট ফুটেজ খুজে পেতে সহযোগিতা করবে।

 

ফিল্ম (Film)
ফিল্ম সাধারণত ২৪ ফ্রেম পার সেকেন্ড ব্যবহার করে থাকে। সম্প্রতি ৪৮ এবং এর চেয়ে বেশি ফ্রেম রেটেও ফিল্মে কাজ করা যায়। থিয়েটারি ফ্লিমে টাইমকোড একটু আলাদা এবং ভিন্ন। এটি একটি ছবির শুরু থেকে প্রতিটি ফ্রেম গণনা করে।

Comment

comments

Comments are closed.