সেফ মোড ( কম্পিউটার )

0

সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ তখন দেখতে অনেকটাই সাধারন কম্পিউটারটির মতন লাগে। শুধু রং এ কিছুটা পরির্বতন দেখতে পারবেন। বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেঁচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেভাবেই চালু হয় তখন কম্পিউটার। খুবই সাধারন ভাবে বলতে গেলে, ধরুন আপনি কোন ড্রাইভার বা সফটওয়্যার সেটাপ করলেন কিন্তু সেটা ঠিক মতন কাজও করছে না আবার রিমুভও হচ্ছে না। তখন আপনাকে সেফমুডে ওটাকে রিমুভ করতে হবে।

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে নিজে থেকে চালু হয়৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে Restart করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিক ভাবে তা চালু হয় কি না৷ দুই তিন বার করার পরও ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর হয়ে দাড়িয়েছে ৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ ধরুন উইন্ডোজের কোন জরুরী ফাইল খুজে পাচ্ছে না।  নতুন কোনো হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই ভালো৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনস্টিক মোডও বলা হয়৷ পাওয়ার সুইচ দেয়ার পর উইন্ডোজ চালু হওয়ার আগে F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পারে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷

Comment

comments

Comments are closed.