কালার টেম্পারেচার চার্ট (Colour Temperature Chart)

0

কালার টেম্পারেচার একটি স্ট্যান্ডার্ড মেথড যা, ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রাংশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক রঙের ব্যবহার নির্দেশ করে। কালার টেম্পারেচার সাধারণত কেলভিনে (Kelvin-K) নির্দেশ করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিগ্রিস কেলভিন ব্যবহার করা হলেও, টেকনিকালি এটি সঠিক নয়।
নিচের ছবিতে কেলভিন স্কেলে কালার টেম্পারেচার প্রদর্শণ করা হলো-

Colour-Temparature-Final

টেকনিক্যালি বলা যায়: কালার টেম্পারেচার বলতে বোঝায়, একটি আইডিয়াল ব্ল্যাক বডি রেডিয়েটর, যেখানে লাইট সোর্সের রঙ এবং ব্ল্যাক বডি আলাদা করে বোঝা যায়। আর একটি ব্ল্যাকবডি থিওরেটিক্যালি এমন একটি রেডিয়েটর যা, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভলেন্থ অ্যাবজর্ভ করে নেয়।

ভিডিওতে কালার টেম্পারেচার (Colour Temperature in Video): ভিডিও অপারেশনের ক্ষেত্রে প্রচলিত টেম্পারেচর রেঞ্জ হলো-দুই হাজার কেলভিন থেকে আট হাজার কেলভিন পর্যন্ত। আর এটি শুধু সাধারণ লাইটিং পজিশনের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। অন্যভাবে বলা যায়, এটি সাধারণত বোঝায় সিলেক্টিভ লাইট, জেল এবং ফিল্টার যেগুলো একটি কালার ইফেক্ট তৈরির জন্য ব্যবহার হয়। উদাহরণ স্বরুপ-ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে একজন ক্যামেরা অপারেটর সাধারণত ৫ হাজার ৬ শ কেলভিনে ফিল্টার সেট করে। তবে, এ মাত্রা শুধুমাত্র আউটডোর শুটিং এর সময়ই ব্যবহার করা হয়।

টার্মিনোলজি (Terminology):
1. যখন ইউনিট কেলভিন বলা হয়, তখন এটিকে ক্যাপিটাল অক্ষরে বলা যাবে না। কারণ শুধুমাত্র সেন্টেন্সের শুরুতেই আপনি ক্যাপিটাল অক্ষর ব্যবহার করতে পারবেন। তাই ক্যালভিন না বলে বলতে হবে ক্যালভিন্স। উদাহরণ- লাইট সোর্স আনুমানিক ৩ হাজার ২শ’ ক্যালভিন্স।
2. এর সিম্বল হলো ক্যাপিটাল কে অর্থাৎ K. উদাহরণ- লাইট সোর্স আনুমানিক ৩২০০K.
3. যখন ক্যালভিন স্কেল রেফার করা হবে, এটিকে ক্যাপিটালে বলতে হবে। উদাহরণ-ক্যালভিন স্কেলের নামকরণ করা হয়েছে উইলিয়াম থমাসের নামে। তিনি লর্ড ক্যালভিন নামেও পরিচিত।

ডিগ্রিস ক্যালভিন (Degrees Kelvin): দ্য ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অফ ইউনিট (The International System of Units (SI)) অনুযায়ি, কালার টেম্পারেচার ক্যালভিনে নির্দেশ করা হয়। তবে এই নামের আরেক অংশ অর্থাৎ ডিগ্রি সংযুক্ত করা হয় ১৯৬৭ সালে। মিডিয়া ইনড্রাসটিজে এই ডিগ্রি বেশি ব্যবহার করা হয়।

Comment

comments

Comments are closed.